গণফোরাম কি রাজনৈতিক এতিমখানা?

প্রকাশের সময় : 2018-12-19 10:30:03 | প্রকাশক : Admin

প্রভাষ আমিনঃ ১. হঠাৎ করেই গণফোরাম খুব গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দল হয়ে উঠেছে। প্রতিদিনই কেউ না কেউ যোগ দিচ্ছেন ডঃ কামাল হোসেনের এই দলে। ৯০ দশকের শুরুতে আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে গণফোরাম গঠন করেন ডঃ কামাল। ভালো ভালো কথা বললেও রাজনীতিতে তেমন প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। গঠনের প্রায় সিকি শতাব্দী পর সরকারের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনে নেতৃত্ব দিয়ে হঠাৎই আলোচনার কেন্দ্রে ডঃ কামাল ও তার দল গণফোরাম।

ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সুলতান মনসুর আগেই জুটেছেন ডঃ কামালের সাথে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনের পর যোগ দিয়েছেন সাবেক অর্থমন্ত্রী এসএএমএস কিবরিয়ার ছেলে রেজা কিবরিয়া। যোগ দিয়েছেন সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা আমছা আমিন। পরে যোগ দিলেন সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাইয়িদ। বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে না মনোনয়ন বঞ্চিত হয়েই তারা আওয়ামী লীগ ছাড়ছেন।

চক্ষুলজ্জার কারণে আওয়ামী লীগ থেকে সরাসরি বিএনপিতে যোগ দিতে পারছেন না। তাই ট্রানজিট হিসেবে গণফোরামকে বেছে নিচ্ছেন তারা। তবে গোলাম মাওলা রনির অত লজ্জা নেই। তিনি সাহসী, তাই সরাসরি বিএনপিতেই যোগ দিয়েছেন। আমার কৌতুহল, গণফোরামে যোগ দিয়েও যদি তারা ঐক্যফ্রন্টের মনোনয়ন না পান, তাহলে কোথায় যাবেন এই রাজনৈতিক এতিমরা?

২. খুনের দায়ে কারাগারে থাকা আমানুর রহমান খান রানার বদলে টাঙ্গাইলে মনোনয়ন পেয়েছেন তার পিতা আতাউর রহমান খান। আর ইয়াবা চোরাচালানে জড়িত সন্দেহে দেশজুড়ে সমালোচিত আবদুর রহমান বদির বদলে কক্সবাজার-৩ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন তার স্ত্রী শাহীন আক্তার চৌধুরী। সমালোচনা এড়াতেই এ দুই আসনে মনোনয়ন বদলানো হয়েছে। কিন্তু তাতে সমালোচনা হচ্ছে। তাতে ওবায়দুুল কাদের কিছুটা অসহিষ্ণু।

তিনি বললেন, ‘বদির স্ত্রীর অপরাধটা কী?’ ঠিক কথা। বদির স্ত্রীর তো কোনো অপরাধ নেই। তার মানে বদি অপরাধ করেছেন। কিন্তু ইয়াবা চোরাচালানের মত অপরাধের শাস্তি তো নিছক মনোনয়ন না দেয়া নয়। অপরাধী বদির বিরুদ্ধে এতদিন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি কেন? ওবায়দুল  কাদের আরো বলেছেন, ৭টি জনমত জরিপেই রানা এবং বদি এগিয়ে ছিলেন। তারপরও বিতর্কের কারণে তাদের মনোনয়ন দেয়া হয়নি। ধরে নিচ্ছি, এটাও ঠিক। বিতর্ক সত্বেও মনোনয়ন পেলে হয়তো তারাই জিততেন। কিন্তু দুটি আসন জেতার জন্য যে ঝুঁকিটা আওয়ামী লীগ নিলো, তাতে সারাদেশে তাদের ভাবমূর্তির কতটা ক্ষতি হলো, সেটা কি খতিয়ে দেখেছেন?

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ রফিকুল ইসলাম সুজন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com