হাসির ছলে বলা হলেও একে নিয়ে ট্রল করার কিছু নেই

আরিফ জেবতিকঃ আমরা উদ্ভট উদ্ভট খাবার খাই। খেতে অভ্যস্ত বলে এসব চোখে পড়ে না। যেমন মনে করুন কঁচুর লতি। কঁচু গাছ কিইবা একটা গাছ, সেই গাছ একটু পোক্ত হলে মাটির নিচে লতি বের হয়, আমরা সেই লতি বের করে খেয়ে ফেলি। তারপর এই যে কুঁচো চিংড়ি। চিংড়ি কিন্তু মাছ নয়, একধরনের জলজ পোকা বলা যায় বোধহয়, সেই কুঁচো চিংড়ি মানে হচ্ছে আমরা পানি থেকে ছোটখাটো পোকা বের করে খেয়ে ফেলছি। ব্যাঙের ছাতা খাওয়া যায় এই কথা প্রথম যেদিন ছোটবেলা শুনেছিলাম, একেবারে গা গুলিয়ে এসেছিলো। এখন সেই ব্যাঙের ছাতাকে মাশরুম নাম দিয়ে নিত্য খাই।

পরিকল্পনামন্ত্রী ঠাট্টা করে বলেছেন, ‘গরু কচুরিপানা খেতে পারলে আমরা ......

বিনোদন হিসেবে বই পড়া কি হারিয়ে যাবে?

নিশাত সুলতানাঃ আমাদের শৈশবে বিনোদনের উৎস ছিল মূলত দুটি। একটি হলো বাংলাদেশ টেলিভিশন বা বিটিভি আর অন্যটি হলো বই। খেলাধুলা তেমন একটা করতে পারিনি। তখন ছিল বিটিভির স্বর্ণযুগ। একটিমাত্র টিভি চ্যানেল; নারী-পুরুষ, নবীন-প্রবীণ নির্বিশেষে সবাই এর দর্শক। সবাই মিলে কী মজা করেই না সেসব অনুষ্ঠান দেখতাম। হোক সে নতুন কুঁড়ি, সাপ্তাহিক কিংবা ধারাবাহিক নাটক, বাংলায় ডাবিং করা বিদেশি সিরিয়াল কিংবা সিনেমার গানের অনুষ্ঠান ‘ছায়াছন্দ’। শুধু কি দেখা? আমরা সেসব অনুষ্ঠান নিয়ে ভাবতাম, পর্যালোচনা করতাম আর অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতাম পরবর্তী পর্ব দেখার। ঘরে ঘরে রাখা হতো টিভি গাইড। ......

ইন্টারনেট ব্যবহারে অমনোযোগী শিক্ষার্থীরা!

মাহবুব শরীফঃ ডিজিটাল টেকনোলজির মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার শিক্ষার্থীদের পড়ার ইচ্ছা কমিয়ে দিচ্ছে। ইন্টারনেট আসক্তি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার বিষয়ে অনেক বেশি উদ্বিগ্ন করে তুলছে। শুধু তা-ই নয়, শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিঃসঙ্গতা-একাকিত্বের অনুভূতিও আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাচ্ছে। কম্পিউটার অ্যাসিস্টেড লার্নিং জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে এমন তথ্যই উঠে এসেছে।

যুক্তরাজ্যের সোয়ানসি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ফিল রিড বলেন, যেসব শিক্ষার্থীর মধ্যে ইন্টারনেট ব্যবহারের অতিরিক্ত নেশা আছে, তারা পড়াশোনায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলার তীব্র ঝুঁকিতে রয়েছেন। ইন্টারনেট আসক্ ......

দেখি আশপাশটাও বদলে যাচ্ছে

শাকেরা আরজুঃ কথা বলছি নিজের বিষয়ে, ৪ বছরের কন্যা সন্তানের মা আমি, জব করি। নিজেকে নিয়ে কখনো ভাবি না, কোথাও গেলে পোশাক পড়তে বাছাই করতে ভালো লাগে না, চুল সাজাতে ভালো লাগে না, বেড়াতে ইচ্ছে করে না, শপিং ভালো লাগে না, নিজের শখের ফটোগ্রাফি করি না, গান শুনতে ইচ্ছে করে না, মুভি দেখতে ইচ্ছে করে না, মজার কিছু দেখলেও শুনলেও হাসি পায় না, ঠিক যেন পানি না পেয়ে নেতিয়ে পড়া একটি ফুল গাছ। নিশ্বাস নিচ্ছি কিন্তু বেঁচে নেই মনে হতো। সমাজ সংসার আমাকে নিয়ে নেতিবাচক কথা বলতে লাগলো।

বোন ডাক্তার, তাকে সব বললাম, বললো অহযবফড়হরধ হয়েছে। মানে ডিপ্রেশনে ভুগছি। কিছুদিন ভাবলাম, একবার দেখিই না চেষ্ ......

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ রফিকুল ইসলাম সুজন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com