মাছের নাম টেট্রাডন কুটকুটিয়া

প্রকাশের সময় : 2019-02-14 15:42:13 | প্রকাশক : Admin
মাছের নাম টেট্রাডন কুটকুটিয়া

সিমেক ডেস্কঃ সামুদ্রিক মাছ হলেও এদের কিছু কিছু নদীতেও বাস করে। এদের দেহে যে পরিমাণ বিষ থাকে তা থেকে অন্তত ৩০ জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ মারা যেতে পারে। সায়ানাইডের চেয়ে এর বিষক্রিয়া প্রায় ১২০ গুণ বেশি।

আমাদের দেশে পটকা মাছ একটি পরিচিত নাম। এলাকাভেদে এর আরও অনেক নাম আছে। যেমন- পোটকা মাছ, ট্যাপা মাছ, ফোটকা মাছ ইত্যাদি। এদের মধ্যে যারা সাগরে বাস করে তারা পানি ঢুকিয়ে দেহকে বেলুনের মতো ফুলিয়ে রাখতে পারে।

তাই এদের বেলুন মাছও বলা হয়ে থাকে। এই বেলুন মাছের বৈজ্ঞানিক নাম টেট্রাডন কুটকুটিয়া। এদের বেশ কয়েকটি প্রজাতি আছে। ইংরেজিতে বলা হয় পাফার ফিশ। সামুদ্রিক মাছ হলেও এদের কিছু কিছু নদীতেও বাস করে।

এদের তীক্ষ্ণ সুচালো কাঁটাগুলো সজারুর কাঁটার মতো খাড়া হয়ে থাকে। এদের এই অবস্থা দেখে শত্র“রা ভয়ে পালিয়ে যায়। দিনে এরা প্রবালের ফাঁকফোকরে লুকিয়ে থাকে। রাত হলে বের হয় খাবারের সন্ধানে। শামুক, ঝিনুক, কাঁকড়া ইত্যাদি এদের প্রিয় খাবার।

গভীর পানিতে চলতে ফিরতে যদি কোনো বিপদের আলামত বুঝতে পারে, তখনই প্রস্তুতি নেয় শত্র“র মোকাবেলা করার জন্য। এটি তার শরীরের কাঁটাগুলো এমনভাবে খাড়া করে রাখে যেন কেউ তাদের গিলে খেতে না পারে।

বনের প্রাণীদের মধ্যে অনেকেই আছে নিশাচর। যেমন পেঁচা, বাদুড়, শিয়াল, ইঁদুর ইত্যাদি। এরা দিনে বাসায় বিশ্রাম নেয়। রাতে বিচরণে বের হয়। ঠিক তেমনি বেলুন মাছও একটি নিশাচর প্রাণী। এরা খুব বিষাক্ত।

ধারণা করা হয়, পৃথিবীর সব মেরুদণ্ডী প্রাণীর মধ্যে পটকা মাছই সবচেয়ে বিষাক্ত মাছ। একটি পটকা মাছের দেহে যে পরিমাণ বিষ থাকে তা থেকে অন্তত ৩০ জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ মারা যেতে পারে।

জাপানিরা পাফার ফিশকে বলে ফুজু ফিশ। তাদের কাছে এটি অতি মূল্যবান একটি খাবার। একমাত্র প্রশিক্ষিত এবং সনদধারী শেফের রান্না করা পাফার ফিশই তারা খাওয়ার অনুমতি দেয়। এসব শেফ জানেন পাফার ফিশের ঠিক কোথায় বিষ থাকে।

কিভাবে সে বিষ অপসারণ করে বিষমুক্ত মাছকে উপাদেয় খাবার হিসেবে পরিবেশন করা যায়। সামান্য অমনোযোগী হলেই বিপদ। মৃত্যু নিশ্চিত। পটকা মাছের দেহে যে বিষ থাকে তার নাম টেট্রোডোটক্সিন। সায়ানাইডের চেয়ে এর বিষক্রিয়া প্রায় ১২০ গুণ বেশি।

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ রফিকুল ইসলাম সুজন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com