ঘৃতকুমারীর বিস্ময়কর যত গুণ

প্রকাশের সময় : 2021-03-18 12:06:52 | প্রকাশক : Administration
ঘৃতকুমারীর বিস্ময়কর যত গুণ

শরীরকে সুস্থ ও সবল রাখতে নিয়মিতভাবে ঘৃতকুমারী বা অ্যালোভেরা গ্রহণ ওষুধের কাজ করে। অতি স্বল্পমূল্যে হাতের নাগালে ঔষধি এই ভেষজ  উদ্ভিদের বিভিন্ন গুনের জন্য পাঁচ হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে মানুষ  সেবন করে আসছে।

বেশ কিছু গবেষণায় প্রমাণ হয়েছে, ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে অ্যালোভেরার যেমন বিকল্প নেই, তেমনি এই প্রাকৃতিক উপাদানটিকে কাজে লাগিয়ে অনেক রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। প্রতিদিন অ্যালোভেরার রস বা জুস পান করলে ত্বক, চুল ও দেহকে পরিশুদ্ধ করে প্রাণবন্ত করে তোলে।

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যালোভেরা জুস খাওয়া মাত্র সারা শরীরে অক্সিজেন বেড়ে যায়, ফলে শরীরের প্রতিটি অঙ্গের পাশাপাশি হার্টের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রাও হ্রাস পায়। ফলে হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও দূর হয়।

অ্যালোভেরা জুসে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান শরীরে প্রবেশ করা মাত্র যে কোনও ধরনের ক্ষত সারিয়ে তোলে। ক্ষতের উপরে অ্যালোভেরা জেল লাগালেও সমান উপকার পাওয়া যায়। হরমেনাল সমস্যার স্থায়ী কোনো চিকিৎসা না থাকলেও অ্যালোভেরা দেহের সকল হরমোন নিঃসরণের মাত্রা ঠিক রাখে। প্যানক্রিয়াস সংক্রান্ত নানা রোগের চিকিৎসাতেও এই প্রকৃতিক উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। নিয়মিত এই প্রাকৃতিক উপদানটি খাওয়া শুরু করলে শরীরের প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং মিনারেলের ঘাটতি দূর হয়। সেই সঙ্গে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ঘাটতিও দূর হতে থাকে। অ্যালোভেরা জেল যদি তুলসি, করলা অথবা আমলকির রসের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন, তাহলে আরও বেশি উপকার মেলে।

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই জুস শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টর পরিমাণ এত বৃদ্ধি করে যে দেহের প্রতিটি কোনায় জমতে থাকা টক্সিন বেরিয়ে যেতে শুরু করে। প্রসঙ্গত, এই সব টক্সিন উপাদানের মাত্রা যদি বৃদ্ধি পেতে থাকে, তাহলে শরীরের প্রতিটি অঙ্গের কর্মক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে।

নিয়মিত এই উপাদানটি গ্রহণ করলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এতটা শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে সর্দি-কাশি থেকে শুরু করে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। সেই সঙ্গে সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে।

হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটাতে এই ভেষজ উপাদানটি শরীরে প্রবেশ করার পর পাচক রসের ক্ষরণ এতটা বাড়িয়ে দেয় যে বদ-হজমের মতো রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না।

অনেক নারীই অ্যানিমিয়ায় ভুগছেন। অ্যালোভেরা লোহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন বাড়িয়ে দেয় কারন এই প্রাকৃতিক উপাদানটিতে উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান দেহের ভেতরে প্রবেশ করার পর রক্ত কণিকার উৎপাদন বাড়তে শুরু করে। ফলে অ্যানিমিয়ার প্রকোপ কমে যায়। - সূত্র: অনলাইন

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com