বাঁশের কাপড়!

প্রকাশের সময় : 2019-12-18 11:20:18 | প্রকাশক : Administration
বাঁশের কাপড়!

সিমেক ডেস্কঃ বাঁশ থেকে ফাইবার। এবার সেই ফাইবার দিয়ে তৈরি হবে জামাকাপড়। শুধু জামাকাপড় নয়, তৈরি হবে আরো অনেক কিছু। এই বাশের নাম ‘মোসো’। এটি উৎপাদন হয় চীনে। তবে এখন চীন থেকে ভারতের ত্রিপুরাতেও আনা হয়েছে। সেখানে চাষ হবে মোসোর।

মোসো উচ্চতায় প্রায় ৯০ ফুট পর্যন্ত হয়। এই বাঁশের কোনো ঝাড় হয় না। মোসোর ক্ষেত্রে এক-একটি বাঁশ গাছ এককভাবে মাটি থেকে উঠে। একদম সোজা।

মোসো একদম মুলি বাঁশের মতো। তবে মুলি বাঁশ থেকে অনেক মোটা। চীনে এ বাঁশের প্রচুর উৎপাদন হয়। মূলত ফাইবার বা তন্তু তৈরিতে কাজে লাগে মোসো। ঠান্ঠা এলাকায় উৎপাদিত হয়।

বন কর্মকর্তা রজত দাস জানান, চীন থেকে সিকিমে এই বাঁশ এনে চাষ করা হচ্ছে। সিকিম থেকে ১২টি বাঁশের চারা আনা হয়েছে রাজ্যে। পরীক্ষামূলকভাবে এ ১২টি চারা লাগানো হয়েছে বড়মুড়ার রক্তিয়াছড়ায়। এই চারা থেকে প্রথমে ‘রাইবোজোম’ তৈরি করা হবে। যাতে আরো বাঁশের চারা তৈরি করা যায়।

মোসোর চাষ এখনো গবেষণামূলক স্তরে রয়েছে রাজ্যে। একবার যদি সফল হওয়া যায় তবে গোটা রাজ্যে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা হবে। তার যুক্তি, মোসো ৯০ ফুট লম্বা হয় চীনে।ঠান্ডা আবহাওয়ায়। রাজ্যে এমনটা লম্বা না-ও হতে পারে। আমাদের এখানে যদি ৭০ ফুটও লম্বা হয় এক-একটি মোসো, তবেই পরীক্ষা সফল হবে বলা চলে। সাথে সাথে বাণিজ্যিক উৎপাদনের প্রস্তুতি নেয়া হবে।

মোসো নিয়ে বেশ উৎসাহিত রাজ্যের বন অধিদফতরের কর্মী এবং কর্মকর্তারা। চীন থেকে আনা ১২টি চারা দিয়ে রাজ্যে বাঁশ বিপ্লবের স্বপ্ন দেখছেন তারা।

কী কারণে এত স্বপ্ন দেখা চীনের বাঁশ নিয়ে, তারও ব্যাখ্যা করেছেন পি সি সি এফ। তার যুক্তি, রাজ্যে প্রতিবছর ১২০ কোটি টাকার ধূপকাঠির শলা তৈরির ব্যবসা হয়। আর রাজ্যে প্রতি হেক্টরে বাঁশ উৎপাদন হয় এক মেট্রিক টন। যা ভারতের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। গোটা দেশে গড়ে এক হেক্টর জমিতে বাঁশ উৎপাদন হয় দশমিক আট মেট্রিক টন। আর অন্যদিকে চীনে প্রতি হেক্টরে বাঁশ হয় ১০ থেকে ১২ মেট্রিক টন। যা ত্রিপুরার তুলনায় দশ-বারো গুণ বেশি। এ জায়গায় যদি মোসো চাষ করে বাঁশের হেক্টর প্রতি উৎপাদন বাড়িয়ে ৫ থেকে ৬ মেট্রিক টন করা যায়, তবেই কেল্লা ফতে। বছরে ধূপকাঠির শলা-বাণিজ্য যেমন বাড়বে, তেমনি ফাইবার তৈরির কাজও হতে পারে। বাঁশের ফাইবারকে কাজে লাগিয়ে হতে পারে অন্য শিল্পও। - সূত্রঃ অনলাইন

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com