দেশের সবচেয়ে বড় সেতু হবে এবার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রকল্প শেষ করার নির্দেশ

প্রকাশের সময় : 2019-11-21 12:44:52 | প্রকাশক : Administration
দেশের সবচেয়ে বড় সেতু হবে এবার  নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রকল্প শেষ করার নির্দেশ

সিমেক ডেস্কঃ দ্বীপ জেলা ভোলার সঙ্গে বরিশালকে যুক্ত করতে বাংলাদেশের দীর্ঘতম সড়ক সেতু নির্মাণের কাজ শীঘ্রই শুরু হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সেতু হবে বরিশাল ও ভোলার সংযোগকারী সেতু। ভায়াডাক্টের পরে প্রায় ৮ কিলোমিটার এ সেতুর ফিজিবিলিটি শেষ হয়েছে। সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে।

ফান্ডিংয়ের বিষয়ে কথাবার্তা হচ্ছে। চায়না এ সেতুতে অর্থায়ন করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বরিশাল-ভোলা সেতু পদ্মার (পদ্মা সেতু) মতো ডাবল ডেকার হবে না, এটা হবে সড়ক সেতু। তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখন দীর্ঘতম সড়ক সেতু হচ্ছে যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু সেতু, এর দৈর্ঘ্য ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার। ৬ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতুর কাজ শেষ হলে তা হবে দীর্ঘতম সেতু। এ সময় সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেনসহ সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এদিকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উন্নয়ন প্রকল্প শেষ করার প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের কথা জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। এছাড়া বাস্তবায়ন মূল্যায়ন ও পরিবীক্ষণ বিভাগকে (আইএমইডি) নির্দেশ দিয়েছেন যাতে পিপিআর সংশোধন করা হয়। কেননা এখনকার নিয়ম অনুযায়ী বড়ো ঠিকাদাররা কাজ পাচ্ছেন। বড়ো ঠিকাদারের পাশাপাশি দেখতে হবে যাতে ছোটো এবং নতুন ঠিকাদারও যেন কাজ পায়, প্রতিযোগিতা বাড়ে। টেন্ডার ডকুমেন্ট এমনভাবে তৈরি করা যাবে না যেন নির্দিষ্ট কোম্পানি বারবার কাজ পায়।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা সম্পর্কে পরিকল্পনামন্ত্রী আরো জানান, প্রায়ই আগ্রহ নিয়ে প্রকল্প পাশ করা হয়, দালান-কোঠা নির্মাণ করা হয়। তারপরে আর বাকি কাজ হয় না। জনবল নেই, যন্ত্রবল নেই। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যে আগ্রহ নিয়ে আপনারা প্রকল্পের কাজ শুরু করেন, একই আগ্রহ নিয়ে আপনারা বাকি কাজগুলো করবেন। দেশের নদীগুলোতে অহেতুক সেতু নির্মাণ না করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এমনিতেই নদীগুলো ভরাট হয়ে যাচ্ছে। তার ওপর যদি অহেতুক সেতু নির্মাণ করা হয় তাহলে আরো সমস্যা হবে। তাই সেতু নির্মাণে সাবধান হতে হবে। ছোটো নদীতে ক্যাবল পদ্ধতিতে ব্রিজ করতে হবে যাতে বেশি পিলার না লাগে। এখন থেকে নতুন রাস্তা করার চেয়ে বিদ্যমান রাস্তাগুলো চার লেন এবং প্রশস্ত করার দিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ রফিকুল ইসলাম সুজন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com