রাজশাহীতে হচ্ছে ‘বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার’

প্রকাশের সময় : 2019-03-13 12:18:09 | প্রকাশক : Admin
রাজশাহীতে হচ্ছে ‘বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার’

সিমেক ডেস্কঃ পদ্মাপাড়ের শহর রাজশাহীতে গড়ে উঠছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার। শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানার ২.৩০ একর জায়গাজুড়ে নির্মাণ হচ্ছে নভোথিয়েটার ভবন। আগামী দেড় বছরের মধ্যেই এর নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে জানা যায়।

নভোথিয়েটারের ৪ তলা ভিত বিশিষ্ট অফিস ব্লকের নির্মাণকাজ চলছে। ৭ হাজার ৮শ বর্গফুট আয়তনের এই অংশের মাত্র ভিত পড়েছে । মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে সারি সারি পিলার। চলছে মাটি ভরাট। এই অংশের ভরাটকাজ শেষ হলেই ৩৯ হাজার ৮০০ বর্গফুট আয়তনের প্লানেটোরিয়াম ব্লকের নির্মাণকাজ শুরু করবে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিডেট। জানা যায়, নভোথিয়েটারে আধুনিক প্রযুক্তির ডিজিটাল প্রজেক্টর সিস্টেমযুক্ত প্ল্যানেটরিয়াম, সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ডিজিটাল এক্সিবিটস, ফাইভ-ডি সিমিউলেটর থিয়েটার, টেলিস্কোপ, কম্পিউটারাইজড টিকেটিং অ্যান্ড ডেকোরেটিং সিস্টেমসহ থাকবে নানা সুবিধা। ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ হলেই নিভোথিয়েটারে দ্রুত অন্যান্য যন্ত্রাংশ সংযোজন করা হবে ।

২০১২ সালের ৯ জানুয়ারী রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) তৎকালীন মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন রাজশাহীতে নভোথিয়েটার স্থাপনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয় বরাবর চিঠি পাঠান। এরপর থেকেই মূলত নভোথিয়েটারের স্বপ্নযাত্রা শুরু হয়।

২২২ কোটি ৩ লাখ টাকা ব্যয় ধরে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার, রাজশাহী স্থাপন’ প্রকল্পটি হাতে নিয়েছিল সিটি করপোরেশন। এটি বাস্তবায়নের মেয়াদকাল ধরা হয়েছিলো ২০১৫-২০১৮। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এই প্রকল্পটি বর্তমানে বাস্তবায়ন করছে গণপূর্ত অধিদফতর।

এই প্রকল্পটির বাস্তবায়ন হলে সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের মাঝে মহাকাশ সম্পর্কিত জ্ঞান বৃদ্ধি পাবে। পাশপাশি মানুষের মধ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সংশ্লি−ষ্ট কুসংস্কার দূর হবে। এজন্য প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনাও আছে। বিজ্ঞানমনস্ক আধুনিক নগরী তৈরিতে বিজ্ঞানের সুযোগ-সুবিধা রাজধানীর বাইরে ছড়িয়ে দেয়াই এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য।

প্রকল্পের তদারকি কর্মকর্তা রাজশাহী গণপূর্ত অধিদফতরের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী অমিত কুমার দেব বলেন, গত বছরের ২২ অক্টোবর শুরু হয়েছে অবকাঠামো নির্মাণ কাজ। নির্ধারিত স্থানটিতে বড় বড় গাছসহ চিড়িয়াখানার বেশ কিছু প্রাণির খাঁচা ছিল। এগুলো সরিয়ে জমি বুঝিয়ে দিতে বিলম্ব হয়েছে। ফলে প্রকল্পের কাজও শুরু হয়েছে বিলম্বে।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা জানিয়েছেন, জমি বুঝে পাওয়ার ৩দিন পরই তারা নির্মাণকাজে হাত দিয়েছেন। কাজ এগিয়ে চলছে দ্রুত গতিতে। বেঁধে দেয়া ১৮ মাসের মধ্যেই অবকাঠামো নির্মাণকাজ শেষ করার আশাবাদ তাদের।

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com