বিদ্যুত সম্প্রসারণে অভাবনীয় অগ্রগতি

প্রকাশের সময় : 2019-07-11 18:26:31 | প্রকাশক : Administration
বিদ্যুত সম্প্রসারণে অভাবনীয় অগ্রগতি

সিমেক ডেস্কঃ বান্দরবান জেলায় বিদ্যুতায়নে নাগরিক সুবিধা বাড়ার পাশাপাশি সরকারের মাসিক রাজস্ব বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় কোটি টাকা। বিগত ১০ বছরে এই জেলায় নতুন গ্রাহকের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৭ হাজার ৫০০। থানচি উপজেলা সদর, বাইশারী এবং সরই ইউনিয়নে স্বাধীনতার পর এ প্রথম বিদ্যুত সুবিধার আওতায় এলো শত শত পরিবার, বিপুল সংখ্যক শিক্ষা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

বান্দরবান বিদ্যুত বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী চিংহলা মারমা জানিয়েছেন, স্বাধীনতার পর গ্রামীণ পর্যায়ে থানচি উপজেলা সদর, লামা উপজেলার সরই এবং নাইক্ষংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়ন সদর এই তিন অঞ্চলের মানুষ বিদ্যুতের সুবিধা পেয়েছেন। ২০০৯ সাল থেকে চলতি সাল পর্যন্ত এই তিন উপজেলায় হাজার হাজার পরিবার বিদ্যুত সুবিধার আওতায় এসেছে। এজন্য তিনি বর্তমান সরকারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

চলতি সময়ে বান্দরবান সদর, রোয়াংছড়ি, থানচি এবং রুমা উপজেলায় প্রায় ৬ হাজার বিদ্যুত গ্রাহক বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রকৌশলী চিংহলা মারমা জানান, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিদ্যুত উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্যোগে লামা উপজেলায় ৩৮ কিমিঃ এবং থানচি উপজেলায় ৩৫ কিমিঃ দীর্ঘ ৩৩ কেভি লাইন স্থাপিত হয়েছে। তাছাড়াও থানচি উপজেলায় ১৭ কিমিঃ সহ লামা, নাইক্ষংছড়ি, রুমা, রোয়াংছড়ি এবং বান্দরবান সদর উপজেলায় ৯২ কিমিঃ ১১ কেভি এবং ১১৯ কিমিঃ স্থানীয় বিদ্যুত লাইন স্থাপন করা হয়েছে।

এ ছাড়া ৪টি বিদ্যুত উপকেন্দ্র স্থাপিত হয়েছে। ৪টি উপকেন্দ্রসহ বিদ্যুত লাইন স্থাপনে সাকুল্যে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১৯ কোটি ২ লাখ টাকা। নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার ২৬টি উপজেলায় সোলার প্যানেলসহ স্থানীয়ভাবে বিদ্যুত সরবরাহ প্রকল্পের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। দীর্ঘ মেয়াদি এ প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৫৬৫ কোটি টাকা।

তিনি বলেন, জেলায় বিদ্যুতের বর্তমান চাহিদা-৮ দশমিক ৫ মেগাওয়াট এবং ২০০৯ সালে চাহিদা ছিল ৫ দশমিক ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুত। বিদ্যুতের গ্রাহক সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রায় ১০ বছরের মধ্যে মাসিক রাজস্ব আয় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ২ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে, বিদ্যুত বিল আদায়ের পরিমাণ গড়ে ৯৫ শতাংশ। বিদ্যুত লাইন স্থাপনের কারণে উপজেলা হাসপাতাল, উপজেলা পর্যায়ের সরকারি ও বেসরকারি অফিস, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, থানচি কলেজ, থানচি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়সহ প্রায় ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিদ্যুত সংযোগ পেয়েছে। তাছাড়াও বেশ কটি রাইছ মিল, ক্ষুদ্র শিল্প প্রতিষ্ঠান, কৃষি খামার, সেচযন্ত্র এবং কুটির শিল্প প্রকল্পগুলো বিদ্যুতের আওতায় আসছে ক্রমেই। বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল বহুক্ষুদ্র শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা সম্ভব হচ্ছে।

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ রফিকুল ইসলাম সুজন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com