খুলনা থেকে সেন্টমার্টিন জাহাজ চলাচল শুরু

প্রকাশের সময় : 2019-04-25 17:03:51 | প্রকাশক : Admin
খুলনা থেকে সেন্টমার্টিন জাহাজ চলাচল শুরু

সিমেক ডেস্কঃ খুলনা থেকে জাহাজে করে সেন্টমার্টিন যাওয়া যাবে। এ সময় সুন্দরবনের সৌন্দর্যের পাশাপাশি ভোলা-হাতিয়া-নিঝুমদ্বীপ-কুতুবদিয়া-পতেঙ্গা-মহেশখালী-কক্সবাজার-ইনানী ও টেকনাফের দৃশ্যও উপভোগ করা যাবে। পর্যাপ্ত পর্যটক পাওয়া গেলে খুলনা-সেন্টমার্টিন রুটকে কলকাতা হয়ে চেন্নাই পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হবে। প্রস্তাবিত এ রুটে সরকার কোনো জাহাজ না নামালেও বেসরকারি জাহাজ চলাচলের জন্য অবকাঠামো তৈরি করে দেবে।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে খুলনা-সেন্টমার্টিন রুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচলের সিদ্ধান্ত হয়। কোনো ব্যবসায়ী সংগঠন জাহাজ চলাচলের আবেদন করলে তা অনুমোদন দেওয়া হবে। তবে তার আগে উপকূল অঞ্চলের তীর ঘেঁষে চলাচলের জন্য জাহাজের ড্রাফট তৈরি করবে নৌপরিবহন অধিদপ্তর। এ ছাড়া অভ্যন্তরীণ ট্যুরিজমের পাশাপাশি খুলনা-কলকাতা চেন্নাই রুটে ক্রুজশিপ চালানোরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বৈঠকে। একই সঙ্গে বিদেশি পর্যটকদের আগমন ও বহির্গমন সংক্রান্ত ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস চেকিং অন বোর্ড করার সিদ্ধান্ত হয়।

বিদ্যমান বাংলাদেশ-ভারত নৌ-প্রটোকল চুক্তির আওতায় খুলনা থেকে কলকাতা হয়ে চেন্নাই রুটে পর্যটন জাহাজ চলাচল করতে পারবে। এই চুক্তির আওতায় ঢাকা-কলকাতা রুটে জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। বিআইডব্লিউটিসির এম ভি মধুমতী নারায়ণগঞ্জের পাগলা মেরি এন্ডারসন থেকে বরিশাল-মংলা-সুন্দরবন-আন্টিহারা-হলদিয়া হয়ে কলকাতার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মহিবুল হক বলেন, ‘সুন্দরবন থেকে জাহাজের মাধ্যমে সেন্টমার্টিন যাওয়ার প্রস্তাবটি মূলত বেসরকারি ট্যুর অপারেটরদের। তারাই অনেক দিন ধরে এ রুটের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি করে দেওয়ার কথা বলে আসছে। এ বিষয়ে সরকারিভাবে কী সহায়তা দেওয়া যায়, তাই নিয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।’

ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব)-এর সহ-সভাপতি রাফিউজ্জামান জানান, ‘খুলনায় অনেক বিদেশি পর্যটক যাতায়াত করেন। সুন্দরবন হয়ে কক্সবাজার-টেকনাফ- সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল করলে অনেক বিদেশি পর্যটক পাওয়া যাবে। এতে পর্যটনশিল্পের অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটবে। এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ীরাও এতে উৎসাহিত হবেন।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী কোনো পর্যটক সেন্টমার্টিনে রাত যাপন করতে পারবে না। এই অবস্থায় খুলনা থেকে যাত্রা করে জাহাজটি রাতে কক্সবাজারে অবস্থান করতে পারে। পরদিন সকালে জাহাজটি সেন্টমার্টিনে পৌঁছাতে পারে।’

পর্যটকবাহী এ রুট চালু করার জন্য টেকনাফ, কক্সবাজার ও সেন্টমার্টিনে ঘাট ও জেটি নির্মাণ করতে হবে। প্রস্তাবিত এ নৌরুটে বয়া ও রোড মার্কিং করতে হবে। পর্যটকদের জন্য ওয়েটিংরুম, ওয়াশরুম, বাথরুমের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। এসব সমস্যার সমাধান করলে পর্যটকদের আকৃষ্ট করা যাবে। সমুদ্রে চলাচলকারী জাহাজ ও তীর ঘেঁষে চলাচলকারী জাহাজের মধ্যে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। খুলনার মানুষ ভ্রমণপিপাসু। এ রুট চালু করা গেলে শুধু খুলনার মানুষ নয়, দেশ-বিদেশের পর্যটকরাও আকৃষ্ট হবে। সরকারিভাবে উৎসাহিত করা হলে এখানে পর্যটনশিল্পের বিপ্লব ঘটবে।                - সূত্রঃ দেশ রূপান্তর

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ রফিকুল ইসলাম সুজন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com