বিয়ে না করার শাস্তি

প্রকাশের সময় : 2019-05-23 19:31:49 | প্রকাশক : Administration
বিয়ে না করার শাস্তি

সিমেক ডেস্কঃ বয়স ২৫ পেরিয়ে গেছে অথচ এখনো অবিবাহিত। এমন ব্যক্তির জন্য ডেনমার্কে অদ্ভুত একটি প্রথা চালু রয়েছে। কারো বয়স ২৫ হওয়ার পরও সিঙ্গেল বা একা থাকলে তাদের জন্মদিনে সারা গায়ে দারুচিনির গুঁড়ো ছড়িয়ে দেওয়া হয়। অনেকে পানিও ছিটিয়ে দেন, যাতে দারুচিনির গুঁড়ো গায়ে লেপ্টে থাকে। এটা করতে কারো অনুমতির প্রয়োজন নেই। কেন? যেন মনে করিয়ে দেওয়া, এবার বিয়ের বয়স হয়েছে। ফলে কারো সঙ্গে ঘর বাঁধ। ঘটনাটা কী? কথিত আছে, এমন প্রথার শুরুটা হয়েছিল বহু শতক আগে। মশলা বিক্রির জন্য যেসব সেলসম্যান ঘুরে বেড়াতেন চারপাশে তাদের পক্ষে ঘর-সংসার পাতা প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠত। কোনো এক জায়গায় স্থির হতে পারতেন না। এমন অবিবাহিত সেলসম্যানদের ‘পেপার ডুডস’ বলা হতো। অবিবাহিতাদের ‘পেপার মেইডেন’ নামে ডাকা হতো। ‘পেপার ডুডস’ বা ‘পেপার  মেইডেন’দের পথে যাতে ডেনমার্কের তরুণ প্রজন্ম না হাঁটেন, সেজন্যই এই প্রথার উৎস। যেসব সিঙ্গেলের বয়স ২৫ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে অথচ সংসারহীন তাদের গায়ে দারুচিনির গুঁড়ো ছিটানো হয়। তবে তিরিশের কোটা পেরোলে তাদের জীবন আরো দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। তখন মরিচের গুঁড়ো ছিটানো হয় তাদের শরীরে। শুধু কি মরিচের গুঁড়ো, তার সঙ্গে ডিমও ছোড়া হয়; যাতে ডিমের সঙ্গে মাখামাখি হয়ে সারা দেহে মরিচের গুঁড়ো আটকে থাকে। এমনটা করার মধ্য দিয়েই তাদের ২৫ বছর বয়সের আগেই যেন ঘর বাঁধার বিষয়ে পরোক্ষভাবে উৎসাহিত করা হয়। তবে আবার এটাও ভাবা যাবে না যে, ডেনমার্কের সবাই ২৫ বছর বয়সেই বিয়ে করে বসে। বরং উল্টোটা। সে দেশে পুরুষদের বিয়ের বয়স গড়ে সাড়ে ৩৪। অন্যদিকে নারীরা গড়ে ৩২ বছর বয়সে বিয়ে করে। - সূত্রঃ অনলাইন

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ রফিকুল ইসলাম সুজন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com