স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশ

প্রকাশের সময় : 2021-01-13 10:24:17 | প্রকাশক : Administration
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশ

২০২১ সালে ৫০ বছরে পা রাখতে চলেছে বাংলাদেশ; নতুন নতুন অর্জন ও প্রাপ্তির উল্লাস আর প্রত্যাশাগুলোকে সামনে রেখে। তবে বর্তমানে বিশ্ব প্রেক্ষাপট একটু ভিন্ন।

করোনা জর্জরিত পুরো বিশ্বের এখন একটাই প্রত্যাশা- সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়া। নতুন এক পরিবেশের সঙ্গেই বাঙালি সুবর্ণজয়ন্তীর আমেজ অনুভব করছে।

বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উত্তরণের পথে। জাতি সুবর্ণজয়ন্তীতে এদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হতে দেখতে চায় যাতে বাংলাদেশকে কেউ অবহেলা না করতে পারে।

এ সুবর্ণজয়ন্তীতে আমাদের প্রত্যাশা অনেক। প্রত্যাশা পূরণে প্রয়োজন যথাযথ কর্মপরিকল্পনা। ইতোমধ্যে আমরা অনেক কিছু অর্জন করেছি। বিজয় অর্জনের পেছনে ত্যাগের যে প্রেক্ষাপট; তা আজ সবার মুখে উচ্চারিত হচ্ছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে স্বজন হারানো, সম্ভ্রম হারানোর শোক, লজ্জাকে শক্তিতে পরিণত করে সামনের দিকে এগিয়ে গেছে বাঙালি জাতি। স্বাধীনতা-পরবর্তী বিধ্বস্ত বাংলাদেশের যে করুণ চিত্র ছিল, তা আজ পরিবর্তন হয়েছে- দেশের অগ্রগতির দিকে লক্ষ করলেই তা স্পষ্ট হয়ে যায়।

১৯৭২-৭৩ অর্থবছরে মুদ্রাস্ফীতি ছিল ৪৭ শতাংশ; এখন তা মাত্র ৬.২ শতাংশ। আশা করা যায়, এ হার আরও কমিয়ে আনা সম্ভব হবে; সরকার সে লক্ষ্যে কাজ করছে। বর্তমানে শিক্ষার দিকে তাকালে আমরা যে অগ্রগতি ও অগ্রগতির ছোঁয়া দেখতে পাই; তার মূল সূচনা হয়েছিল ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধুর দেশে প্রত্যাবর্তনের পর নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে।

বর্তমানে শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ও চাকরিজীবী মানুষের সংখ্যাও অনেক। শিক্ষাক্ষেত্রে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা নিজ দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বাইরের দেশে নিজেদের প্রতিভার পরিচয় দিচ্ছে। নতুন নতুন আবিষ্কারের মাধ্যমে তাক লাগিয়ে দিচ্ছে পুরো বিশ্বকে। নতুন নতুন পরিকল্পনা সঙ্গে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের মানোন্নয়ন ও মানসম্মত শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে। স্বাধীনতার পর যে দেশকে ‘তালাবিহীন ঝুড়ি’ বলে আখ্যায়িত করা হয়েছিল, সেই দেশের অগ্রগতি আজ সবার কাছে প্রশংসনীয়। অনেকের কাছে রোল মডেল।

সবুজের মাঝে রক্তিম আভার যে পতাকা, সেই পতাকার সম্মান ৪৯ বছরে আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধু শিক্ষাক্ষেত্রে নয়; অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, স্বাস্থ্য, নারীর ক্ষমতায়ন, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধিসহ সব ক্ষেত্রে এগিয়েছে বাংলাদেশ। এ সমৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকলে অচিরেই বাংলাদেশ হবে একটি সমৃদ্ধিশালী দেশ। -সূত্র: অনলাইন

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com