আশার যত প্রকল্প

প্রকাশের সময় : 2019-07-11 18:08:52 | প্রকাশক : Administration

সিমেক ডেস্কঃ রাজধানীর যানজট নিরসনে স্বপ্নের প্রকল্প মেট্রোরেল। প্রকল্পটি হবে একথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়। এই প্রকল্পের পাশাপাশি চলছে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ। ঢাকা-চট্টগ্রাম চার লেন মহাসড়কের সমান্তরালে ছয় লেনের একটি এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের উদ্যোগও নিয়েছে সড়ক ও জনপথ অধিদফতর। এ জন্য সম্প্রতি প্রকল্পের নক্সা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

রাজধানীবাসীর মেট্রোরেলের স্বপ্ন বাস্তবায়নে চলছে কর্মযজ্ঞ। চলছে পরীক্ষামূলক পাইলিং। ডিপো ও স্টেশন নির্মাণের কাজও। সম্প্রতি উত্তরা, মিরপুর ও আগারগাঁও ঘুরে দেখা গেছে এ চিত্র। সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ভিত্তিক প্রকল্পের মধ্যে এটি একটি। প্রকৌশলী, কর্মী ও শ্রমিকরা তা বাস্তবায়নে অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন। গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্তরাঁয় জঙ্গী হামলায় এ প্রকল্পের ছয় জাপানী প্রকৌশলী নিহত হওয়ার পর যে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছিল, সবার প্রচেষ্টায় তা দূর হয়েছে। এজন্য কাজ পিছিয়েছে প্রায় এক বছর। এখন আবার প্রাণ ফিরেছে মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে উত্তরা থেকে মতিঝিল মাত্র ৩৭ মিনিটে যাওয়া যাবে। বর্তমান বাস্তবতায় ঢাকাবাসীর কাছে এটা অলীক স্বপ্ন। কিন্তু ধীরে ধীরে তা এগিয়ে যাচ্ছে বাস্তবায়নের দিকে। বিদ্যুতচালিত এ রেলে প্রতি ঘণ্টায় উভয়দিকে ৬০ হাজার যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা থাকবে।

রাজধানীর বিমানবন্দর ও খিলক্ষেত এলাকায় দৃশ্যমান হয়েছে যোগাযোগের আরেকটি বড় প্রকল্প এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ কাজ। এ সেতুর কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০১৮ সালে। তবে এর কাজ অনেক পিছিয়ে রয়েছে। এটি চালু হলে বিমানবন্দর থেকে মাত্র বিশ মিনিটে যে কেউ পৌঁছে যেতে পারবেন চট্টগ্রাম মহাসড়ক পর্যন্ত। এ প্রকল্পে সরকারের গুরুত্ব থাকায় অর্থায়নে কোন সমস্য নেই। জমি অধিগ্রহণের কাজও শেষ পর্যায়ে রয়েছে। প্রকল্প অনুযায়ী, এ উড়াল সড়ক নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৮ হাজার ৯৪০ কোটি টাকা। বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি)। যানজট নিরসনের এই প্রকল্পটি শুরুতে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়েছিল। কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনও হয়েছে। ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থকে গাজীপুর পর্যন্ত ২০ দশমিক ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ লেন নির্মাণের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ৪ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড অংশ নির্মাণ করবে।

এর জন্য চীনা একটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ৯৩৫ কোটি ১২ লাখ ৯৭ হাজার ৭০২ টাকার চুক্তি সই সম্পন্ন করেছে সেতু কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি নির্মাণ হলে ঢাকার যানজট অনেকাংশেই কমবে। এর জন্য ইতোমধ্যে বিস্তারিত ডিজাইন এবং প্রকিউরমেন্ট কার্যক্রম চূড়ান্ত হয়েছে। এটির নির্মাণকাল হবে ৩০ মাস; যেটি ২০২০ সালের মধ্যে শেষ হবে। দ্বিতীয় পর্বটি কেরানীগঞ্জ পর্যন্ত।

ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত ৫৫ কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়ের কাজ শুরু হয়েছে। যাত্রাবাড়ী ইন্টারসেকশন থেকে ইকুরিয়া-বাবুবাজার সংযোগ সড়কসহ মাওয়া পর্যন্ত ও পাচ্চর থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত হবে এই এক্সপ্রেসওয়ে। প্রবেশ নিয়ন্ত্রিত চার লেনের এই এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণাধীন পদ্মা সেতুর সঙ্গে যোগ হবে। এটি চালু হওয়ার কথা ২০২০ সালের এপ্রিলে।

এছাড়া সেতু বিভাগ ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে (উড়াল সড়ক) প্রকল্প সরকারী-বেসরকারী অংশীদারি বা পিপিপিতে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। ঢাকার বিমানবন্দর সড়ক থেকে গাজীপুরের চন্দ্রা পর্যন্ত ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এ প্রকল্পে ব্যয় হবে ৯ হাজার ৬২৯ কোটি টাকা। এর মূল প্রকল্পে নির্মাণ ব্যয় হবে পাঁচ হাজার ২৮২ কোটি টাকা।

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ রফিকুল ইসলাম সুজন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com