বাংলাদেশের উন্নয়নে ভারতে আলোচনার ঝড়

প্রকাশের সময় : 2020-11-11 16:22:12 | প্রকাশক : Administration
বাংলাদেশের উন্নয়নে ভারতে আলোচনার ঝড়

সিমেক ডেস্কঃ উন্নয়নের বিভিন্ন সূচকে ভারতকে পেছনে ফেলেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের এ উন্নয়ন নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে দেশটিতে। বিশেষ করে কলকাতার গণমাধ্যমে ফলাও করে প্রচার করা হচ্ছে প্রতিবেশী দেশের উন্নয়নের চিত্র। সম্প্রতি কলকাতার বেসরকারি টেলিভিশন ‘কলকাতা টিভি’ ভারতের চেয়ে বাংলাদেশ কোন কোন সূচকে কী পরিমাণ এগিয়ে আছে তা নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন করেছে।

বিশ্ব ক্ষুধা সূচক থেকে নারী-পুরুষ সমতায় ভারতকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ। ভারতে শিশু মৃত্যু হার ১ হাজারে ৮৮ জন। বাংলাদেশে এ হার ৮৪ জন। ভারতীয়দের গড় আয়ু ৬৯ বছর। বাংলাদেশিদের গড় আয়ু তিন বছর বেশি, ৭২ বছর। এর অর্থ বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভারতের থেকে ভালোর দিকে।

এ ধারা অব্যাহত থাকলে কলকাতার বিশেষায়িত হাসপাতাল, যেগুলো বাংলাদেশি রোগীর ভরসায় থাকে; তাদের ব্যবসা লাটে উঠবে। প্রশংসিত হচ্ছে বাংলাদেশ সরকারের ভিলেজ কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্প। ভারতের থেকে বাংলাদেশি তরুণের মধ্যে শিক্ষার হার বাড়ছে। উচ্চ শিক্ষায় নারীরা, পুরুষকে ছাপিয়ে যাচ্ছে। ভারতের পুরুষের চেয়ে সংখ্যায় নারী কম।

‘প্রথম’ নামে একটি সংগঠনের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালানো এক সমীক্ষায় জানা গেছে, বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা ভারতের ছাত্রছাত্রীর চেয়ে সাবলিলভাবে দেখে দেখে বই পড়তে পারে। বাংলাদেশের সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে (সরকারি, বেসরকারি, স্কুল, মাদরাসায়) বিনামূল্যে বই দিচ্ছে। যেখানে ভারতের সরকারি বিদ্যালয়ে শুধু বিনামূল্যে পাঠ্যবই দেয়া হয়।

শিক্ষা, স্বাস্থ্যে বাংলাদেশ ভারতের চেয়ে বেশি ব্যয় করছে। বাংলাদেশে ১০০ শিশুর মধ্যে ৩৩ জন অপুষ্টিতে ভোগে। ভারতে এ হার ৩৬ জন। বাংলাদেশ সরকারের নেয়া পুষ্টি প্রকল্প ‘পুষ্টি আপা’ বিষয়ক অনুষ্ঠানে তুলে ধরা হয় বাংলাদেশে ভারতের মতো আমিষ ভোজের জটিলতা নেই। তাই বাংলাদেশের মানুষ ডিম, মাংস সবই খেতে পারছে। আর ভারতে শুধু শাকসবজি। সেই তালিকায় নেই দুধ, ঘি পনিরের মতো পুষ্টিকর খাবার।

বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ ঘরে টয়লেট আছে। ভারতে ৯৭ শতাংশ। বাংলাদেশের ৮০ শতাংশ বিদ্যালয়ে টয়লেট আছে। ভারতের ৭৩ শতাংশ বিদ্যালয়ে টয়লেট রয়েছে। স্বাস্থ্য সচেতনতায় বাংলাদেশ এগিয়ে। শ্রমের জোগানে বাংলাদেশের মেয়েরা ভারতের চেয়ে অনেক এগিয়ে। চা, বাগান, গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে নারীদের সংখ্যা অনেক বেড়েছে।

ভারতে বেকারত্বের হার ৮ দশমিক ৪ শতাংশ। বাংলাদেশে এ হার ৪ দশমিক ১৯ শতাংশ। গেল কয়েক বছরে শুধু মাথাপিছু আয়ে নয়, অনেক ক্ষেত্রে ভারতকে বাংলাদেশ ছাপিয়ে গেছে। ভারত পাল্লা দিয়ে পিছিয়েছে। যে কোনো ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ সুসম্পর্ক রাখার চেষ্টা চালাচ্ছে।

আর মোদি-আমিত শাহদের মনে হয়েছে, বাংলাদেশিরা না খেতে পেয়ে ভারতে উইপোকার মতো ছড়িয়ে পড়ছে। সেই একাত্তর থেকে অবাঙালি ভারতীয়দের এক বড় অংশের ধারণা বাংলাদেশ তাদের করদ রাজ্য। বাংলাদেশিদের প্রতি তাদের ধারণা, অত্যন্ত গরিব, ওই দেশে কিছুই হয় না, কেবল বাচ্চা পয়দা হয়, আর ওরা মুসলমান। কিন্তু সেদেশটিই নোবেল এনেছে, শিল্প তৈরি করছে, ক্রিকেট টিম তৈরি করছে। কৃষিখাতেও বাংলাদেশের উন্নতির প্রশংসা করা হয়। মাছ উৎপাদনে এদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। মুজিব কন্যা শেখ হাসিনা চুপ করে কাজ করছেন। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। ভারত পিছিয়ে যাচ্ছে সবদিক থেকে। - সময় নিউজ

 

সম্পাদক ও প্রকাশক: সরদার মোঃ শাহীন
উপদেষ্টা সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম সুজন
বার্তা সম্পাদক: ফোয়ারা ইয়াছমিন
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: আবু মুসা
সহ: সম্পাদক: মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিস: ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা।
বার্তা বিভাগ: বাড়ি # ৩৩, রোড # ১৫, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা।
ফোন: ০১৮৯৬০৫৭৯৯৯
Email: simecnews@gmail.com