বিশ্বের সবচেয়ে বড় কাঠের বাড়ি

প্রকাশের সময় : 2019-08-07 15:25:33 | প্রকাশক : Administration
বিশ্বের সবচেয়ে বড় কাঠের বাড়ি

সিমেক ডেস্কঃ বর্তমানে বিশ্বে এক আধুনিক বহুতল কাঠের বাড়ি পরিবেশবান্ধব নির্মাণ পদ্ধতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।

নরওয়ের বিমুনডাল উপত্যকায় মিয়োসা হ্রদের তীরে কাঠের তৈরি এই ১৮ তলা ভবনের উচ্চতা সাড়ে পঁচাশি মিটার। বিশ্বে অন্য কোথাও এত বড় কাঠের বাড়ি নেই।

এই প্রকল্প আবাসন ব্যবসায়ী আর্তুর বুখার্টের ব্যক্তিগত স্বপ্ন ছিল। তিনি বলেন, ‘কাঠ দিয়ে কী করা সম্ভব, এই ভবন তার প্রতীক। জটিল ভবন, বহুতল ভবনও বটে। আমাদের কার্বন নির্গমন কমাতে হবে। ইস্পাত ও কংক্রিটের তুলনায় এই ভবন ৬০ শতাংশ কম কার্বন নির্গমন করে।’

এ বাড়ির বসবাসকারীরা চারপাশে কাঠের সংস্পর্শ খুবই উপভোগ করেন। কাঠের অনুভূতি আর গন্ধ পাওয়া যায়। এত কাঠ যেন মনে আবেশ এনে দেয়। কাঠ জীবন্ত- ইস্পাত ও কংক্রিট মৃত। তাই মনে হয় এই ভবনটি যেন তাদের সঙ্গে বেঁচে আছে।

বহু বছরের মৌলিক গবেষণার মাধ্যমে এই ভবনটিকে তীব্র বাতাস ও চরম আবহাওয়ার ধাক্কা থেকে সুরক্ষিত রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রকল্পের সমন্বয়ক ও্যস্টেন এলিগসাস স্থাপত্যের ক্ষেত্রে একেবারে নতুন এই প্রচেষ্টায় শামিল ছিলেন।

তিনি বলেন, ‘এর আগে আমরা কখনও এমন কাজ করিনি। তাই এটা যে সম্ভব, সেই বিশ্বাস রাখা জরুরি ছিল। অনেক পরিশ্রম ও বিনিদ্র রজনীর পর আমরা সঠিক দিশা দেখতে পেয়েছি। এত হালকা উপকরণই ছিল সবচেয়ে বড় সমস্যা। বাতাসের ধাক্কা, বাইরের সব শক্তি ভবনটিকে হেলিয়ে দিতে বা তা স্থানান্তর করতে পারত।’

ভবনটির ভার সামলাতে থামগুলো মাটির আরও গভীরে বসাতে হয়েছে। অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থাও বড় বিষয় ছিল। মোটা কাঠের থামগুলো এমনকি ইস্পাতের তুলনায়ও আরও বেশিক্ষণ আগুনের শিখা সামলাতে পারে। কাঠ দিয়ে নির্মাণের ক্ষেত্রে এটাও বড় সুবিধা।

অন্য শহরের চিত্রও বদলে দিচ্ছে কাঠের এই বহুতল ভবন। ভিয়েনা শহরে ৮৪ মিটার উঁচু একটি কাঠের বহুতল ভবন তৈরি করা হচ্ছে। পরিবেশবান্ধব কাঠ দিয়ে একটি গোটা বসতি গড়ে তোলা হচ্ছে ফ্রান্সের বোর্দো শহরেও।

লন্ডন শহরে স্থপতিরা প্রায় ৩০০ মিটার উঁচু ওক কাঠের ভবন তৈরির পরিকল্পনা করছেন। এমন প্রবণতা পরিবেশবান্ধব নির্মাণের প্রতীক বলে মনে করেন নরওয়ের প্রকল্পের সমন্বয়ক ও্যস্টেন এলিগসাস।

তিনি বলেন, ‘পরিবেশের কথা ভাবতে হবে। ভবিষ্যতে নির্মাণের ক্ষেত্রে কাঠ পরিবেশবান্ধব উপকরণ হতে পারে। শুধু উঁচু ভবন নয়, যে কোনো বাড়িতেই তা ব্যবহার করা যায়।’

নরওয়ের এই মিয়োসা টাওয়ারকে ভবিষ্যতের ফ্ল্যাটবাড়ির ভালো দৃষ্টান্ত হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে। কাঠের এই বহুতল ভবনে হোটেল ও কনফারেন্স রুমও রয়েছে। - সূত্রঃ অনলাইন

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ রফিকুল ইসলাম সুজন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com