এই তো সময় পাঠাগার গড়ার!

সিমেক ডেস্কঃ খুলনার পাইকগাছার অনির্বাণ পাঠাগার। প্রতিষ্ঠার পর পেরিয়ে গেছে ২৫ বছরেরও বেশি সময়। এখনও নতুন নতুন বই সংগ্রহ করে চলছে। কথা হলো এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য নিখিল ভদ্রের সঙ্গে। তিনি জানান, প্রতিবছরই অমর একুশে গ্রন্থমেলা থেকে পাঠাগারটির জন্য বই কেনেন। এ ছাড়াও অনেক সুহৃদ গ্রন্থমেলা থেকে বই কিনে পাঠাগারে উপহার দেন।

শুধু অনির্বাণ পাঠাগার নয়, ঢাকা ও ঢাকার বাইরের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রতিদিনই মেলায় আসছেন বিভিন্ন পাঠাগারের প্রতিনিধিরা। তারা বই সংগ্রহ করছেন। এ কারণে প্রকাশকরাও দারুণ খুশি। অনেকেই বই বিক্রিতে বাড়িয়ে দিচ্ছেন ছাড়, এমনকি পরবর্তী পাঠাগারের জন্য অনুদান হিসেবে বিনামূল্যে বই দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিচ্ছেন।

কথা হয়েছিল মানিকগঞ্জের সিংগাইরের সিকদার আবু বকরের সঙ্গে। নিজের এলাকায় তিনি ও তার বন্ধুরা মিলে ‘গণপাঠাগার’ নামে একটি পাঠাগার দিয়েছেন। সেটির জন্য দুই হাত ভরে বই কিনেছেন। বললেন, মেলায় সব প্রকাশককে একসঙ্গে পাওয়া যায়, ফলে দেখে-শুনে বই কেনা যায়। একই সঙ্গে অনেক প্রকাশকই বই কেনার ক্ষেত্রে ছাড়ও বাড়িয়ে দেন।

শুধু প্রাতিষ্ঠানিক নয়, ব্যক্তিগত পাঠাগারও সমৃদ্ধ করতে অনেকেই মেলার আশ্রয় নেন। এই যেমন নারায়ণগঞ্জের আবদুল্লাহ রায়হান। বললেন, প্রতিবছরই মেলা থেকে প্রচুর বই কিনি। সেগুলোকে এক করে বাড়িতে একটি কক্ষে পাঠাগার তৈরি করে ফেলেছি। সেইসঙ্গে আমরা একান্নবর্তী পরিবার হওয়ায় বইয়ের সংগ্রহও নেহাত কম নয়। আশপাশের অনেকেই আমাদের এ পাঠাগার থেকে বই নিয়ে পড়েন।

এ বিষয়ে প্রচার বাড়ানো উচিত বলে মনে করেন জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি মাজহারুল ইসলাম। তিনি বলেন, কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলায় বিভিন্ন পাঠাগারকে সরকারি অনুদান দেওয়া হয়। যাতে তারা মেলা থেকে পাঠাগারের জন্য বই কিনতে পারে। আমাদের এখানেও এমন সুযোগ সৃষ্টি করা উচিত।

তার সঙ্গে সহমত পোষণ করে অনিন্দ্য প্রকাশের স্বত্বাধিকারী আফজাল হোসেন বলেন, বইমেলায় অনেক পাঠাগারই বই সংগ্রহ করে, তবে তারা বেশি ক্যাটালগ সংগ্রহ করে, যাতে পরে বই কিনতে পারে। তার মতে, পাঠাগারের জন্য যারা বই কেনেন, তাদের জন্য বই কেনার ক্ষেত্রে ছাড় বৃদ্ধি করা উচিত। এর ফলে পাঠকশ্রেণি গড়ে উঠবে বলেও তিনি মনে করেন।

ইত্যাদি গ্রন্থপ্রকাশের অন্যতম স্বত্বাধিকারী আদিত্য অন্তর বলেন, বেশিরভাগ পাঠাগারই এই মেলা থেকে বই কেনে। আমরাও চেষ্টা করি, তাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা করার। পাঠাগারগুলো শক্তিশালী হলে পাঠক গড়ে উঠবে। এ দৃষ্টিকোণ থেক ......

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ রফিকুল ইসলাম সুজন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com