ওরাংওটাংও যায় স্কুলে

প্রকাশের সময় : 2018-04-12 14:30:12 | প্রকাশক : Admin
ওরাংওটাংও যায় স্কুলে

সিমেক ডেস্কঃ বিভিন্ন রকম শিক্ষা নেয়ার জন্য কেবল মানুষই কি স্কুলে যাবে। যদি আপনার এমন ধারণা হয় তাহলে তা সম্পূর্ণ ভুল। শিক্ষা গ্রহনের জন্য এখন পশুপাখিকেও স্কুলে পাঠানো হচ্ছে। যেমন ধরা যাক ইন্দোনেশিয়ার ওরাংওটাং। ইন্দোনেশিয়ার কেতাপাংয়ে আন্তর্জাতিক প্রাণী উদ্ধার কেন্দ্রের উদ্যেগে কিছু শিশু ওরাংওটাংকে নিয়মিত স্কুলে পাঠানো হচ্ছে। দুই চাকাবিশিষ্ট একটি বাহনে করে প্রতিদিন তাদের স্কুলে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে পড়ালেখার জন্য কিন্তু মোটেই নয়!

স্কুলগুলোতে ওরাংওটাংদের নানামুখী প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয় কিভাবে গাছে চড়তে হয়, কিভাবে খেতে হয়। প্রকৃতিতে পাওয়া কোন খাবারগুলো স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ কোন খাবারগুলো নয়। এছাড়া প্রকৃতিতে বেঁচে থাকতে হলে কীভাবে সংগ্রাম করতে হবে এই বিষয়গুলোর ওপরও তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। সার্বিক দিক বিবেচনায় এটি একটি মহৎ উদ্যোগ বলেই বিবেচিত হচ্ছে। ওরাংওটাংদের এই স্কুলে প্রায় ১২০টি ওরাংওটাং নিয়মিত প্রশিক্ষণ নিয়ে থাকে। এদের মধ্যে বেশিরভাগই জন্মের পর পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া। পরে তাদের আন্তর্জাতিক প্রাণী উদ্ধারকেন্দ্রের নিজস্ব উদ্যোগে দেখাশুনা করা হচ্ছে।

তাদের প্রশিক্ষণের মধ্যে কিছু পাঠ এমন ছিল যেখানে তাদের শেখানো হয় কীভাবে গাছে চড়তে হয়। সবার কাছে মনে হতে পারে পশুপাখির জন্য গাছে চড়া একটি স্বাভাবিক ঘটনা। আসলে তা কিন্তু নয়। সাধারণত শিশু ওরাংওটাংরা প্রায়শই উৎসাহের সঙ্গে গাছে চড়তে গিয়ে গাছ থেকে পরে বেশ আহত হয়। তাই মূলত তাদের এই প্রশিক্ষণ দেয়া। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক প্রাণী উদ্ধারকেন্দ্রের

একজন কর্মকর্তা বলেন ‘আমরা তাদের নানামুখী প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকি। যদি কোন শিকারির ফাঁদে আটকা পরে তাহলে কিভাবে নিজেকে উদ্ধার করবে সেই ব্যাপারেও আমরা তাদের প্রশিক্ষণ দেই’। উল্লেখ্য যে, ইন্দোনেশিয়ার বন থেকে ফাঁদ পেতে খাঁচায় বন্দি করে প্রায়ই ওরাংওটাং শিকার করা হয়। আর এমন অবস্থা চলতে থাকলে ইন্দোনেশিয়ার বনগুলো ওরাংওটাং শূন্য হয়ে যাবে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক প্রাণী উদ্ধারকেন্দ্র। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক প্রাণী উদ্ধারকেন্দ্রের অপর এক মুখপাত্র বলেন ‘আজ আমরা যদি ওরাংওটাং সম্পর্কে সচেতন না হই তাহলে অন্যান্য প্রাণী সম্পর্কেও আমাদের সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে না। তিনি আরো বলেন, যদি এই প্রজাতির প্রাণী পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে যায় তাহলে ধরে নিতে হবে পুরো পৃথিবী থেকেই একদিন ওরাংওটাং শূন্য হয়ে যাবে। তার মতে, এই ছোট স্বত্ত্বাগুলো আমাদের কাছে একটু যত্ন আশা করে। আর এই ধরণের স্কুল তাদের প্রকৃতিতে বেঁচে থাকার জন্য সমগ্র দিক থেকে উপযোগি করে তুলবে।

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ রফিকুল ইসলাম সুজন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com