যকৃতের জন্য ভালো ও মন্দ খাবার

প্রকাশের সময় : 2018-05-11 15:20:15 | প্রকাশক : Admin
�যকৃতের জন্য ভালো ও মন্দ খাবার

সিমেক ডেস্কঃ বিশ্বজুড়ে ১৯ এপ্রিল যকৃৎ দিবস পালিত হয়। প্রতি বছর দিনটিকে ঘিরে যকৃৎ ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নানা রোগ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়। মস্তিষ্কের পর শরীরের সবচেয়ে জটিল অঙ্গ মনে করা হয় যকৃৎকে। পরিপাক বা হজম প্রক্রিয়া সাধনে এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। আপনি যা খাবেন বা পান করেন তা-ই যকৃৎ হয়ে অন্ত্রে পৌঁছায়। তাই সঠিক পরিচর্যা নেওয়া না হলে খুব সহজেই যকৃতে সমস্যা হতে পারে এবং নানা রোগের জন্ম দিতে পারে।

যকৃৎ শরীরের কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকে। এটি রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে। অসুস্থতা ও সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে, শরীর থেকে টক্সিক পদার্থ বের করে দেয়, কোলেস্টরল নিয়ন্ত্রণ করে ও পিত্তরস নিঃসৃত করে। তাই যকৃতের সুস্থতা নিশ্চিত করতে ও এর কার্যক্ষমতা ধরে রাখতে কী খাবেন এবং কী খাবেন না তা জানতে হবে।

যকৃতের জন্য ভালো ও মন্দ খাবারগুলো হচ্ছেঃ

ওটমিলঃ আঁশযুক্ত খাবার যকৃতের জন্য সবচেয়ে ভালো। যব (ওটস) হতে পারে আঁশযুক্ত খাবারের মূল উপাদান। সকালে নাশতায় ওটস খেলে তা আপনার দৈনন্দিন চাহিদার বড় অংশ পূরণ করবে। ওটস আপনার ওজন কমাতেও সাহায্য করবে। যকৃতের সব রোগবালাই থেকে আপনাকে রাখবে দূরে।

ব্রুকলিঃ যকৃতের জন্য পুষ্টিগুণে ভরা ব্র“কলিকে সেরা মনে করা হয়। এটি যকৃতের নন-অ্যালকোহলিক চর্বিজনিত অসুখের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এটি সেদ্ধ করে বা সালাদে খাওয়া যায়।

কফিঃ অল্প পরিমাণ কফি পান করলে তা আপনাকে অ্যালকোহল বা অস্বাস্থ্যকর খাবারের কারণে যে ক্ষতি হয় তা থেকে রক্ষা করবে। তবে আপনাকে ক্যাফিন ও রক্তে এর প্রভাব সম্পর্কে সাবধান থাকতে হবে।

গ্রিন টিঃ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের কারণে বেশ জনপ্রিয় গ্রিন টি। যকৃতের ওপর এর ভালো প্রভাব পড়ে। ঠান্ডার চেয়ে গরম গ্রিন টি পান করলে বেশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায়।

পানিঃ বেশি পানি পান করে পেতে পারেন নানা উপকারিতা। পানি শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিক পদার্থ বের করে দেয়। ওজন কমায় ও যকৃতের সুস্থতা বজায় রাখে। দেহের গড়নের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ ওজন যকৃতের সুস্থতা বজায় রাখতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ব্লুবেরিঃব্লুবেরিতে থাকা পলিফেনলস যকৃৎকে নন-অ্যালকোহলিক চর্বিজনিত অসুখের হাত থেকে রক্ষা করবে। নন-অ্যালকোহলিক চর্বিজনিত রোগবালাই মানুষকে স্থূল করে তোলে এবং কোলেস্টেরল বাড়িয়ে দেয়। জলপাই, প্লাম ও ডার্ক চকলেটে পলিফেনলস রয়েছে।

কাঠবাদামঃ বাদাম বিশেষ করে কাঠবাদামে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ই। শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন ই ‘ফ্যাটি লিভার’ সংক্রান্ত রোগবালাই থেকে সুরক্ষা দেবে। কাঠবাদামহৃদযন্ত্র ও চোখের জন্যও ভালো। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখা যায় এই বাদামকে।

সবুজ শাকঃ সবুজ শাক সবজির গুণাগুণ বহু। এর মধ্যে অন্যতম হলো যকৃতের সুস্থতা বজায় রাখা। সবুজ শাকে রয়েছে গ্লুটাথিয়ন নামে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।

ভেষজ ও মসলাঃ ভেষজ ও মসলার মধ্যে বেশ ভালো পরিমাণে পাওয়া যায় পলিফেনলস। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় প্রচুর ভেষজ ও মসলা রাখলে তা আপনার প্রতিদিন খাবারে থাকা লবণ কমিয়ে দেয়। কালো গোল মরিচ, দারুচিনি ও জিরার মতো অনেক মসলা যকৃতের জন্য যেমন ভালো তেমন স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।    - সূত্র: এনডিটিভি

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ রফিকুল ইসলাম সুজন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com