পুকুরে জ্বলছে রহস্যময় আলো, দেখতে মানুষের ঢল

প্রকাশের সময় : 2019-09-26 12:05:48 | প্রকাশক : Administration
পুকুরে জ্বলছে রহস্যময় আলো, দেখতে মানুষের ঢল

সিমেক ডেস্কঃ ভোলার একটি বাড়ির পুকুরে দেখা যাচ্ছে আলোর ঝলকানি। রহস্যময় এ আলো কোথা থেকে পুকুরে এলো তা কেউ বলতে পারছে না। কেউ বলছে হীরার খনি, কেউ বলছে নাগ-নাগিনীর মাথার মণি। আবার কেউ বলছে হাজার বছর পুরোনো কোনো রাজপ্রসাদ জেগে উঠেছে, তার একটি বাতি জ্বলছে।

এ রহস্যময় ঘটনা নিয়ে চলছে পুরো জেলাব্যাপী তোলপাড়। হাজার হাজার মানুষ ছুটছে সে দৃশ্য দেখার জন্য। ঘটনাটি ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার এওয়াজপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গনি মিয়ার সেন্টার এলাকার হাতেম আলী হাওলাদার বাড়ির পুকুরে।

বাড়ির মালিক মোঃ আল-আমিন বলেন, সন্ধ্যার দিকে বাড়ির গৃহবধূরা পুকুরে হাতমুখ ধুতে গেলে পুকুরের মাঝখানে একটি গোলাকার আলো দেখতে পায়। রাতে তাদের স্বামী বাড়ি ফিরলে ঘটনাটি খুলে বললে তারা বিষয়টি গুরুত্ব দেয়নি। সন্ধ্যার পর আলো আরও বেড়ে যায় এবং পুকুরের কিনারায় চলে আসে। তখন সবার চোখে পড়ে যায়। আলোর ব্যাস হবে আনুমানিক ১/২ ফিটের মতো।

স্থাানীয় বাসিন্দা আনিস হাওলাদার বলেন, আমার স্ত্রী সন্ধ্যায় পুকুরে মাছ ধুতে গেলে সে আলো দেখে আমাকে বলে। কিন্তু আমি গুরুত্ব দেইনি। পরের দিন সন্ধ্যায় বাড়ির অন্য গৃহবধূরাও আলো দেখে আমাদের বললে আমরা ভেবেছিলাম কেউ লেজার লাইট জ্বালাচ্ছে। সন্ধ্যায় যখন আমরা পুকুরের কিনারে দেখলাম তখন বিশ্বাস করলাম।

তিনি বলেন, এটা আসলে কীসের আলো আমরা বুঝে উঠতে পারছি না। আলো দেখে অনেক লোকজন অনেক কথা বলে। কেউ বলে হীরার খনি, কেউ বলে সাপের মাথার মণি, কেউ বলে পুরোনো কোনো রাজমহল, আবার কেউ সাত রাজার ধন।

স্থাানীয় উৎসুক জনতা মোঃ সাব্বির বলেন, আমরা খবর পেয়ে সেখানে গিয়েছি। আমার মতো হাজার হাজার লোকজন আসছে। এদের মধ্যে রাত সাড়ে ১০টারদিকে দেখতে আসা কয়েকজন লোক পুকুরে নামে। তখন তারা হঠাৎ তলিয়ে যাচ্ছিল ওই সময় উপস্থিাত জনতা তাদের বাঁশ দিয়ে উদ্ধার করে। তখন ওই বাড়ির লোকজন দেখে অবাক হয়ে বলে গত কয়েকদিন আগে এখানে হাঁটু সমান পানি ছিল। হঠাৎ এত গভীর হলো কেন তারাও জানে না।

তিনি আরও বলেন, পুকুরে নামা দুইজন বলেন সেখানে কোনো একটা ঘরের মতো রয়েছে। ঘরের উপরে মিনারের মতো তারা অনুমান করেছেন। এছাড়াও তারা আরও বলেন, অনেক গভীর কোনো সুরঙ্গের মতো তারা অনুমান করছেন।

এদিকে রহস্যময় আলোর বিষয়ে ভয়ে রয়েছেন ওই বাড়ির লোকজন। তারা বলছেন, এটা যদি সাত রাজার ধন-সম্পদ না হয়, তাহলে ভূতের কাজ হতে পারে। এ জন্য আতংকে রয়েছেন। দ্রুত এর তদন্ত করে রহস্যময় ঘটনা অবসানের জন্য সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন তারা।

এ বিষয়ে ভোলার পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিষয়টি শুনে পুলিশ পাঠিয়ে খোঁজ-খবর নেই। রাত সাড়ে ১২টার দিকে বিষয়টি জানতে পারি একটি রহস্যময় আলো জ্বলছে। সেখান অনেক মানুষ রয়েছে। ঘটনা ঠিক কী আমরা বুঝে উঠতে পারছি না। চরফ্যাশন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিন বলেন, আমাকে কেউ এ বিষয়ে বলেনি। এটা হয়তো কোনো হাজার হাজার বছরের পুরোনো কিছু অথবা কোনো গ্যাস জাতীয় কিছু হবে। - সূত্রঃ অনলাইন

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ রফিকুল ইসলাম সুজন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com