অদ্ভুত ৩ মরু উদ্ভিদ!

প্রকাশের সময় : 2019-07-11 18:14:41 | প্রকাশক : Administration
অদ্ভুত ৩ মরু উদ্ভিদ!

সিমেক ডেস্কঃ মরুভূমি এক অদ্ভুত জায়গা। ধু-ধু প্রান্তরে মাঝে-মধ্যে চোখে পড়ে অদ্ভুত সব উদ্ভিদ। এরকম ৩টি অদ্ভুত আর বৈচিত্র্যময় উদ্ভিদ নিয়ে আজকের আয়োজন।

ওয়েলউইটসিয়া মিরাবিলিসঃ

মরুভূমির অদ্ভুত উদ্ভিদগুলোর মধ্যে সবচেয়ে অন্যরকম দেখতে ওয়েলউইটসিয়া মিরাবিলিস। দূর থেকে দেখলে মনে হতে পারে, কিছু ছেঁড়া কাপড় মাটিতে গড়াগড়ি খাচ্ছে।

আরেকটু কাছে গেলে মনে হবে বুঝি কাণ্ডবিহীন একটি উদ্ভিদ, যার রয়েছে এলোমেলো অসংখ্য পাতা। তবে একেবারে কাছে পৌঁছলে দেখা যাবে, এর কাণ্ড নেই, পাতাও অনেক নয়, কেবল দুটি। এ দুটি পাতার বৃন্ত থেকেই ক্রমাগত নতুন নতুন উপপত্রক জন্মাতে থাকে। ওয়েলউইটসিয়া সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫০০ বছর বাঁচতে পারে।

এটি সর্বোচ্চ প্রতিকূল পরিবেশেও বেঁচে থাকতে সক্ষম। এর শেকড় পানির খোঁজে এতটাই গভীরে যায় যে পানি যদি পৃথিবীর কেন্দ্রেও থাকে, তাহলে সেটি সেখানেই পৌঁছে যাবে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, এটি জুরাসিক যুগে আবির্ভুত হয়। নামিবিয়ার মরুভূমিতে এ উদ্ভিদ সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।

ব্যারেল ক্যাকটাসঃ

আমেরিকার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় মরুভূমিতে অদ্ভুত সুন্দর এই ব্যারেল ক্যাকটাস জন্মায়। সৌন্দর্যের পাশাপাশি এটি বিপজ্জনকও। এর ফাঁপা নলাকার শরীরজুড়ে আছে ৪ ইঞ্চি লম্বা মোটা কাঁটা, যা একে পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। আমেরিকার মরুভূমিগুলোতে যেসব ক্যাকটাস পাওয়া যায়, ব্যারেল ক্যাকটাস তার মধ্যে সবচেয়ে বড়।

অগভীর শেকড়বিশিষ্ট এ উদ্ভিদ ১০ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। তবে সবচেয়ে অদ্ভুত ব্যাপারটি হল, ব্যারেল ক্যাকটাসকে মাটি থেকে তুলে রেখে দিলেও তা অনধিক ৬ বছর বাঁচতে পারে।

কেননা, এটি এর দেহের ওজনের চেয়ে বেশি পরিমাণ পানি সেখানে জমা করে রাখে, যা ধীরে ধীরে ব্যবহার করে। তবে নির্বিঘ্নে মাটিতেই থাকতে দিলে একেকটি ব্যারেল ক্যাকটাস প্রাকৃতিক সব প্রতিকূলতা জয় করে ১৫০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকে।

বেসবল প্ল্যান্টঃ

দেখতে হুবহু বেসবলের মতো এই উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নাম ‘ইউফোরবিয়া ওবেসা’। এর এমন চেহারাই এর জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। মরুভূমি থেকে মানুষ এদের সংগ্রহ করেছে সৌন্দর্যের কারণে। বাণিজ্যিকভাবে এর কদর খুব বেশি।

অতিমাত্রায় সংগ্রহের কারণে প্রকৃতিতে এটি বিলুপ্ত হয়ে গেছে। দুর্ভাগা এ উদ্ভিদ বর্তমানে পাওয়া যায় কেবল নার্সারি আর বোটানিক্যাল গার্ডেনগুলোয়। সবুজ রঙের এই উদ্ভিদগুলোর ব্যাস ১৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।

এর ফুলের রং হলুদাভ সবুজ, যেগুলোকে সিয়াথিয়া বলে। ব্যারেল ক্যাকটাসের মতো মাটির সংস্পর্শ ছাড়া ৬ বছর বেঁচে থাকতে না পারলেও, এটিও ভবিষ্যৎ প্রয়োজনের জন্য দেহে অনেক পানি জমা করে রাখে। -সূত্রঃ অনলাইন

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com