শরীরে ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে প্রাকৃতিক খাবার

প্রকাশের সময় : 2020-01-16 17:21:29 | প্রকাশক : Administration
শরীরে ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে প্রাকৃতিক খাবার

সিমেক ডেস্কঃ  আমরা বিভিন্ন ধরনের খাবার খেয়ে থাকি । অনেক সময় খাবারের মাধ্যমে আমাদের শরীরে প্রবেশ করে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও অন্যান্য ক্ষতিকর জীবাণু। জীবাণুর আক্রমণে হতে পারে ফ্লু, ত্বকের ইনফেকশন, পেটে সমস্যা ইত্যাদি। এই ক্ষেত্রে রোগ প্রতিরোধে আমাদের ইমিউন সিস্টেম যথেষ্ট শক্তিশালী হলেও শরীরে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-মাইক্রোবায়াল খাবারের জোগান দেয়া জরুরি। নিচে বর্ণিত খাবারগুলো প্রাকৃতিকভাবেই ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে প্রতিহত করে।

মধুঃ অ্যান্টি-মাইক্রোবায়াল ঔষধি গুণাগুণ রয়েছে, এমন খাবার হিসেবে যার কথা সবার আগেই বলতে হয় তা হলো মধু। এতে রয়েছে সক্রিয় এনজাইম যা হাইড্রোজেন পারঅক্সাইডের নিষ্পত্তি করে যা জীবাণুনাশক বলে পরিচিত। তাই দিন শুরু করুন এক চা চামচ মধু মেশানো উষ্ণজল পানে।

রসুনঃ শক্তিশালী অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও ইস্ট ইনফেকশন প্রতিরোধক উপাদান হিসেবে বহুল পরিচিত রসুন। খেতে ঝাঁঝালো হলেও রোগ প্রতিরোধে খালি পেটে কাঁচা রসুন খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। রসুনে রয়েছে অ্যালিসিন নামক এক ধরনের উপাদান। রসুন চিবানোর সময় এ উপকারী উপাদান বের হয়ে আসে ও রোগ প্রতিরোধে সক্রিয় হয়ে ওঠে।

কাঁচা হলুদঃ কাটা-ছেঁড়া ও ক্ষত সারাতে অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাঁচা হলুদ ব্যবহার করা হতো একসময়ে। এতে রয়েছে অ্যান্টি- ব্যাকটেরিয়াল উপাদান, যা শরীরের ভেতরের বিভিন্ন অংশও পরিচ্ছন্ন রাখে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এক গ্লাস দুধে কাঁচা হলুদের রস মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়।

লেবুঃ অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল উপাদান হিসেবে লেবুর নাম খুবই পরিচিত। এটি ব্যাকটেরিয়া মেরে ফেলে। ফলে ত্বকে ব্রণ দেখা দেয় না। এটি শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ভিটামিন ‘সি’তে পরিপূর্ণ বলে ফ্রি রেডিক্যালসের কারণে শরীরের অসুখ-বিসুখ প্রতিরোধ করে। প্রতিদিনের ভিটামিন ‘সি’-এর চাহিদা পূরণে ও রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে এক গ্লাস লেবুর পানি পান করা যেতে পারে।

আনারসঃ রসাল ফল আনারসের বহু গুণাগুণ সম্পর্কে হয়তো জানেন। তবে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদানসমৃদ্ধ এ গ্রীষ্মকালীন ফল জীবাণু দ্বারা সৃষ্ট মুখ ও গলার অসুখ সারিয়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাজা আনারসের রস রক্ত ঠান্ডা রাখতে সহায়তা করে, নাকের প্রদাহ কমায় ও সাইনাসের উপসর্গ কমায়।

আদাঃ গলার ইনফেকশনের জন্য কার্যকরী ঘরোয়া সমাধান হচ্ছে আদা। এক টুকরো আদা মুখে পুরে ভালোভাবে চিবিয়ে এর রস গিলে ফেলুন। কাশি সারাতে ও ব্যাকটেরিয়া নাশে আদার রস খুবই কার্যকরী।  - সূত্রঃ অনলাইন

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com