পায়রা বিদ্যুত কেন্দ্র ডিসেম্বরে চালু হবে

প্রকাশের সময় : 2019-07-11 18:07:59 | প্রকাশক : Administration
পায়রা বিদ্যুত কেন্দ্র ডিসেম্বরে চালু হবে

পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুত কেন্দ্রের অভ্যন্তরে বিরাজ করছে কর্মমুখর পরিবেশ। চীনা শ্রমিকরা কাজ করছে। তাদের পদচারণায় বিদ্যুত প্লান্ট অভ্যন্তর মুখরিত হয়ে উঠেছে। কর্মচঞ্চল পরিবেশ বিরাজ করছে। বাঙালী শ্রমিকদের ১৫ দিনের ছুটি দেয়া হয়েছে। তবে তাদের ছয় হাজার শ্রমিককে সকল বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যেই বিসিপিসিএল ফের বাঙালী শ্রমিকদের কাজে নিয়োগ দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করবে।

বাঙালী শ্রমিকরা কাজ না করলেও প্লান্টের আবাসিক এলাকার অবকাঠামো নির্মাণে শতাধিক শ্রমিক কর্মরত রয়েছে। দ্রুত পায়রা বিদ্যুত প্লান্ট এলাকা পুরোদমে সচল হয়ে উঠছে। পায়রা তাপবিদ্যুত কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট এ বছরের ডিসেম্বরে চালু করতে কোন সমস্যা নেই। বর্তমানে ৮০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বাকি কাজও যথাসময় শেষ হবে।

বর্তমানে বিদ্যুত প্লান্ট এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। পুলিশ, বিজিবি ও এপিবিএন রয়েছে অন্তত ৭০০ জন। বিদ্যুত কেন্দ্রটি বাংলাদেশের মানুষের জন্য করা হচ্ছে। মানুষকে কষ্ট দিয়ে নয়। দুপুরে পায়রা তাপবিদ্যুত কেন্দ্রের অভ্যন্তরে দেখা গেছে, শত শত চীনা শ্রমিক কাজে ব্যস্ত রয়েছে। আবাসিক ভবনসহ স্থাপনা নির্মাণের কাজ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এনডিইসহ একাধিক প্রতিষ্ঠানের শতাধিক বাঙালী শ্রমিক।

পটুয়াখালীর কলাপাড়ার ধানখালীতে ‘পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুত কেন্দ্র’ নির্মাণের জন্য ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। বাংলাদেশ চায়না পাওয়ার কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড (বিসিপিসিএল) নওপাজেকো বাংলাদেশ এবং সিমসি চায়নার যৌথ অংশীদারিত্বের কোম্পানি বিদ্যুত প্লান্টটির নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করছে। এজন্য ১০০২ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। যেখানে ক্ষতিগ্রস্ত ১৩৫ পরিবারের জন্য ১৬ একর জমির ওপরে স্বপ্নের ঠিকানা পল্লী গড়ে তোলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিজে এসব পরিবারকে ঘরের চাবি হস্তান্তর করেছেন। কয়লা ভিত্তিক জ্বালানি দিয়ে এ প্রকল্পটি চালু করা হবে। ইন্দোনেশিয়া অস্ট্রেলিয়া থেকে কয়লা আমদানি করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে, এ প্রকল্পের সমস্ত সিভিল কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। ইউনিট ১ এবং ইউনিট-২ এর টারবাইন-জেনারেটর বসানো সম্পন্ন হয়েছে। বয়লার ইউনিট-১ এর হাইড্রোটেস্ট সম্পন্ন এবং ইন্সুলেশনের কাজও প্রায় শেষের দিকে। বয়লার ইউনিট-২ এর ইরেকশনের কাজ চলমান রয়েছে। ইউনিট-১ এর কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। ইউনিট-২ এর ইলেক্ট্রোস্টাটিক প্রেসিপিটেটরের কাজ চিমনির সিভিল কাজ চলমান রয়েছে। জেটির সিভিল কাজ সম্পন্ন, ওয়াটার কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

কোল ডুম, কুলিং টাওয়ার এবং পানি পরিশোধন প্লান্টের কাজ চলমান রয়েছে। কনভেয়ার বেল্টের কাজ চলমান রয়েছে। প্লান্টের বিভিন্ন মর্টারের প্রি-কমিশনের কাজ চলমান রয়েছে। প্রায় নয় হাজার শ্রমিক এ কাজের সঙ্গে জড়িত রয়েছে। যার মধ্যে তিন হাজার চীনা শ্রমিক রয়েছে। বর্তমানে পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্লান্ট এলাকায় নিরিবিলি পরিবেশ বিরাজ করছে। শ্রমিকরা নির্বিঘ্নে কাজে মগ্ন রয়েছেন।  -মেজবাহউদ্দিন মাননু

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ রফিকুল ইসলাম সুজন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com