মাছের গায়ে ৮৬০ ভোল্ট বিদ্যুৎ!

প্রকাশের সময় : 2020-12-09 15:41:00 | প্রকাশক : Administration
মাছের গায়ে ৮৬০ ভোল্ট বিদ্যুৎ!

সিমেক ডেস্কঃ শক্তিশালী বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম- এমন নতুন প্রজাতির ইল মাছের সন্ধান পেয়েছেন গবেষকরা। আমাজন অববাহিকায় বাস করা এই মাছ, শিকার ও শত্রু ঘায়েল করতেই তাদের বৈদ্যুতিক শক্তি প্রয়োগ করে। এই মাছ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের নতুন কোন কৌশলের ধারণা নেয়া যেতে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

১৭৬৬ সালে প্রথম বৈদ্যুতিক শক তৈরিতে সক্ষম মাছের কথা প্রকাশ করেন সুইডিশ বিজ্ঞানী, কার্ল লিন্যাইউস। এবার নতুন ধরনের ইলেক্ট্রিক ইল বা বৈদ্যুতিক শক তৈরিতে সক্ষম মাছের সন্ধান দিয়েছেন স্মিথসনিয়ান ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল হিস্টরির গবেষকরা।

বলা হয়, ১৭৯৯ সালের দিকে এ ধরনের একটি মাছের থেকেই ব্যাটারির ধারণা নিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা।

ন্যাচার কমিউনিকেশন্স জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণায় বলা হয়, নতুন প্রজাতির মাছ অন্তত ৮৬০ ভোল্ট বৈদ্যুতিক শক তৈরি করে রেকর্ড গড়েছে।

এর আগে সর্বশেষ ইলেক্ট্রোফোরাস ইলেক্ট্রিকাস নামের এক প্রজাতির একটি মাছ ৬৫০ ভোল্ট বৈদ্যুতিক শক তৈরি করতে পেরেছিল। বৈদ্যুতিক শক দিতে সক্ষম- আমাজন অববাহিকায় এমন কত ধরনের মাছ রয়েছে, তা নিয়ে প্রায় ৬ বছর গবেষণা চালানো হয়। নেতৃত্ব দেন, প্রাণিবিজ্ঞানী ডেভিড ডে সান্তানা।

তিনি জানান, নতুন প্রজাতির মাছটি প্রায় ৮ ফুটের মতো লম্বা হয়। আর এটি এমন স্বচ্ছ পানিতে বসবাস করে, যা খুব বেশি বিদ্যুৎপরিবাহী নয়।

গবেষকরা বলছেন, এ ধরনের মাছ কোন জটিল রোগের ঔষধ উৎপাদন কিংবা বিদ্যুৎ উৎপাদনের নতুন ধারণা দিতে পারে। আমাজন অববাহিকায় আরও শক্তিশালী বিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষম প্রাণীরও অস্তিত্ব থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। - সূত্রঃ অনলাইন

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com