দেশে আরও ৫ ব্র্যান্ডের মোবাইল কারখানা

প্রকাশের সময় : 2019-05-09 19:21:30 | প্রকাশক : Administration
দেশে আরও ৫ ব্র্যান্ডের মোবাইল কারখানা

নতুন করে আরও ৫ কোম্পানি দেশে মোবাইল কারখানা করেছে। এ নিয়ে মাত্র দেড় বছরে দেশে সংযোজন কারখানার সংখ্যা দাঁড়ালো ১০। নতুন কারখানাগুলো মধ্যে রয়েছে লাভা, ওকে মোবাইল, উইনস্টার, উই ও ফরমি। এর মধ্যে শিগগিরই উদ্বোধন হতে যাচ্ছে উইনস্টার, লাভা, ওকে মোবাইল ও উই। এর আগে ২০১৮ সালের মধ্যেই দেশে কারখানা স্থাপন করে সেখানে  সংযোজিত হ্যান্ডসেট বাজারে এনেছে ওয়ালটন, সিম্ফনি, স্যামসাং, আইটেল-ট্র্যানসান ও ফাইভস্টার।

লাভা মোবাইলের কারখানা স্থাপনকারী কোম্পানি গ্রামীণ ডিস্ট্রিবিউশনের চিফ মার্কেটিং অফিসার মোহাম্মদ সিরাজুল হক জানান, চলতি বছরের এপ্রিলের প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহে দেশে সংযোজিত হ্যান্ডসেট বাজারে আনতে পারবেন তারা। এখন পরীক্ষামূলক উৎপাদন চলছে। গাজীপুরের উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপরীত পাশের এলাকায় স্থাপিত লাভার কারখানা। ২৭ হাজার স্কয়ার ফিটের এই কারখানার লোকবল প্রায় আড়াই’শ। ২০১৯ সালের ফেব্র“য়ারিতে লাইসেন্স পেয়েছে কোম্পানিটি। 

কারখানাটির অপারেশন কার্যক্রম দেখভালে রয়েছেন গ্রামীণ ডিস্ট্রিবিউশনের জেনারেল ম্যানেজার মোঃ জহুরুল হক বিপ্লব। এই কর্মকর্তার বরাতে সিরাজুল হক জানান, শুধু স্মার্টফোন তৈরি করলে প্রতি মাসে ৭৫ হাজার ইউনিট উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে তাদের কারখানার। এটি যদি শুধু ফিচার ফোন হয় তাহলে হবে দেড় লাখ। দেশে কারখানা করার কারণে তাদের ফোনের ১০ শতাংশ দাম  কমবে।

ওকে মোবাইলের ফ্যাক্টরি টেসিসে। পাঁচ বছর আগে সরকারের কোম্পানির সঙ্গে তাদের চুক্তি হয়েছিল। মাসিক ভাড়া এবং হ্যান্ডসেট বিক্রির মোট অর্থের ওপর তিন শতাংশ রেভিনিউ শেয়ারিং হিসেবে। ওকে মোবাইলের শীর্ষ পর্যায়ের এক কর্মকর্তা জানান, তারা ডিমান্ড নোট পেয়েছে। ৫৭ লাখ টাকা জমা দিয়ে তিন বছরের জন্যে লাইসেন্স পাবে। তিন বছর পর আরও ৫৭ লাখ দিয়ে রিনিউ করতে হবে।

আসছে দু’মাসের মধ্যে তারা বাজারে পণ্য আনার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে ওই কর্মকর্তা বলেন, গত তিন মাস ধরে তারা টেস্ট অ্যান্ড রান পদ্ধতিতে কারখানা চালু করেছেন। ‘এখন কারখানায় ৮৪ জন কাজ করছে। কিন্তু ২৪০ জন না হলে ভ্যাটের ছাড় পাওয়া যায় না। সে কারণে আরও দেড়শ লোক নেওয়ার পরই বাজারে পণ্য ছাড় করবে তারা’ বলছিলেন ওই কর্মকর্তা।

উইনস্টার মোবাইলের কারখানা সোনারগাঁও রোডে। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে কারখানার জন্য লোকবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেয় তারা। সম্প্রতি লাইসেন্স পেয়েছে উইনস্টারের মূল কোম্পানি আনিরা ইন্টারন্যাশনাল। চলতি বছরের মার্চের ২২ তারিখ তাদের কোম্পানি উদ্বোধন করা হয়েছে। 

উইয়ের কারখানা হয়েছে রাজধানীর মিরপুরে। এছাড়া কালিয়াকৈরে বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটিতে আরও একটি কারখানা করতে যাচ্ছে তারা। সেখানে ইতোমধ্যে সাড়ে তিন একর জায়গা বরাদ্দ পেয়েছে “আমরা হোল্ডিংস।” শুরুতে তিনটি প্রডাকশন লাইনে মাসে দেড় লাখ ইউনিট হ্যান্ডসেট উৎপাদন হবে। কয়েকমাস পরে যুক্ত হবে আরও তিনটি ইউনিট। চলতি বছরের মাঝামাঝি তাদের উৎপাদনে যাওয়ার কথা রয়েছে। দেশে মোবাইল ফোন কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ ২০১৮ আগস্ট হতে নিয়েছিলো উইয়ের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান আমরা কোম্পানিজ।   

ফরমি মোবাইলও লাইসেন্সের অপেক্ষায় রয়েছে। লাইসেন্স পেলেই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা মোবাইল কারখানার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন তারা। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দেশে মোবাইল ফোন উৎপাদনে এবং মোবাইল যন্ত্রাংশ আমদানিতে ব্যাপক শুল্ক ছাড়ে দেশে এভাবে কারখানার করার হিড়িক পড়ে যায়। আর এই উদ্যোগে কোম্পানিগুলো হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে এবং কয়েক হাজার লোকের কর্মসংস্থান করেছে। আল-আমীন দেওয়ান, টেকশহরডটকম

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ রফিকুল ইসলাম সুজন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com