জানুয়ারিতে রেকর্ড পরিমাণ পোশাক রপ্তানি

প্রকাশের সময় : 2022-02-23 12:50:26 | প্রকাশক : Administration
জানুয়ারিতে রেকর্ড পরিমাণ পোশাক রপ্তানি

তৈরি পোশাক রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ঘুরে দাঁড়ানোর ধারা অব্যাহত রয়েছে। করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন আতঙ্ক ছড়ালেও জানুয়ারি মাসে রেকর্ড পরিমাণ তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। অথচ পোশাক রপ্তানি কমার আশঙ্কা করেছিলেন অনেকেই। কিন্তু রপ্তানিতে চমক দেখিয়েছেন দেশের পোশাক উদ্যোক্তারা। জানুয়ারি মাসে পোশাক খাতে ৪.০৮ বিলিয়ন ডলার আয় হয়েছে।

বর্তমান বিনিময় হার (প্রতি ডলার ৮৬ টাকা) হিসাবে টাকার অংকে এই অর্থের পরিমাণ ৩৫ হাজার ১২৭ কোটি টাকা। এই আয় এক মাসের হিসাবে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি। এর আগে পোশাক রপ্তানি থেকে এক মাসে সর্বোচ্চ আয় ছিল গত বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে, ৪.০৪ বিলিয়ন ডলার। ডিসেম্বরে সার্বিক পণ্য রপ্তানি থেকে সবমিলিয়ে ৪.৯১ বিলিয়ন ডলার আয় করে বাংলাদেশ। যা এক মাসের হিসাবে এ যাবতকালের মধ্যে সর্বোচ্চ।

আর চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে আয় হয়েছে ৪.৮৫ বিলিয়ন ডলার। জানুয়ারি মাসে সার্বিক পণ্য রপ্তানি থেকে আয় কমলেও পোশাক রপ্তানি থেকে আয় বেড়ে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে। এর আগে ২০০৩-০৪ অর্থবছরে পোশাক রপ্তানি থেকে ৪ বিলিয়ন বা ৪০০ কোটি ডলারের কিছু বেশি আয় করেছিল বাংলাদেশ। আর এখন শুধু এক মাসেই (জানুয়ারি মাস) ৪.০৮ বিলিয়ন ডলার আয় হয়েছে।

২০০৫ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে ‘কোটা সুবিধা’ উঠে যায়। তারপর থেকেই প্রত্যেক মাসেই বাড়তে থাকে পোশাক রপ্তানি। আর পেছনের দিকে তাকাতে হয়নি; বাংলাদেশ এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ। পোশাক খাতের রপ্তানিকারকদের মতে, করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের আতঙ্ক থাকলেও অতি প্রয়োজনীয় কম দামের পোশাক বিশেষ করে নিট পোশাক রপ্তানি কমবে না।

চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে অর্থাৎ জুলাই-জানুয়ারি সময়ে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করে ২ হাজার ৯৫৫ কোটি (২৯.৫৫ বিলিয়ন) ডলার রপ্তানি আয় করেছেন বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা। এর মধ্যে প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলারই এসেছে পোশাক থেকে। অর্থাৎ এই সাত মাসে মোট রপ্তানি আয়ের মধ্যে ৮১.১৭ শতাংশই তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে।

দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক শিল্পের দু’টি উপখাত ওভেন ও নিট। আগে নিটের চেয়ে ওভেন পোশাক রপ্তানি থেকে বেশি বিদেশি মুদ্রা দেশে আসতো। বেশ কয়েক বছর ধরে রপ্তানি বাণিজ্যে এই দুই খাতের অবদান ছিল কাছাকাছি। কিন্তু করোনা মহামারি শুরু হওয়ার পর থেকে ওভেনকে পেছনে ফেলে ওপরে উঠে আসে নিট খাত। ২০২০-২১ সালের জুলাই-জানুয়ারি মাসের রপ্তানির তুলনায় ২০২১-২২ সালের একই মাসে রপ্তানি ৩০.৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। পোশাক রপ্তানি থেকে সবচেয়ে বেশি আয় হয় ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৩৪.১৩ বিলিয়ন ডলার; প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ১১.৫০ শতাংশ। ওই অর্থবছরে ওভেন পোশাক থেকে এসেছিল ১৭.৪৪ বিলিয়ন ডলার। আর নিট থেকে এসেছিল ১৬.৮৯ বিলিয়ন ডলার।

জুলাই-জানুয়ারি সময়ে পোশাক রপ্তানি থেকে যে বিদেশি মুদ্রা দেশে এসেছে তার মধ্যে ৫৫.৩৪ শতাংশই এসেছে নিট পোশাক রপ্তানি থেকে; প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৩ শতাংশ। আর ওভেনে রপ্তানি বেড়েছে ২৭.২৩ শতাংশ। চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে পণ্য ও সেবা মিলিয়ে মোট ৫১ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য ধরেছে সরকার। এর মধ্যে পণ্য রপ্তানি থেকে আয় ধরা হয়েছে সাড়ে ৪৩ বিলিয়ন ডলার। পোশাক রপ্তানি থেকে লক্ষ্যমাত্রা ধরা আছে ৩৫.১৪ বিলিয়ন ডলার। - সূত্র: অনলাইন

 

সম্পাদক ও প্রকাশক: সরদার মোঃ শাহীন
উপদেষ্টা সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম সুজন
বার্তা সম্পাদক: ফোয়ারা ইয়াছমিন
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: আবু মুসা
সহ: সম্পাদক: মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিস: ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা।
বার্তা বিভাগ: বাড়ি # ৩৩, রোড # ১৫, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা।
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com