পৃথিবীর আজব কারাগার

প্রকাশের সময় : 2019-04-25 16:56:12 | প্রকাশক : Admin

সিমেক ডেস্কঃ কারাগার মানে আমরা বুঝি যেখানে অপরাধীদের শাস্তিমূলকভাবে বন্দি করে রাখা হয়, কাজ করানো হয়। কিন্তু বিভিন্ন দেশে এমন সব কারাগারও রয়েছে যেখানে বাইরের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার মতোই চলছে সবকিছু। যেমন বন্দীদের পাহাড়া দেওয়ার জন্য কোনো প্রহরী নেই, রয়েছে মার্কেটসহ বিভিন্ন ধরনের সুবিধা, একটি কারাগারে মাত্র দুই জন অপরাধী থাকার সুবিধাসহ অদ্ভুদ সব বিষয়।

অ্যারানহুয়েজঃ এই কারাগারটি স্পেনে অবস্থিত। এখানে একজন অপরাধী তার পুরো পরিবারের সাথে সাজাকালীন পুরো সময়টা থাকতে পারবেন। এখানে শিশুদের জন্য দেয়ালে শোভা পাচ্ছে ডিজনি কার্টুনের বিভিন্ন চরিত্র। আছে খেলার মাঠ ও নার্সারি। শিশুদের আটক বাবা-মার সঙ্গে থেকে বেড়ে ওঠার সুযোগ করে দেয়ার জন্যই এ ব্যবস্থা। মাদ্রিদ থেকে ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ দিকে অবস্থিত এই কারাগারে একসাথে ৩৬টি পরিবারের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে।

সেরেসো সেটুমালঃ এই কারাগারটি মেক্সিকোতে অবস্থিত। আমাদের দেশে সাধারণত আসামীদের মধ্যে প্রতিদিনই বিভিন্ন বিষয়ে মারামারি লেগেই থাকে। অথচ মেক্সিকোর এই কারাগারটিতে গত ১০ বছরে আসামীদের মধ্যে কোনো ধরনের মারামারির ঘটনা ঘটেনি। তবে যে বিষয়টি সবচাইতে বেশি অবাক করে সেটি হলো এই কারাগার থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত আসামীরা কারাগার ছেড়ে যেতে চায় না। এখানকার সহজ-সরল জীবন, মজার মজার সব খাবার-দাবার, বিনোদনমূলক কর্মকান্ডই এর মূলে রয়েছে।

স্যান পেদ্রোঃ এটি বলিভিয়ার একটি কারাগার। এই কারাগারের ভিতরে গেলে যে কারও চোখ কপালে উঠতে বাধ্য।

প্রধান ফটক পেরিয়ে ভেতরে গেলেই চোখে পড়বে ভেতর ছেলেমেয়েরা খেলাধুলা করছে, মার্কেটে  বেচা-বিক্রিতে ব্যস্ত সব দোকান, রেস্তোরাঁ, হোটেল সবই আছে এখানে। আজব এই জেলখানায় নেই কোনো প্রহরী, নির্দিষ্ট কোনো পোশাক, এমনকি জানালায় লোহার গরাদও নেই এই জেলখানায়। এখানকার সেলগুলোতে আছে ব্যক্তিগত গোসলখানা, রান্নাঘর, এমনকি টিভিতে বিভিন্ন দেশি-বিদেশি চ্যানেল দেখার সুযোগ। তবে এজন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদান করতে হয়। এজন্য তাদের সবাইকে জেলখানার ভেতরে বিভিন্ন দোকানে কাজ করে আয় করতে হয়।

হালদেনঃ এটি নরওয়ের বিলাসবহুল একটি কারাগার। এই কারাগারের প্রত্যেকের জন্য রয়েছে আলাদা স্পেশাল স্যুট। প্রতিটি স্যুটে আছে বাথরুম আর গরাদবিহীন জানালা। আছে নিজস্ব রেকর্ডিং স্টুডিও, দেয়ালজুড়ে অতিকায় ফ্ল্যাট স্ক্রিন টিভি ও বিনোদনের সর্বোচ্চ সুবিধা। কয়েদখানার দেয়ালে রয়েছে ১০ লাখ পাউন্ড মূল্যমানের চিত্রকর্ম। এখানে সর্বমোট ২৫২ টি স্যুট রয়েছে। 

ক্রেস্টিঃ রাশিয়ার এই কারাগারটিতে এক একজন কয়েদির জন্য চার বর্গমিটার জায়গা বরাদ্দ রয়েছে। কয়েদিরা সপ্তাহে মাত্র ১৫ মিনিট সময় পায় গোসল করার জন্য। তিন হাজার ধারণক্ষমতা সম্পন্ন এই কারাগারে একসাথে প্রায় দশ হাজার কয়েদি রয়েছে। 

সার্ক প্রিজনঃ গার্নজি দ্বীপের একটি কলোনি সার্ক-এ আছে পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট কয়েদখানা। ১৮৫৬ সালে তৈরি এই কারাগারে একসঙ্গে থাকতে পারে মাত্র দুজন।

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ রফিকুল ইসলাম সুজন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com