হাতিরঝিল অপেরা হাউস সংস্কৃতির নতুন কেন্দ্র

প্রকাশের সময় : 2018-08-29 21:25:24 | প্রকাশক : Admin
�হাতিরঝিল অপেরা হাউস  সংস্কৃতির নতুন কেন্দ্র

সিমেক ডেস্কঃ হাতিরঝিল এক সময় আবর্জনার স্তূপ হয়ে থাকলেও বর্তমানে রাজধানীর শোভা বহুগুণে বাড়াচ্ছে এই জায়গাটি। আগে সেখানে অপরাধী চক্রের উৎপাতে যেতে পারতো না কেউ। আর এখন বিনোদনের খোঁজে নগরবাসী সময় কাটাতে সেখানেই ছুঁটে যান। ঢাকাবাসী ও পর্যটকদের জন্য এখন হাতিরঝিল অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান। এবার সেখানে তৈরি হচ্ছে অপেরা হাউস, যার নাম হবে ‘ঢাকা অপেরা হাউস’। নগরবাসী এখানে পাবেন একটি কনসার্ট হল, থিয়েটার ও স্টুডিও।

পশ্চিম উলন ও সিদ্ধেশ্বরীর ২০ একর জায়গাজুড়ে এই অপেরা হাউস নির্মাণের প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। সংশ্লি−ষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের অন্তর্ভুক্ত সিডনি অপেরা হাউস থেকেই সরকার এই অনুপ্রেরণা পেয়েছে। তার আদলেই ঢাকা অপেরা হাউস গড়ে তোলার চেষ্টা করা হবে।

কনসার্ট, স্টুডিও ও থিয়েটার ছাড়াও সেখানে একটি মুক্তমঞ্চ, রেকর্ডিং স্টুডিও, গ্যালারি ও মেকআপ-রিহার্সাল কক্ষ থাকবে। এছাড়া চলচ্চিত্র প্রেমিদের থাকবে ফিল্ম সেন্টার। তরুণ শিল্পীদের জন্য থাকবে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। দর্শনার্থীদের সুবিধার জন্য একটি শিশু কর্নার করার কথাও ভাবছেন ডিজাইনাররা। থাকবে একটি ফুড কোর্টও। এছাড়া, থাকবে একটি সুভ্যেনিয়ার শপ, যেখানে তুলে ধরা হবে বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য। বহুতলবিশিষ্ট এই অপেরা হাউসে গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থার কথাও নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ। এসব সুবিধা দেওয়ার জন্য ১০ একর জায়গার ওপর একটি নান্দনিক ভবন গড়ে তোলা হবে। আর বাকি জায়গাগুলো উন্মুক্ত থাকবে।

হাতিরঝিল প্রকল্পের কর্মকর্তা মেজর এএসএম সাদিক শাহরিয়ার বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতোমধ্যে প্রস্তাবিত নকশায় অনুমোদন দিয়েছেন।’ তিনি বলেন, ‘জমিও পছন্দ করা হয়েছে। শুধু বুঝে নেওয়ার প্রক্রিয়ায় একটু সময় লাগছে।’ সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পক্ষে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। বিখ্যাত সুইস আর্কিটেকচার ফার্ম হার্জোগ অ্যান্ড ডি মিরন ব্যাসেল লিমিটেড নকশা প্রণয়নকারী দলটির নেতৃত্ব দেবে। ব্যাসেলে নিউ হল এক্সিবিশন সেন্টার ও ফরাসি ফুটবল ক্লাব এফসি গিরোনসের স্টেডিয়ামের নকশা করেছে তারা।

শিল্পকলা একাডেমির পরিচালক লিয়াকত আলী লাকী জানান, তিনি ফার্মটির তিনজন প্রধান স্থপতির সঙ্গে কথা বলেছেন। অপেরা হাউস নির্মাণে খরচ হবে ছয় হাজার ১২৪ কোটি টাকা। ২০২৩ সালের জুনে কাজ কাজ শেষ হবে বলে জানান।

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com