সময়টা শ্রেষ্ঠ বক্তা

প্রকাশের সময় : 2019-11-21 12:03:35 | প্রকাশক : Administration

নরমালি লাইফের ২৫/৩০বছর সময়ই কাটে আশেপাশের মানুষের আসল চেহারাটা বুঝে নিতে। এ জন্য ১৮/২০ যারা, তারা মানুষের রূপটা চিনে নিতে পারিনা। এটা ভেবে নেই যে আমাকে হেল্প করার জন্য আশেপাশের অনেকেই আছে; সো আমার চিন্তা নাই, এই নির্ভরশীলতার ভাবনাটাই আমাদের গড়ে ৫ বছর পিছিয়ে দেয়। শুধু সময়টা না; সাথে সাথে আত্মসম্মানটারও হাঁটু অব্দি কাটা পড়তে হয়।

আত্মসম্মান শব্দটা ৭টা অক্ষরে লিখা হলেও এর মূল্য ৭ সংখ্যার চেয়ে অকল্পনীয় বেশি। আর এই আত্মসম্মান এর মূল্যটা আমরা তখনই বুঝতে পারি যখন এটা হারিয়ে যায় বা হারাতে বসে। এর জন্য দায়ী তুমি নিজেকে কিভাবে তুলে ধরছো অর্থাৎ নিজের পার্সোনালিটি তুমি যেভাবে প্রকাশ করবে ঠিক তেমনভাবে সবার কাছে সম্মান পাবে। এটা বজায় রাখার জন্য ইগোটা বজায় রেখো। কিন্তু ইগোটাকে এমন ভাবে প্রকাশ করোনা যেটায় তোমার অহংকার প্রকাশ পায়।

আর বিপদ-এর ক্ষেত্রে বললে যাদের উপর নিজের ওজন বিসর্জন দিয়ে নির্ভরশীল হবা তারাই বিপদের রাস্তার একেকটা ধাপ চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেবে। বিপদে পড়া মানে স্বাভাবিকভাবে পরবর্তী অবস্থায় উদ্ধার না পেলে ডিপ্রেশনে চলে যাওয়া। আর ডিপ্রেশন কি সেটা যারা ডিপ্রেসড ছিলো বা ঐ সিচুয়েশনটা পার হয়ে আসছে তাদের ছাড়া কেউ বলতে পারবেনা। ডিপ্রেশন রানিং এর সময়টায় ভাবনা থাকে যে কি থেকে কি হয়ে গেলো, আমার সাথেই কেন এমন হলো? আমি বলি প্রথমের দোষটা তোমার। তুমি যুক্তি দিয়ে নিজেকে খন্ডাও; দেখবে ৭০% দোষ তোমার আসবে। এখন এই ৭০% চিন্তা করলে লাইফটাকে কোমায় ফেলে দেওয়ার সিচুয়েশন হবে। এরকম না ভেবে, ভাবনায় রেখো তোমাকে  খারাপ সময়ের ডিপ্রেশন থেকে উঠে দাঁড়াতে হবে। তোমার লাইফটা তোমাকেই সাজাতে হবে। হ্যা তুমিই পারবা আর তোমাকে দিয়েই হবে। এই ভাবনাগুলার সাথে ধৈর্য্যের সাথে চুপ থাকতে পারার আর্টটা শিখো। কেননা চুপ থাকার সবচেয়ে সুবিধাটা পাবে তুমি। তোমার কষ্ট করা লাগবেনা। সময় তোমার হয়ে সব উত্তর দেবে। আর সময়টা শ্রেষ্ঠ বক্তা এটা মনে গেঁথে নাও।

ডিপ্রেশনকে দূরে রেখে নিজেকে হাসাও। যে সময় বয়ে যাচ্ছে তার ছন্দে নিজেকে মাতিয়ে রাখো। যে সময়টা যাচ্ছে তা আর ফিরে আসবেনা। জীবনে কি পেলে আর কি হারালে তার হিসেব কষা ছেড়ে দাও। জীবন যা দেয় তা প্রাণভরে স্বাগত জানাও। আজ দিনটা খারাপ যাচ্ছে? মন খারাপ?

ভেবো না! মাথায় রাখো সামনে সুদিন আসছে। তীব্র্র যন্ত্রণা পাচ্ছ? মনে রেখো তীব্র যন্ত্রণাই তোমাকে আত্মসম্মান অর্জন করা শেখাবে; আত্মনির্ভরশীল হতে শেখাবে আর মানসিকভাবে শক্ত ও সুদৃঢ় করে তুলবে। বিপদ থেকে পালিয়ে বাঁচা জীবন না। জীবন হলো পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়া। জীবন মানে পথ চলা, এগিয়ে যাওয়া সময়ের সাথে সাথে আগামী দিনের স্বপ্ন দেখা। নিজেকে নিজে বুঝাতে শেখো ইনশাল্লাহ তোমাকে দিয়েই হবে, তুমিই পারবে। হুমায়রা তাবাসসুম সাবা, ১০ম শ্রেণী, রসুলপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, গফরগাঁও

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ রফিকুল ইসলাম সুজন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com