বিআরটি বিস্তৃত হচ্ছে মহাখালী পর্যন্ত

প্রকাশের সময় : 2019-02-28 14:57:35 | প্রকাশক : Admin
বিআরটি বিস্তৃত হচ্ছে মহাখালী পর্যন্ত

মফিজুল সাদিকঃ রাজধানী ঢাকার সঙ্গে গাজীপুরের সড়ক যোগাযোগ আধুনিক, দ্রুত এবং আরামদায়ক করতে চলছে এয়ারপোর্ট থেকে গাজীপুর পর্যন্ত বাস র‌্যাপিড ট্রানজিটের (বিআরটি) নির্মাণকাজ। এ প্রকল্পের কাজ এখন বিস্তৃত করা হচ্ছে মহাখালী পর্যন্ত। একইসঙ্গে এর আওতায় বিমানবন্দরের সামনে নির্মাণ করা হচ্ছে আধুনিক আন্ডারপাস। আশকোনা ও বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সঙ্গে সংযুক্ত করতে এই আন্ডারপাস নির্মাণ হবে।

এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে গাজীপুরের জয়দেবপুর চৌরাস্তা থেকে রাজধানীর বিমানবন্দর রেলস্টেশনে পৌঁছাতে সময় লাগবে মাত্র ২০ মিনিট, যেখানে যানজটে পড়লে কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত লেগে যায়। কর্মকর্তারা বলছেন, ২০ দশমিক ৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রকল্প এখন টেনে নেওয়া হবে মহাখালী পর্যন্ত, যাতে গাজীপুর থেকে মহাখালীগামী যাত্রীদের যাতায়াতও সহজ ও দ্রুত হয়। তাছাড়া, আশকোনা কিংবা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে বিমানবন্দরে ঢোকার সময় দেখা যায় অনেক অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটে। এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে আন্ডারপাস হতে পারে আশীর্বাদস্বরূপ।

এ বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, গাজীপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত বিআরটি লেন হচ্ছে। এটি চালু হলে ২০ মিনিটেই গাজীপুর থেকে বিমানবন্দরে পৌঁছানো যাবে। আমরা এই প্রকল্পটিকে মহাখালী পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বিমানবন্দর থেকে মহাখালী গুরুত্বপূর্ণ একটা রুট। আর বিমানবন্দরে আমরা একটা আধুনিক আন্ডারপাস নির্মাণ করবো। দেখা যায়, অনেক মানুষ সেখানে ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পারাপার হচ্ছে। যে কোনো ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বিষয়টি মাথায় রেখেই আমাদের পরিকল্পনা।’

প্রথমে গাজীপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত এই রুটের দৈর্ঘ্য ছিলো ২০ দশমিক ২০ কিলোমিটার। এখন এই রুট হচ্ছে গাজীপুর-বিমানবন্দর- মহাখালী-গুলিস্তান- ঝিলমিল পর্যন্ত। রুটের দৈর্ঘ্য বেড়ে হয়েছে ৪২ কিলোমিটার। আপাতত মহাখালী পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হবে। পরবর্তীতে বৈদেশিক ঋণ পাওয়া গেলে বাকি কাজ শুরু করবে সরকার।

কর্মকর্তারা জানান, বিআরটি লেনে বিমানবন্দর থেকে মহাখালী পর্যন্ত অংশটি অন্তর্ভুক্ত করতে একগুচ্ছ পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হচ্ছে। এই অংশে ৩৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে। চলতি সময় থেকে সেপ্টেম্বর ২০১৯ সালের মধ্যেই বিস্তারিত নকশা প্রণয়ন করা হবে। এই অংশে বিআরটি লেন নির্মাণের জন্য আর্থিক প্রাক্কলন সংশোধন করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য প্রাথমিক কাজসমূহ- যেমন সামাজিক ও পরিবেশগত সমীক্ষা করা হবে। প্রয়োজনীয় পরামর্শকও নিয়োগ দেওয়া হবে।

বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) লেনে চলাচলকারী বাসগুলো নির্দিষ্ট স্টপেজ ছাড়া কোথাও থামবে না। মহাখালী পর্যন্ত অংশ যুক্ত হওয়ার আগে কথা ছিল, দুইপ্রান্ত অর্থাৎ গাজীপুর ও বিমানবন্দর স্টেশনে থাকবে দু’টি মূল টার্মিনাল। আর মাঝপথে হবে ২৫টি স্টেশন। প্রতি দুই থেকে ৫ মিনিট পরপর স্টেশন থেকে বাস ছাড়বে। এ সার্ভিসে ভাড়া আদায় হবে স্মার্ট কার্ডে। তবে মহাখালী পর্যন্ত অংশ যোগ হওয়ায় মূল টার্মিনালের একটি গাজীপুরে হলেও আরেকটি হবে মহাখালীতে।

যানজট নিরসনে বিআরটি বিশ্বব্যাপী একটি স্বীকৃত ব্যবস্থা। বিআরটি লাইসেন্স ছাড়া এ রুটে কেউ বাস চালালে ১০ বছরের কারাদন্ড বা ৫০ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত করার বিধান রয়েছে আইনে। এ ছাড়া আইনের কোনো বিধান কেউ লঙ্ঘন করলে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়ার বিধানও রয়েছে। -বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com