বাংলাদেশের সাফল্যের প্রশংসায় বিশ্বব্যাংক

প্রকাশের সময় : 2019-07-25 18:07:48 | প্রকাশক : Administration
বাংলাদেশের সাফল্যের প্রশংসায় বিশ্বব্যাংক

সিমেক ডেস্কঃ রথ উল্টে গেছে। একদিন যারা বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র প্রমাণ করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে চেয়েছে এখন তাদের মুখেই ভিন্ন সুর। ভিন্ন কথা। এই তো সেদিনের কথা। পদ্মা সেতু নিয়ে কি না করলো! সরকারকে কলংকিত করে নাকানো চুবানোর সব ব্যবস্থা করলো। দেশীয় এবং আর্ন্তজাতিক ষড়যন্ত্রের ষোলকলা পূর্ণ করলো। দেশের বেশ কিছু রথিমহারথীর প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ সহযোগীতায় এসব করলো।  

এবার গনেশ উল্টেছে। পাল্টেছে দিন। সব কুচক্রির কুপোকাত হয়েছে। আবার আসতে শুরু করছে বাংলাদেশে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সকল দৃঢ়তার কাছে হার মেনে তার আশেপাশে ঘুরঘুর করা শুরু করেছে। নিত্যদিন তাদের এখন বাংলাদেশে আনাগোনা। বাংলাদেশ নিয়ে ভাবনা। নতুন করে ভাবনা। ভাবনা বিশ্বব্যাংক প্রধানের। বলা যায় ভুতের মুখে রামনাম। স্বাধীনতার পর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাফল্যের প্রশংসা করে বিশ্বব্যাংকের সিইও ক্রিস্টালিনা জর্জিভা বলেছেন, উন্নয়নই যে ঘুরে দাঁড়ানোর সক্ষমতা অর্জনের সবচেয়ে সেরা উপায় সেটি বাংলাদেশ করে দেখিয়েছে। রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘ঢাকা মিটিং অব দ্য   গ্লোবাল কমিশন অন এ্যাডাপটেশন’ অভিযোজন সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক কমিশনের ঢাকা বৈঠক-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আগে বান কি মুন এবং ক্রিস্টালিনা জর্জিভা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেন। জর্জিভা তার বক্তব্যে বলেন, ‘বাংলাদেশ যখন স্বাধীন হয় তখন আমি হাইস্কুলে পড়তাম। তখন থেকেই আমি এ দেশে আসার স্বপ্ন দেখতাম।’

বাংলাদেশের সফলতার কথা বলতে গিয়ে বিশ্বব্যাংক সিইও বলেন, ১৯৭২ সাল থেকে বাংলাদেশ যেভাবে সাফল্য অর্জন করেছে, তাতে আমি মুগ্ধ। মানুষের মাথাপিছু আয় ১০০ ডলার থেকে বেড়ে ১৫০০ ডলার হয়েছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার তিন শতাংশে নামিয়ে আনার পথে ভালভাবেই রয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশে জনসংখ্যার ঘনত্ব অনেক বেশি। দেশটি বিশেষত নারীর ক্ষমতায়নের মধ্য দিয়ে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমিয়ে আনতে পেরেছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঝুঁকির মুখে থাকা দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সামনের দিকে রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন জর্জিভা। মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত লাখ লাখ রোহিঙ্গা নাগরিককে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্ব দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বলে প্রশংসা করেন তিনি। নিজেদের অনেক সমস্যা থাকার পরও পালিয়ে আসা (রোহিঙ্গা) নাগরিকদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ যে মানবিকতার দৃষ্টান্ত রেখেছে, তাতে আমি অভিভূত। এজন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান।

বাংলাদেশ যেহেতু জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে, তাই এখানকার মানুষকে কিভাবে সুরক্ষা দেয়া যায় সে উপায় বের করতেই ঢাকাতেই এই আয়োজন বলে জানান বিশ্বব্যাংক সিইও। আমাদের নষ্ট করার মতো সময় এখন নেই। আমরা যদি আমাদের জানমাল রক্ষা করতে চাই, তাহলে আমাদের অভিযোজন ক্ষমতা বাড়াতে হবে, এটাই আমাদের লক্ষ্য। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকির সূচকে ২০১৪ সালে বাংলাদেশ ছিল প্রথম স্থানে। কিন্তু এটি এমন একটি স্থান যেখানে পূর্ব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নাগরিকদের নিরাপত্তা দিচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি কিভাবে মোকাবেলা করতে হয় তার অবিশ্বাস্য উদ্ভাবনী দক্ষতা আমরা এখানে দেখেছি। বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগী হতে পেরে বিশ্বব্যাংক গর্বিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সূত্রঃ বিডিনিউজ

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com