পালং শাকে চলবে গাড়ী

প্রকাশের সময় : 2018-06-27 18:31:59 | প্রকাশক : Admin
�পালং শাকে চলবে গাড়ী

সিমেক ডেস্কঃ ‘পালং শাকে’ গাড়ি চলবে এমনটাই বলছেন বিজ্ঞানীরা। ‘নেইচার’ সাময়িকীতে এমন একটি গবেষণা পত্র প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণায় দেখা যায়, পালং শাকের রয়েছে বিশেষ এক ক্ষমতা। সে ক্ষমতাবলে সূর্য্যলোককে পরিচ্ছন্ন, কার্যকর ও বিকল্প জ্বালানির উৎসে রূপান্তরিত করতে পারে পালং শাক।

পারডিউ ও অ্যারিজোনা ইউনিভার্সিটির গবেষকরা পালং শাকের নির্যাস থেকে একটি প্রোটিন কমপ্লে−ক্স পেয়েছেন, যার নাম ফটোসিস্টেম-২। এটি সতর্কভাবে বের করার পর গবেষক দলটি সেটিকে লেজার রশ্মির সাহায্যে উত্তেজিত করেন এবং এভাবে তারা এর অণুগুলোর ইলেক্ট্রনের গঠনে হওয়া পরিবর্তনসমূহ রেকর্ড করেন। আলো পেলে প্রোটিনগুলো সক্রিয় হয় এবং এ গবেষণায় লেজারকে সূর্যের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। যখন প্রোটিনগুলো কাজ শুরু করলো, গবেষকরা অত্যাধুনিক কৌশল ব্যবহার করলেন।

পরীক্ষার জন্য তারা প্যারাম্যাগনেটিক রেজন্যান্স ও এক্স-রে স্পেক্ট্রোসকপির সহায়তা নিলেন। কিভাবে সময়ের সঙ্গে অণুসমূহের ইলেক্ট্রনের গঠনে পরিবর্তন হয়, সেটা তারা পর্যবেক্ষণ করলেন। গবেষক ইউলিয়া পুষ্কর বলেন, প্রোটিনগুলো সূর্য্যলোক থেকে প্রাপ্ত শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করতে পারে এবং সেটাও কার্যকারিতা হারের হিসাবে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত, যা অতুলনীয়। কৃত্রিম ফটোসিনথেসিস তৈরির উদ্দেশ্যে বিকল্প শক্তির খোঁজে যে গবেষণা চলছে, তা অর্জনে এই সিস্টেমটাকে সম্পূর্ণ বুঝতে পারা অপরিহার্য এবং সেটা আবশ্যক বলেই মন্তব্য করেন ইউলিয়া। গবেষকরা জানান, কৃত্রিম ফটোসিনথেসিসের মাধ্যমে সূর্য্যলোক থেকে প্রাপ্ত শক্তি থেকে পুনরায় নতুন করে পরিবেশবান্ধব হাইড্রোজেনভিত্তিক জ্বালানি তৈরি করা সম্ভব এবং এর সাহায্যে চলবে গাড়ি।

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com