বিরল প্রজাতির মাশরুমের সন্ধান

প্রকাশের সময় : 2020-11-11 15:57:54 | প্রকাশক : Administration
বিরল প্রজাতির মাশরুমের সন্ধান

সিমেক ডেস্কঃ ভারতে নতুন এক ধরনের মাশরুমের সন্ধান পাওয়া গেছে যা রাতের বেলায় আলো ছড়ায় জোনাকির মতো।

পানাজি থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত মহাদেই বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এলাকায় দেখা পাওয়া নতুন প্রজাতির এই মাশরুমের। নাম দেওয়া হয়েছে ‘বায়ো-লুমিনিসেন্ট’ মাশরুম।

পাহাড়ের উপর ফো’টা মাশরুমগুলি দিনের বেলায় আর পাঁচটা সাধারণ মাশরুমের মতোই দেখা যায়। কিন্তু রাত হলেই তা থেকে আলো নির্গত হয়। নীলচে সবুজ অথবা বেগুনি রঙের আলো দেখতে পাওয়া যায়। আশেপাশের পুরো এলাকা আলোকিত করে দেয় মাশরুমগুলি। সাধারণত, বর্ষাকালেই (জুলাই থেকে অক্টোবর) বায়ো-লুমিনিসেন্ট মাশরুমগুলি দেখা যায়। বৈজ্ঞানিকরা মন করছেন, এটি ‘মাইসেনা’ প্রজাতির মাশরুমেরই একটি প্রকার। রাতের অন্ধকারে নিজেদের বিষাক্ত প্রাণীদের থেকে দূরে রাখতেই এভাবে বায়ো-লুমিনিসেন্ট মাশরুমগু'লি থেকে আলো নির্গত হয়। এতে মাশরুমগুলির সংখ্যাও বাড়তে থাকে। বহুদিন ধরেই মাশরুম মানুষের প্রিয় খাবারের তালিকায় রয়েছে। বিভিন্ন খাবারে মাশরুম ব্যবহার করা হয়ে থাকে। শুধু মাশরুমের রান্নাও করা হয়ে থাকে। নিরামিষদের কাছে অত্যন্ত প্রিয় খাদ্য মাশরুম। সময়ের সঙ্গে তার জনপ্রিয়তাও বেড়েছে। কৃত্রিমভাবে মাশরুম চাষের প্রথাও শুরু হয়ে গিয়েছে। কিন্তু সমস্ত প্রকার মাশরুম খাওয়ার জন্য নয়। বন্য এলাকায় এমন অনেক মাশরুম থাকে যার মধ্যে বি'ষাক্ত পদার্থ থাকে। এমন মাশরুম পেটে গেলে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। বায়ো-লুমিনিসেন্ট মাশরুমগুলি বিষাক্ত না বিষাক্ত নয়, তা খতিয়ে দেখার কাজ এখনও চলছে। রাতের অন্ধকারে এর মধ্যে থেকে কীভাবে আলো নির্গত হয়, তাও খতিয়ে দেখছেন গবেষকরা। - সূত্রঃ অনলাইন

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com