দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে রামপাল বিদ্যুত কেন্দ্রের কাজ

প্রকাশের সময় : 2019-12-18 11:09:20 | প্রকাশক : Administration
দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে রামপাল বিদ্যুত কেন্দ্রের কাজ

শাহীন চৌধুরীঃ বহুল আলোচিত রামপাল ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুত কেন্দ্রের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। বাংলাদেশ ভারতের যৌথ উদ্যোগে নির্মানাধীন এই বিদ্যুত কেন্দ্র নিয়ে শুরুতেই নানা বিতর্কের সৃষ্টি হয়। সুন্দরবনের কাছাকাছি বিদ্যুত কেন্দ্রটির অবস্থান হওয়ায় দেশের পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো এই কেন্দ্র নির্মাণের বিরোধীতা শুরু করে।

এদিকে পরিবেশবাদীদের এই বিরোধীতার কারনে ইউনেস্কো সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যের ঝুকিপূর্ণ তালিকায় স্থান দেয়। ফলে কিছুটা বিব্রবতকর অবস্থায় পড়ে সরকার। বিদ্যুত কেন্দ্রটি নিয়ে বিরোধীতার এই অবস্থায়ও হাল ছাড়তে রাজি হয়নি সরকার। কিছুদিন আগে ইউনেস্কোর বৈঠকে সরকার নানা তথ্য উপাত্ত দিয়ে প্রমান করতে সক্ষম হয় যে, এই বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মাণের কারনে সুন্দরবনের কোনই ক্ষতি হবেনা। আর এর পর থেকেই বিরোধীরা কিছুটা হলেও থেমে যায়। একই সঙ্গে দ্রুত গতিতে শুরু হয় বিদ্যুত কেন্দ্রটির নির্মাণ কাজ।

সূত্রমতে, রামপাল ১৩২০ মেগাওয়াট কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুতকেন্দ্রটি আগামী ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পূর্ণ মাত্রায় বিদ্যুত সরবরাহ করবে। বিদ্যুত কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট অর্থাৎ ৬৬০ মেগাওয়াটের উৎপাদন ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসেই শুরু করার কথা ছিল। অবশ্য এখনো প্রথম ইউনিটের উৎপাদন শুরু হয়নি।

এই প্রকল্পের জন্য মোট ব্যয় বরাদ্দ ১ দশমিক ৬ বিলিয়নমার্কিন ডলার। বর্তমান ডলার মূল্য অনুযায়ি যা বাংলাদেশী টাকায় দাড়ায় ১৩ হাজার ৪শ’ ৪০ কোটি টাকা। সূত্রমতে ৯শ’ ১৫ দশমিক ৫ একর জমির উপর নির্মানাধীন এই বিদ্যুতকেন্দ্রটির ল্যান্ড ভেভেলপমেন্ট, বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণসহ সব অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। বিদ্যুতকেন্দ্রটি নির্মাণের জন্য বাংলাদেশ ভারত ফ্রেন্ডশীপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল) নামে একটি কোম্পানি গঠন করা হয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ বিদ্যুত উন্নয়ন বোর্ড বা বিপিডিবি এবং ভারতের পক্ষ থেকে সেদেশের রাষ্ট্রীয় বিদ্যুত কোম্পানি ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড বা এটিপিসি উভয় দেশের প্রনিধিত্ব করছে।

সূত্রমতে, এই প্রকল্পের জন্য বরাদ্দকৃত মূল টাকার ৩০ ভাগ ভারত ইকুইটি হিসেবে প্রদান করবে। বাকি ৭০ ভাগ ঋণ হিসেবে প্রদান করবে ভারতীয় এক্সিম ব্যাংক। দীর্ঘ মেয়াদে এই ঋণ প্রকল্পের আয় থেকে পরিশোধ করতে হবে। প্রকল্পটির মালিকানা বাংলাদেশের ৫০ ভাগ এবং ভারতের ৫০ ভাগ।

এই বিদ্যুত কেন্দ্রের পুরো বিদ্যুতই ব্যবহার করবে বাংলাদেশ। বিদ্যুত কেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক সুভাষ চন্দ্র পান্ডে দাবি করেছেন, এই বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মাণে এখন আর কোনও সমস্যা নেই। নির্ধারিত সময়েই বিদ্যুতকেন্দ্রটি উৎপাদন শুরু করবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ রফিকুল ইসলাম সুজন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com