ডায়নোসরের ডিম উদ্ধার করল খুদে!

প্রকাশের সময় : 2020-09-17 16:53:32 | প্রকাশক : Administration
ডায়নোসরের ডিম উদ্ধার করল খুদে!

সিমেক ডেস্কঃ নিয়তি কে নঃ বধ্যতে। অর্থাৎ নিয়তি কেউ খন্ডাতে পারে না। আর এই নিয়তির জোরেই এক খুদে পিছনে ফেলে দিল বিশ্বের তাবড় বিজ্ঞানীদের। আশ্চর্য লাগলেও এখন এটাই বাস্তব। খেলার ছলে ১০ বছরের খুদে খুঁজে পেল ১১টি ডায়নোসরের ডিম। বাঁধের ধারে খেলতে গিয়েছিল চীনের হেয়ুয়ানের ১০ বছরের খুদে ঝ্যাঙ ইয়াংঝে। আর এই ১১টি ডায়নোসরের ডিম খুঁজে পাওয়ায় চক্ষু চড়কগাছ বিশ্বের বিজ্ঞানীদের। চীনের স্কুল পড়ুয়ার কীর্তি এখন রীতিমতো চর্চিত বিষয়।

কীভাবে ঘটল এই অসাধ্যসাধন? জানা গিয়েছে, প্রত্যেকদিনের মতোই স্কুল থেকে ফিরে এদিনও খেলতে গিয়েছিল ঝ্যাঙ। বাড়ির ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে নদীর বাঁধের ধারে খেলছিল সে। খেলতে খেলতে তার মনে পরে পকেটে রাখা আখরোটের কথা। আখরোটের খোল ভাঙার জন্য বাঁধের ধারে পাথর খুঁজতে শুরু করে ঝ্যাঙ। পাথর নিয়ে সবে আখরোটের গায়ে মারতে যাবে, তখনই তার চোখে পড়ল অবিশ্বাস্য বিষয়টা। পাথরের গায়ে গোল গোল সাদা রঙের ছাপ। ছাপটা চেনা চেনা, কোথায় দেখেছি ভাবতে ভাবতেই শিউরে উঠল ঝ্যাঙ। কারণ এই পাথরই তো সে জাদুঘরে ডাইনোসরদের সংগ্রহশালায় দেখেছে। বিজ্ঞানের বইতেও এরকম ছবি দেখেছে। তবে এটা ডাইনোসরের ডিম নয় তো!

এই কথা মাথায় আসতেই আর সময় নষ্ট করেনি খুদে ঝ্যাঙ। আখরোট ফেলে পাথর হাতে সোজা বাড়ির দিকে ছুট। মাকে জানালে তা প্রথমে বিশ্বাস হয়নি। তবু ঝ্যাঙ জেদ ধরায় পুলিশকে খবর দেয় তার মা। পুলিশ এবং তাঁর সঙ্গে আসে হেয়ুয়ান জাদুঘরের ডাইনোসর এক বিশেষজ্ঞ। পাথরটি যাচাই করেই নিশ্চিত হন তিনি। ডাইনোসরের ডিমের ফসিল সেই পাথর। জাদুঘরে তাঁর সহকর্মীদের ডেকে পাঠান তিনি। যেখানে পাথরটি পাওয়া গিয়েছে, ঝ্যাঙের সঙ্গে সেই জায়গায় যান তাঁরা। মাটি খুঁড়ে সেখান থেকেই আরও ১০টি ডাইনোসরের ডিমের ফসিল উদ্ধার করেন তাঁরা। চমকে ওঠেন এগুলি হাতে পেয়ে।

ঝ্যাঙয়ের মা জানান, ছোট বয়স থেকেই বিজ্ঞানে বেশ আগ্রহী ঝ্যাঙ। ডাইনোসরের বিষয়ে অনেক বই পড়ে সে। হেয়ুয়ান জাদুঘরেও ডাইনোসরের ফসিল দেখতেও গিয়েছিল। তাই ডাইনোসরের ডিম চিনতে অসুবিধা হয়নি।

তবে, চীনের এই শহরে ডাইনোসরের ডিম পাওয়ার ঘটনা নতুন নয়। ২০১৫ সালেই রাস্তার তৈরির কাজের সময়ে মাটির নিচ থেকে ৪৩টি ডাইনোসরের ডিমের ফসিল উদ্ধার হয়। - সুত্রঃ অনলাইন

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com