কোলকাতার বিশাল বটবৃক্ষ

প্রকাশের সময় : 2021-03-18 12:33:13 | প্রকাশক : Administration
কোলকাতার বিশাল বটবৃক্ষ

কোলকাতা উদ্ভিদ উদ্যানের বিশাল বটবৃক্ষের বয়স ২৫০ বছরের উপর। বিস্তৃতির দিক দিয়ে গাছটি ভারতে, সম্ভবত এশিয়াতে সব থেকে বড়। গাছটি কবে বসানো হয়েছিল কিংবা অন্যান্য বিষয় সম্বন্ধে ভালো রকম ইতিহাস জানা না গেলেও উনিশ শতকের কিছু কিছু ভ্রমন বৃত্তান্তের পুস্তকে এর উল্লেখ পাওয়া যায়। ১৮৬৪ ও ১৮৬৭ সালে দু-বার যে প্রচন্ড ঘূর্ণিঝড় হয়েছিল তাতে বটগাছটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তখন এর কতকগুলি মূল শাখা ভেঙ্গে যায় এবং তার ফলে কঠিন ছত্রাক দ্বারা আক্রান্ত হয়ে পড়ে।

এই গাছের ডালগুলি থেকে বহুসংখ্যক ঝুরি লম্বালম্বি ভাবে মাটির উপরে নেমে গিয়ে অনেকগুলি গুঁড়ির আকার ধারণ করেছে, ফলে এই বিশাল বটবৃক্ষকে একটি গাছের বদলে একটি ছোটখাট অরণ্য বলেই মনে হয়। আশ্চর্যের ব্যাপার হল এর মূল কান্ডটি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ১৯২৫ সালে সেটিকে কেটে ফেলা সত্বেও গাছটি এখনও পরিপূর্ণ সতেজ রয়েছে।

এই গাছটি উদ্ভিদ উদ্যানের বিশাল বটবৃক্ষ সব চেয়ে বেশী দর্শক আকর্ষণ করে থাকে। পাঁচটি মহাদেশ থেকে আনা ভিবিন্ন উদ্ভিদের সমাবেশ বা বিশেষ বাঁশবাগান, পাম বাগান ইত্যাদিতে সংগৃহীত নানা বৃক্ষের চেয়ে সবাই এই বটগাছটিকেই দেখতে চায়। এই গাছের বৈজ্ঞানিক নাম ‘ফিকাস বেংঘালেনসিস লিন’, এবং গোত্র মোরেসি। এটি ভারতের একটি দেশজ বৃক্ষ। বটফল ডুমুরের মত ছোট, পাকলে লাল দেখায়। বটফল খাওয়ার যোগ্য নয়।

জমি থেকে ১.৭ মিঃ উপরে আদি কান্ডটির বেড় ছিল ১৬.৫ মিঃ। বর্তমানে এই গাছটির বিস্তার প্রায় ১৮,৯১৮ বর্গ মিঃ। এই গাছের শীর্ষ দেশের পরিধি হল ৪৮৬ মিঃ এর অধিক এবং সবচেয়ে বড় শাখাটি ২৪.৫ মিঃ উঁচু। এখন গাছটির মোট ৩,৭৭২টি মাটিতে নেমে যাওয়া ঝুরি আছে। - সূত্র: অনলাইন

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ রফিকুল ইসলাম সুজন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com