চলছে বিআরটি লাইন এর নির্মাণ কাজ!

প্রকাশের সময় : 2018-09-26 15:47:15 | প্রকাশক : Admin
চলছে বিআরটি লাইন এর নির্মাণ কাজ!

সিমেক ডেস্কঃ এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, ফরাসি উন্নয়ন সংস্থা এবং গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট ফ্যাসিলিটির ঋণে চারটি প্যাকেজে বিআরটি লাইন-৩ এর কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ‘গ্রেটার ঢাকা সাসটেইনেবল আরবান ট্রান্সপোর্ট’- এই শিরোনামে প্যাকেজগুলো যৌথভাবে বাস্তবায়ন করছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর।

প্যাকেজগুলোর মধ্যে রয়েছে ২৫টি বিআরটি স্টেশন, গাজীপুরে ডিপো, গাজীপুর এবং বিমানবন্দরে দুটি টার্মিনাল, ছয়টি উড়াল সেতু, ৫৬ কিলোমিটার সংযোগ সড়কের উন্নয়ন, ২০.৫ কিলোমিটার ফুটপাতের 

উন্নয়ন, ২৪ কিলোমিটার পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং ১০টি কাঁচাবাজার নির্মাণ। সেতু কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে রয়েছে উত্তরা থেকে চেরাগ আলী বাজার পর্যন্ত ৪.৫ কিলোমিটার উড়াল সড়ক এবং ১২ লেনের টঙ্গী সেতু নির্মাণ। এই প্যাকেজের প্রকল্প পরিচালক লিয়াকত আলী জানান, তারা এখন টেস্ট পাইলিং, জরিপ, সয়েল টেস্ট এবং যন্ত্রপাতি আনা-নেওয়ার কাজ করছেন। সড়ক ও জনপথ বিভাগের দায়িত্বে রয়েছে ১৬ কিলোমিটার বিআরটি লেন তৈরি এবং ছয়টি উড়াল সেতু নির্মাণের কাজ এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের দায়িত্বে রয়েছে ডিপো, কাঁচা বাজার এবং সংযোগ সড়কের উন্নয়নের কাজ।

এসব নির্মাণের লক্ষ্য হচ্ছে গাজীপুর, টঙ্গী এবং উত্তরার অধিবাসীরা যেন আধুনিক আর্টিকুলেটেড বাসে চড়ে দ্রুত ঢাকায় আসতে পারেন। প্রকল্প অনুযায়ী প্রতি স্টেশনে তিন থেকে পাঁচ মিনিট পরপর বাস এসে থামবে। প্রকল্প পরিচালক সানাউল হক বলেন, জয়দেবপুর চৌরাস্তায় ইন্টারচেঞ্জ এবং ভোগরা, আব্দুল্লাহপুর ও বিমানবন্দর মোড়ে উড়ালসেতু যানবাহন চলাচলে গতি আনবে।

যাহোক, গণপরিবহনকে গতিশীল করতে গাজীপুর ও হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মধ্যে ২০.৫ কিলোমিটার বিআরটি লাইন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছিলো ২০১২ সালে। এরপর, একে একে ছয়টি বছর কেটেছে কিন্তু, কাজ হয়েছে মাত্র ২০ শতাংশ। প্রকল্পের কর্তাব্যক্তিদের মতে, সেই পথে আধুনিক ও দ্রুত বাস পরিষেবা পেতে যাত্রীদের অপেক্ষা করতে হবে আরও ৪ বছর। এর জন্যে খরচ করতে হবে আরও অনেক টাকা। প্রথমে এই প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছিলো ২ হাজার ৪০ কোটি টাকা। ইতোমধ্যে, সেই খরচ দ্বিগুণের বেশি বাড়িয়ে ৪ হাজার ২৬৪ কোটি টাকা করা হয়েছে।

এদিকে, প্রকল্প পরিচালক সানাউল হকের মতে, দরপত্র, জরিপ ও নকশা চূড়ান্ত করতে দেরি হওয়ায় প্রকল্প বাস্তবায়নে দেরি হচ্ছে। তিনি জানান, বিআরটি ব্যবস্থা দেশে এই প্রথম বাস্তবায়িত হচ্ছে। পরামর্শক নিয়োগ ও নকশা চূড়ান্ত করতেই চার বছর সময় লেগে গেছে। তিনি বলেন, “আমরা এই প্রকল্পটি বাস্তাবায়ন করছি মহাসড়ক ও আশপাশের সড়কগুলোতে যানবাহন চলাচলে কোনো বিঘ্ন না ঘটিয়েই। এছাড়াও, মহাসড়কটি বছরে ছয়মাস বর্ষার পানিতে ডুবে থাকে। শুধু তাই নয় যথাযথ পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় রাস্তার পাশের কারখানাগুলোর ময়লা রাস্তায় ফেলা হচ্ছে।”

প্রকল্পের খরচ বৃদ্ধির বিষয়টি ব্যাখ্যা করে সানাউল হক বলেন, প্রাথমিক নকশায় যা ছিলো পরে চূড়ান্ত নকশায় তা বাড়ানো হয়। যেমন, প্রাথমিক নকশায় ৫০টি আর্টিকুলেটেড বাস চলাচলের ব্যবস্থা থাকলেও চূড়ান্ত নকশায় তা বাড়িয়ে ১২০টি বাস করা হয়।

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ রফিকুল ইসলাম সুজন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com