পিঁপড়ে রক্ষা করল শহর!

প্রকাশের সময় : 2020-12-09 15:41:38 | প্রকাশক : Administration
পিঁপড়ে রক্ষা করল শহর!

সিমেক ডেস্কঃ নাম তার ডাইনোসর পিঁপড়ে। এমন নামের কারণ সেই ডাইনোসরদের যুগ থেকে টিকে আছে পিঁপড়ের এই প্রজাতি। জীবন্ত ফসিল এটি। এই প্রজাতির পিঁপড়েটি প্রথম আবিষ্কার হয় ১৯৭৭ সালে। পতঙ্গবিদদের মতে, বোলতা থেকেই সব পিঁপড়ের প্রজাতি উদ্ভব হয়েছিলো প্রায় ১০ কোটি বছর আগে। ডাইনোসর পিঁপড়ে সেই প্রথম যুগে উদ্ভব হওয়া প্রজাতি। তাই বিশ্বের পিঁপড়ের প্রজাতিগুলোর মধ্যে অনেকটাই আলাদা এরা। বোলতা এবং পিঁপড়ে দুই প্রাণীর বৈশিষ্ট্যই দেখা যায় এদের মধ্যে।

মজার বিষয় হল, একটি গোটা শহর ধ্বংস হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করেছিলো এই পিঁপড়ে। বলছিলাম দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার একটা ছোট শহর পুচেরার কথা। কৃষি ছিলো এই শহরের প্রধান জীবিকা। একটা সময়ে সেখানে কৃষি প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। শহর বিরাট এক অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে। আর তখনি ডাইনোসর পিঁপড়ের দল তাদের উদ্ধার করে!

পতঙ্গবিদেরা প্রথম সম্পূর্ণ অন্য প্রজাতির পিঁপড়ের খোঁজ পান এই পুচেরা এলাকায়। ঠিক যেন পাখা ছাড়া বোলতা, যার পেছনে রয়েছে বিষাক্ত বড় হুল। পরে এদের নাম দেওয়া হয় ডাইনোসর পিঁপড়ে।

এরপর থেকে প্রতিদিনই কোন না কোন পতঙ্গবিদ পুচেরা শহরে আসতে শুরু করেন। দীর্ঘদিন গবেষণার কাজ চালিয়ে যেতে থাকেন। তাঁদের জন্য থাকার জায়গা তৈরি হয় শহরে। বাসিন্দাদের জন্য খুলে যায় অর্থ উপার্জনের পথ।

এমনকি বিরল এই ডাইনোসর পিঁপড়ের আকর্ষণে বহু পর্যটকও এই শহরে আসা শুরু করেন। ধীরে ধীরে রাস্তার পাশে রাত্রিযাপন এবং খাওয়াদাওয়ার জন্য রোডহাউস, দোকান গড়ে ওঠে। রাত্রিযাপন না করলেও হাইওয়ে দিয়ে যাওয়া সব গাড়িই এখন পুচেরাতে দাঁড়ায়। সেই সব দোকান থেকে প্রয়োজনীয় জিনিস কেনেন বা কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেন। এভাবে অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে পুচেরা পর্যটন মানচিত্রে নিজের জায়গা করে নিয়েছে। - সূত্রঃ অনলাইন

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com