দ্বিতীয় মেঘনা ও গোমতী সেতু উদ্বোধন

প্রকাশের সময় : 2019-06-13 18:03:45 | প্রকাশক : Administration
দ্বিতীয় মেঘনা ও গোমতী সেতু উদ্বোধন

সিমেক ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি, আরও এগিয়ে নেব। দেশের উন্নয়ন কাজ অব্যাহত থাকবে। দেশবাসী আমাদের ওপর আস্থা-বিশ্বাস রেখে ভোট দিয়েছে। যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম সারাদেশে উন্নয়নের মাধ্যমে তা রক্ষা করছি। সড়ক, নৌ, রেল ও বিমান মিলে সব দিক থেকে সারাদেশে যোগাযোগ নেটওয়ার্ক সহজ করাই আমাদের লক্ষ্য। যাতে প্রতিটি অঞ্চলের মানুষ কম সময়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে পারেন।

দেশবাসীর ঈদ উপহার হিসেবে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত দ্বিতীয় মেঘনা সেতু এবং দ্বিতীয় গোমতী সেতুর উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখনও ডিজেলচালিত ট্রেন চালিয়ে যাচ্ছে। ঢাকায় মেট্রোরেলের মাধ্যমে দেশের প্রথম বিদ্যুতচালিত ট্রেনের ব্যবহার শুরু হবে। এরপর দূরপাল্লায়ও বিদ্যুতচালিত ট্রেন চালু করা হবে। ঢাকায় যানজটে জনগণ কষ্ট পাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভাল কিছু পেতে হলে একটু কষ্ট স্বীকার করতে হবে। মেট্রোরেলের কারণে যে জনদুর্ভোগ তার জন্য একটু কষ্ট হবেই। কিন্তু এর সুফল পরে পাওয়া যাবে। এখানে ষোলো স্টেশন থাকবে। এর মাধ্যমে প্রায় ৬০ হাজার মানুষ চলাচল করতে পারবে। মেট্রোরেল নির্মাণ কাজ শেষ হলে ঢাকায় যানজট কমে যাবে বলে জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য কাজের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষের উন্নতি করা। এ লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি। জাতির জনকের দেখানো সেই নীতি ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়’, ওই পথেই আমরা হাঁটছি। তিনি বলেন, আজ যে সেতুগুলো উদ্বোধন করা হয়েছে, এগুলো দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নসহ আঞ্চলিক সহযোগিতায় বিরাট অবদান রাখবে। যার কাছ থেকে আমরা উন্নয়ন সহযোগিতা পাচ্ছি তার কাছ থেকে আমরা তা গ্রহণ করছি। এখন যেসব সেতুর উন্নয়ন করছি, আশা করি ভবিষ্যতে আরও উন্নতি করতে পারব। আমরা সুষ্ঠু পরিকল্পনা নিয়েছি।

দুঃখ ঘুচেছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের। গত মার্চে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয় নবনির্মিত দ্বিতীয় কাঁচপুর সেতু। প্রায় তিন বছর আগে মহাসড়কটি চার লেনে উন্নীত করা হলেও, নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লার কাঁচপুর, মেঘনা ও গোমতী সেতু থেকে যায় দুই লেনের। চার লেনের মহাসড়কে গাড়ি দ্রুত গতিতে চললেও আটকা পড়ত দুই লেনের পুরনো সেতুতে। ঢাকা-চট্টগ্রামের যাত্রীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকা পড়তে হতো সেতুতে। নতুন তিনটি সেতু চালু হওয়ায় এ দুঃখ দূর হয়েছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বিশেষ করে ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা আরামদায়ক হয়েছে।

চলতি বছরের ডিসেম্বরে তিন সেতুর কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। বাংলাদেশে প্রায় সকল প্রকল্প নির্ধারিত সময়ে বাস্তাবায়িত না হলেও, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের তিন সেতুর কাজ শেষ হচ্ছে নির্ধারিত সময়ের আগেই। গত মাসেই তিন সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ করা সম্ভব হয়েছে। আগামী কয়েক মাসে পুরনো তিন সেতুর সংস্কারও শেষ হবে।

জানা গেছে, কাঁচপুর সেতুর দৈর্ঘ্য ৩৯৭ মিটার। মেঘনার সেতুর দৈর্ঘ্য ৯৩০ মিটার। গোমতী সেতুর দৈর্ঘ্য এক হাজার ৪১০ মিটার। তিন সেতুর সম্মিলিত দৈর্ঘ্য দুই হাজার ৭৩৭ মিটার। তিন সেতুতে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে দুই দশমিক ৫৮ কিলোমিটার। সেতুগুলো ১৭ দশমিক ৭৫ মিটার প্রশস্থ।

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ রফিকুল ইসলাম সুজন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com