পিঁপড়া সম্পর্কে অজানা তথ্য

প্রকাশের সময় : 2018-06-27 18:29:07 | প্রকাশক : Admin
পিঁপড়া সম্পর্কে অজানা তথ্য

সিমেক ডেস্কঃ পিঁপড়া আমাদের খুব পরিচিত একটি প্রাণী হলেও এদের সম্পর্কে অনেক অজানা তথ্য রয়েছে যা অনেকেরেই অজানা। এই ধরুণ এখন পর্যন্ত এদের ২২,০০০ প্রজাতির খোঁজ মিলেছে। যার মধ্যে ১২,৫০০ টির শ্রেণিবিন্যাস করা হয়েছে।

১। পিঁপড়ার কান নেইঃ মানুষের মত পিঁপড়ার কিন্তু কান নেই! তাহলে এরা শোনে কিভাবে? ওদের হাঁটু আর পায়ে আছে বিশেষ সেন্সিং ভাইব্রেশনস। যার মাধ্যমে তারা আশেপাশের পরিস্থিতি বুঝতে পারে। পিঁপড়ার আবার হাঁটু! ভাবতেই হাসি পায় তাইনা?

২। সর্ববৃহৎ মস্তিষ্কের অধিকারীঃ পোকামাকড়দের মাঝে সবচেয়ে বড় মস্তিষ্কের অধিকারী হল পিঁপড়া। অন্যান্য প্রাণীদের তুলনায় এদের মস্তিষ্কে প্রায় ২৫০,০০০ টি কোষ বেশি রয়েছে।

৩। পিঁপড়ার পাকস্থলী রয়েছে দুইটিঃ আমাদের এত বড় শরীরে একটি পাকস্থলী থাকলেও পিঁপড়ার ছোট শরীরে কিন্তু পাকস্থলী রয়েছে দুইটি!

৪। কিছু পিঁপড়া অযৌন প্রজনন ঘটায়ঃ পিঁপড়ার কিছু প্রজাতি রয়েছে যাদের বংশবিস্তার করতে যৌনপ্রজনন প্রয়োজন হয়না। বিশেষ এক ক্লোনিং প্রক্রিয়ায় এরা বংশবিস্তার করে। নিষিক্ত ডিম নারী পিঁপড়ের দেহে বেড়ে উঠে আর অনিষিক্ত ডিম পুরুষ পিঁপড়ের দেহে।

৫। পিঁপড়ারা সবচেয়ে বড় উপনিবেশ তৈরি করতে পারেঃ ধারণা করা হয় যে পিঁপড়েদের করা সবচেয়ে বড় উপনিবেশ ছিলো প্রায় ৩,৬০০ মাইল এর! এই উপনিবেশ ইতালি, ফ্রান্স, স্পেনের মত বড় দেশগুলোর উপর দিয়েই গিয়েছে। আর এই উপনিবেশ তৈরি করে আর্জেন্টিনার একটি পিঁপড়ার প্রজাতি।

৬। সর্বত্র বিরাজমানঃ পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই রয়েছে পিঁপড়া। কেবলমাত্র এন্টার্টিকায় এ ধরনের কয়েকটি জায়গায় পিঁপড়া নেই। পিঁপড়া প্রায় যেকোনো বাস্তুসংস্থানে বিকাশ লাভ করতে পারে

এবং এরা ভূমিগত বায়োমাসের প্রায় ১৫-২৫% গঠন করে। তাদের এই সাফল্যের কারণ হল তাদের সামাজিক সংগঠন, দ্রুত বাসস্থান পরিবর্তনের ক্ষমতা, রসদ জোগাড় করার দক্ষতা এবং নিজেদের রক্ষা করার পারদর্শিতা।

৭ পিঁপড়ারা জ্ঞানীঃ জানেন কি পবিত্র বাইবেলে পিঁপড়াদের জ্ঞানী বলা হয়েছে। বাইবেলে আছে, “তুমি অলস, তবে পিঁপড়ার কাছে যাও। তার উপায় বিবেচনা কর, জ্ঞানী হও”। পিঁপড়াদের সাধারণত পরিশ্রমী ও অধ্যাবসায়ের উদাহরণ হিসেবে ব্যাবহার করা হয়।

৮। এসিড ছুঁড়ে আত্মরক্ষাঃ কিছু পিঁপড়া নিজেদের আত্মরক্ষার জন্য এসিড ছুঁড়ে দেয়! আমাজনের কিছু পিঁপড়ার প্রজাতি প্রতিকূল পরিস্থিতিতে নিজেদের বাঁচাতে ফর্মিক এসিড ছুঁড়ে দেয়!

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ রফিকুল ইসলাম সুজন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com