কাঁচপুর দ্বিতীয় সেতুর উদ্বোধন

প্রকাশের সময় : 2019-04-11 17:34:03 | প্রকাশক : Administration
কাঁচপুর দ্বিতীয় সেতুর উদ্বোধন

মোরসালিন মিজানঃ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে শীতলক্ষ্যা নদীর উপর নির্মিত দ্বিতীয় কাঁচপুর সেতু উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৩৯৭ দশমিক ৩ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১৮দশমিক ১ মিটার প্রস্থ চার লেনের এ সেতু নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৯৫০ কোটি টাকা। জাপানী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দ্বিতীয় কাঁচপুর সেতুসহ দ্বিতীয় মেঘনা এবং দ্বিতীয় মেঘনা-গুমতি সেতুর কাজ শুরু করে ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসে। ২০১৯ সালের জুনে দ্বিতীয় কাঁচপুর সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও চার মাস আগেই এটির কাজ শেষ করা হয়। এ সেতুটি উদ্বোধনের ফলে সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল, সানারপাড়, মৌচাক, সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর ও মদনপুর এলাকায় যানজট কমে আসবে বলে পরিবহন শ্রমিকদের অভিমত।

জানা গেছে,  বাংলাদেশের দুটি প্রধান নগর রাজধানী ও বন্দর নগরী চট্টগ্রামের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করেছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। শীতলক্ষ্যা, মেঘনা ও গোমতী নদী এ মহাসড়কটি অতিক্রম করেছে। ফলে ১৯৭৭, ১৯৯১ ও ১৯৯৫ সালে শীতলক্ষ্যা, মেঘনা ও গোমতী নদীর ওপর দিয়ে নির্মাণ কারা হয় ৪ লেন বিশিষ্ট কাঁচপুর সেতু এবং ২ লেন বিশিষ্ট মেঘনা ও গোমতী সেতু।

বর্তমানে উক্ত ৪ লেন বিশিষ্ট কাঁচপুর সেতু ও ২ লেন বিশিষ্ট মেঘনা ও গোমতী সেতু বর্ধিত ট্রাফিক বহনে অসমর্থ হয়ে পড়েছে। এছাড়াও বিদ্যমান সেতু সমূহের কাঠামোগত অবক্ষয় হয়। এসব কারণে সরকার সেতু তিনটির গুরুত্ব বিবেচনা করে ও পরিবহন সেবা নিশ্চিত করতে জরুরী ভিত্তিতে সেতু সংলগ্ন স্থানে আরও তিনটি নতুন ৪ লেন বিশিষ্ট সেতু নির্মাণ ও বর্তমান সেতুসমূহের পুনর্বাসনের সিদ্ধান্ত নেয় এবং তারই ধারাবাহিকতায় সরকার জাইকার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় বর্তমান সেতু সংলগ্ন স্থানে আরও ৩টি সেতু নির্মাণের পদক্ষেপ নেয়। ফলে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় জাপানী উন্নয়ন সংস্থা জাইকা ও বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসে কাঁচপুর দ্বিতীয় সেতু, মেঘনা দ্বিতীয় সেতু ও গোমতী দ্বিতীয় সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করে।

১০০ বছরের স্থায়িত্ব নির্ধারণ করে নির্মাণ করা সেতুটির ঠিকাদার যৌথভাবে জাপানী চারটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান-ওবায়শি, শিমিজু, জেএফআই ও আইএইচআই। আর সেতুর উপ-ঠিকাদার হিসেবে নিয়োজিত রয়েছে বাংলাদেশের মীর আকতার হোসেন। সেতু নির্মাণে ব্যয় হয় ৯৫০ কোটি টাকা। মোট ব্যয়ের ৭৫ ভাগের জোগান দেয় জাইকা। আর ২৫ ভাগ অর্থ ব্যয় হয় বাংলাদেশ সরকারের। নতুন এ সেতুর দৈর্ঘ্য ৩৯৭ দশমিক ৩০ মিটার। প্রস্থ ১৮ দশমিক ১ মিটার।

তিনি আরও বলেন, সেতুটির উদ্বোধনের পর যানজট অনেকাংশে কমে আসবে। আর নতুন সেতুটি চালু হওয়ার পরই পুরনো সেতুটির মেরামত কাজ শুরু হবে। চলতি বছরের ডিসেম্বর নাগাদ পুরাতন সেতুটির মেরামত কাজ শেষ করা যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। তিনি আরও জানান, মে অথবা জুনের মধ্যে মেঘনা ও গোমতী দ্বিতীয় সেতুর উদ্বোধন করা যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। মেঘনা দ্বিতীয় সেতুর ৮৫ ভাগ ও গোমতী দ্বিতীয় সেতুর কাজ ৮২ ভাগ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ রফিকুল ইসলাম সুজন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com