নাকের ডগায় মস্তিষ্ক!

প্রকাশের সময় : 2018-09-13 11:11:24 | প্রকাশক : Admin
নাকের ডগায় মস্তিষ্ক!

সিমেক ডেস্কঃ নাকের ডগায় মস্তিষ্ক, এ আবার কেমন কথা? অবাক হওয়ার কিছু নেই। ২১ মাসের বাচ্চা ওলি ট্রেজাইস শরীরের গড়ন অন্য পাঁচটি  সমবয়সি বাচ্চার মতো হলেও, নাকটি প্রয়োজনের তুলনায় অস্বাভাবিক বড়। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে সম অনুপাতে বেড়ে চলেছে  ওলির নাকও!

স্ক্যানে ধরা পড়ে, অতিরিক্ত চামড়া তৈরি হচ্ছে তার মুখের কোনও এক অংশে, যা খানিক ‘অস্বাভাবিক’ বলে জানানো হয় তার মা অ্যামিকে। জন্মানোর পর কুৎসিত ওলিকে দেখে রীতিমতো ঘেন্না হত পরিচিতদের। এরকম বীভৎস দেখতে একটা বাচ্চাকে জন্ম দেওয়াই উচিত হয়নি বলে কানাঘুষাও শুনতে হয়েছিল অ্যামিকে।

অ্যামির পূর্বজন্মের অভিশাপ বলেও বলে বর্ণিত হত ওলির জন্ম। এছাড়াও ছুটে এসেছিল আরও অগুনিত ব্যঙ্গবাণ। ভেঙে পড়লেও বিশ্বাস হারাননি তিনি। ছুটে যান চিকিৎসকদের দরজায় দরজায়। এরপর অন্য এক এমআরআই স্ক্যানে জানা যায়, ওলির মস্তিষ্কটি খুলির একটি ছিদ্র দিয়ে বেরিয়ে এসে জমা হয়েছে তার নাকের ডগায়।

বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় এই ঘটনাটি পরিচিত ‘এনসেফেলোসিলি’ নামে  মস্তিষ্কের এই অদ্ভুত অবস্থানের জন্য প্রশ্বাস নিতে অসুবিধা হত ওলির। অথচ প্রতিস্থাপনের প্রক্রিয়াটি ছিল বাঁচা-মরার মত ঝুঁকিকিপূর্ণ।

ঝুঁকি নিয়েছিলেন ওলির মা, বোধহয় ছোট্ট ওলির হাসি মুখের উপর ভরসা করেই। ন’মাস বয়সে এক কঠিন সার্জারির পর অবশেষে ছোট্ট ওলির মস্তিষ্কটি স্থাপন করা হয় যথাস্থানে। জিত হয় খুদে আঙুলের বজ্রমুষ্টির।

অ্যামি এখন ‘এনসেফেলোসিলি’ আক্রান্ত শিশু এবং তাদের পরিবারের মধ্যে সচেতনতা প্রচারে ব্যস্ত। জানাতে ব্যস্ত ‘এনসেফেলোসিলি’ কোনও অভিশাপ নয়। আর এ কাজে তিনি একা নন, সঙ্গে আছে ছোট্ট ওলির নিজের আত্মবিশ্বাসের যাবতীয় স্ফুরণটুকুও।

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ রফিকুল ইসলাম সুজন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com