চুল পড়ে যাওয়ার কারণ ও সমাধান

প্রকাশের সময় : 2019-02-28 15:02:52 | প্রকাশক : Admin
চুল পড়ে যাওয়ার কারণ ও সমাধান

সিমেক ডেস্কঃ মাথা ভর্তি সুন্দর ঘন চুলের স্বপ্ন কার নেই? তবে যাদের জন্ম থেকে চুল কম তাদের যত না দুঃখ, যাদের চুল থেকেও ঝরে পড়ে, তাদের কষ্ট আরো বেশি। চুল পড়ে কেন আর এর সমাধানই বা কী?

চুল পড়ে যাওয়ার কিছু কারণঃ চুল পড়ে যাওয়ার বড় কারণগুলো হচ্ছে, বংশগত কারণে মাথায় টাক পড়া, হঠাৎ করে চুল পড়ে যাওয়া, মেয়েদের সন্তান হবার পরবর্তী সময় হরমোনের কারণে চুল পড়ে যাওয়া। বংশগত কারণে টাক পড়লে তেমন কিছু করার থাকে না। তবে বাকি দুটো কারণে চুল পড়লে সময়মতো চিকিৎসা করালে চুল রক্ষা করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন ত্বক বিশেষজ্ঞ ডাঃ উটে লিংকা।

চুল লাগানো অনেক ছেলেদের ২০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যেই চুল পড়তে শুরু করে, তারপর এক সময় একেবারেই টাক পড়ে যায়। সাধারণত জেনেটিক বা বংশগত কারণেই অসময়ে চুল পাকে বা টাক পড়ে যায়। বংশগত কারণে যে কোনো কিছু হলে সে ক্ষেত্রে মেনে নেওয়া ছাড়া খুব বেশি কিছু করার থাকে না।

মেয়েদের চুলঃ মেয়েদের সরাসরি টাক না পড়লেও চুল পড়ার সমস্যা হয়, তবে তা অনেকটা দেরিতে। মেয়েদের সাধারণত ৫০ বছরের পরে চুল পড়তে শুরু করে। তবে শরীরের হরমোনের তারতম্য হলে চুল বেশি পড়ে। মাসিক ঋতুস্রাব, প্রসব এবং মেনোপজের কারণে বেশিরভাগ মেয়েদেরই চুল পড়তে পারে। তবে গর্ভবতী মেয়েদের অনেকের চুল পড়ে আবার কারো বা চুল আরো ঘন হয়ে থাকে। বিশেষজ্ঞের মতে, ‘এ নিয়ে চিন্তার কোন কারণ নেই।

থাইরয়েড সমস্যাঃ শরীরে থাইরয়েডের মাত্রার তারতম্য হলে শুধু চুল পড়া নয় নখ এবং ত্বকেও পরিবর্তন দেখা দেয়। তাছাড়া এই সমস্যায় অনেকে ক্লান্ত বোধও করেন। তাই নিজের মধ্যে এসব পরিবর্তন দেখলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। আয়রন ও ক্যালসিয়ামের অভাবঃ শরীরে আয়রন   এবং ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা দিলেও চুল পড়তে পারে। সাধারণত মেয়েদের ক্ষেত্রে এটা বেশি হয়ে থাকে। তবে এসবই যে আসল কারণ তা নাও হতে পারে, ত্বকের ডাক্তারের কাছে সবকিছু পরীক্ষা করিয়ে খুঁজে বের করতে পারলেই কেবল সঠিক চিকিৎসা সম্ভব বলে জানান ডাক্তার উটে লিংকা।

খাদ্যে পুষ্টিগুণের অভাবঃ খাদ্যে পুষ্টির অভাব এবং কড়া ডায়েটিং-এর ফলেও চুল পড়তে পারে। তাই ভিটামিনযুক্ত খাবার এবং প্রচুর মাছ খাওয়া দরকার। বিশেষ করে সামুদ্রিক মাছ সুন্দর চুল ও ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। তাছাড়া দুধ, ডিম, শাক-সবজি অবশ্যই খাবারের তালিকায় রাখতে হবে। আর যথেষ্ট পরিমাণে পানি পান করতে ভুলবেন না যেন !

ঔষধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াঃ ঔষধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া থেকেও চুল পড়তে পারে, তবে তা বেশিদিন থাকেনা। ঔষধ বন্ধ করে দিলেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নতুন চুল গজায়। ক্যানসার রোগীদের কেমোথেরাপি দেওয়ার পর পুরো মাথার চুল পড়ে গেলেও সেই জায়গায়ই কিছুদিন পরে আবার নতুন চুল ওঠে।

সংক্রামক রোগ, স্ট্রেস, সঠিক যত্নঃ বিভিন্ন সংক্রামক রোগের কারণেও চুল পড়তে পারে। আজকের যান্ত্রিক জীবনে স্ট্রেস থেকে মুক্ত মানুষের সংখ্যা নগন্য। নারী-পুরুষ অনেকেই চুলে নানা ধরনের রং, শ্যাম্পু, ড্রায়ার, স্ট্রেটনার কত কী ব্যবহার করেন। অতিরিক্ত রাসায়নিক পদার্থ, অতিরিক্ত গরম তাপ, গরম পানি চুলকে খুব সহজেই নষ্ট করে ফেলে।

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ রফিকুল ইসলাম সুজন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com