সুন্দর পৃথিবীর ভয়ংকর ও বিচিত্র জায়গা

প্রকাশের সময় : 2019-11-21 12:22:27 | প্রকাশক : Administration
সুন্দর পৃথিবীর ভয়ংকর ও বিচিত্র জায়গা

সিমেক ডেস্কঃ সাগর, পাহাড়, বন ও আকাশ ঘেরা এই পৃথিবীতে কত কিছুই না রয়েছে। কিছু কিছু জিনিস রয়েছে যেগুলো দেখলে রোমাঞ্চকর, আশ্চর্যজনক ও অদ্ভুত বলে মনে হয়। আবার এমন কিছু জিনিস রয়েছে যেগুলো দেখলে গা শিউরে ওঠে। আজ আমরা পৃথিবীর ভয়ংকর কিছু স্থান সম্পর্কে জানবো।

খুনি হ্রদঃ সুন্দর এই পৃথিবীকে সুন্দর করে সাজিয়ে তোলার জন্য হ্রদ বা জলাশয়গুলোর বিশাল ভূমিকা রয়েছে। অনেকেই অবকাশ যাপনের জন্য বেছে নেন হ্রদবেষ্টিত কোনো স্থানকে। তবে ক্যামেরুনে রয়েছে এমন একটি হ্রদ যাতে অবকাশ যাপন তো দূরের কথা এর ২৩ মাইলের মধ্যে গেলেই মারা যেতে পারেন। স্থানীয়ভাবে এই হ্রদটিকে বলা হয় ‘Killer Lake’ বাংলায় যার অর্থ দাড়ায় ‘খুনি হ্রদ’। তবে এর আসল নাম ‘নয়োজ’ (NYOS). ১৯৮৬ সালে এই হ্রদ থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড এর বুদবুদ বের হওয়া শুরু করে।

এই কার্বন-ডাই-অক্সাইড সালফার ও হাইড্রোজেনের সাথে মিশে বায়ুমন্ডলে চলে যায়। সে সময় এই গ্যাসের প্রভাবে অল্প সময়ের ব্যবধানে প্রায় ১৭০০ মানুষ ও ৩,৫০০ গবাদিপশু মারা যায়। যারা বেঁচে ছিল তাদেরকেও দীর্ঘমেয়াদি কষ্টকর পার্শপ্রতক্রিয়া যেমন ক্ষত, টিস্যু পোড়া এবং শ্বাসতন্ত্রের অসুস্থতা প্রভৃতিতে ভুগতে হয়েছিল। এরপর থেকেই এই হ্রদটির নাম হয়ে যায় ‘খুনি হ্রদ’। এরকমটি হওয়ার কারণ হলো, এটি একটি মৃত আগ্নেয়গিরি জ্বালামুখের পাশে অবস্থিত। এর উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হলেও এটি লাভায় পরিপূর্ণ এবং এর মধ্য থেকেই কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস নির্গত হয়। পর্বতের এই অংশটি ওক পর্বতমালার অন্তর্গত যা ক্যামেরুনের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে অবস্থিত।

শ্যাম্পেন লেকঃ নাম শুনে মনে করতে পারেন এই লেকে বোধহয় পানি থেকেই শ্যাম্পেন হয়। আসলে তা নয়। এই লেকের পানি থেকে শ্যাম্পেন না হলেও এই লেকের পানি থেকে কার্বন- ডাই-অক্সাইডের বুদবুদ বের হওয়ার ধরন অনেকটা শ্যাম্পেনের বোতল খোলার পর যে রকম বুদবুদ করে ভিতর থেকে শ্যাম্পেন বেরিয়ে আসে সেরকম। এ কারণে এটিকে শ্যাম্পেন লেক বলা হয়। নিউজিল্যান্ডের Wai-O-Tapu তে অবস্থিত। Wai-O-Tapu জায়গাটি আবার রুটুরুয়া তে অবস্থিত। মাউরি ভাষা থেকে অনুবাদ করলে জানা যায় Wai-O-Tapu এর অর্থ হচ্ছে পবিত্র পানি অথবা রঙিন পানি আর রুটুরুয়া শব্দের অর্থ হচ্ছে কাহুমাতামমিও, যে ছিল লর্ড মারিওর চাচা। যিনি এই অঞ্চলটি আবিষ্কার করেছেন। পুরো রুটুরুরা অঞ্চলটিই তীব্র ভাবে সক্রিয় আগ্নেয়গিরি,পানি ও বাষ্প ও আরো বহু অদ্ভুত প্রাকৃতিক বৈশিষ্টে গঠিত ও পরিপুর্ণ। - সূত্রঃ ঢাকগাইড

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ রফিকুল ইসলাম সুজন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com