খাদ্য উৎপাদনে রেকর্ড করোনা কালেও সর্বোচ্চ মজুতে স্বস্তিতে বাংলাদেশ

প্রকাশের সময় : 2020-10-14 15:12:36 | প্রকাশক : Administration
খাদ্য উৎপাদনে রেকর্ড করোনা কালেও সর্বোচ্চ মজুতে স্বস্তিতে বাংলাদেশ

সিমেক ডেস্কঃ করোনাভাইরাসের মহামারিকালেও খাদ্যশস্য উৎপাদনে রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ। ধান উৎপাদনে বিশ্বে একধাপ এগিয়ে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে তৃতীয় ধান উৎপাদনকারী দেশ। করোনা বিপর্যয়ের মধ্যেও সর্বোচ্চ খাদ্য উৎপাদন ও মজুত নিয়ে স্বস্তিতে বাংলাদেশ। বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়লেও দেশের খাদ্য নিয়ে দুশ্চিন্তা নেই। যে পরিমাণ মজুত আছে তাতে, প্রয়োজন হলে বিশ্বে চাল রপ্তানিও করতে পারবে।

বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে ধান উৎপাদনে বিশ্বে চতুর্থ অবস্থানে থাকলেও করোনাকালে বাম্পার ফলনে তৃতীয় অবস্থানে ওঠে এসেছে। এর আগে তৃতীয় অবস্থানে ছিল ইন্দোনেশিয়া। ধান উৎপাদনে বিশ্বে প্রথম চীন ও দ্বিতীয় ভারত। বাংলাদেশ এখন চাল রপ্তানিকারক দেশ ও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ। করোনাকালে সর্বোচ্চ আতঙ্ক ছিল বোরো ধানের উৎপাদন নিয়ে। সব আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে এবার রেকর্ড পরিমাণ সর্বোচ্চ দুই কোটি দুই লাখ টন বোরো ধান উৎপাদন হয়েছে।

আগের দুই বছর উৎপাদন ছিল এক কোটি ৮৬ লাখ টন। আমন উৎপাদন হয়েছে এক কোটি ৫৩ লাখ টন। আগের বছর আমন হয় এক কোটি ৩৩ লাখ টন। চলমান দীর্ঘ বন্যায় দুই লাখ টন ধান নষ্ট হওয়ার পরও চলতি আউশ মৌসুমে ৩৪ লাখ টন আউশ ধান উৎপাদন হয়েছে। এবার বোরো আউশ ও আমনের বাম্পার ফলনে ধান-চাল গড়াগড়ি খাচ্ছে কৃষকের ঘরে, মহাজনের চাতালে, চালকল ও খাদ্যগুদামে। সরকারি গুদামে সিদ্ধ চাল ১০ লাখ ৩৪ হাজার টন মজুদ আছে। আতপ চাল আছে দেড় লাখ টন, ধান আছে প্রায় ১২ লাখ টন, গম আছে এক লাখ ২৩ হাজার টন। চলতি মাসেই রাশিয়া থেকে দুই লাখ টন গম কেনা হচ্ছে। গম কেনায় ব্যয় হচ্ছে ৪৩৭ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। বেসরকারি চালকল গুলোতে প্রায় ১৭ লাখ টন চাল মজুত আছে। দাম বাড়ার আশায় কৃষকরাও নিজেদের গোলায় ধান মজুত রাখছেন। চলতি বছরের নভেম্বরে আমন থেকে আসবে আরও প্রায় দেড় কোটি টন ধান।

ইতোমধ্যে সারাদেশে আমন রোপণ হয়েছে ৫৮ লাখ ৯৫ হাজার ২১৫ হেক্টর জমিতে। এবার পর্যাপ্ত বৃষ্টিতে দেশের উত্তরাঞ্চল ও উঁচু এলাকা বরেন্দ্র অঞ্চলেও আমনের বাম্পার ফলনের আশা করা হচ্ছে। এবার আমন থেকে টার্গেট এক কোটি ৫৭ লাখ টন। গত বছর আমন হয়েছিল দেড় কোটি টনের বেশি।

ফিলিপাইন, চীন ও আফ্রিকার কয়েকটি দেশ ভিয়েতনাম চালের অন্যতম আমদানিকারক। দেশটি চাল রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ায় এসব দেশে চালের সংকট দেখা দিতে পারে। চাল আমদানিকারক দেশ  ফিলিপাইনে মাত্র তিন মাসের চাল মজুত আছে। চালের বাণিজ্য দীর্ঘসময় ধরে স্থবির হয়ে থাকলে ফিলিপাইনসহ এশিয়া ও আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশ নাজুক অবস্থায় পড়বে। শীর্ষ আমদানিকারক ইন্দোনেশিয়াসহ এশিয়ার বড় আমদানিকারক দেশগুলোর হাতে নভেম্বর পর্যন্ত গমের মজুত আছে।

ভিয়েতনাম চাল রপ্তানি বন্ধ করেছে, ভারত এবং থাইল্যান্ড হ্যাঁ বা না কিছুই বলছে না রপ্তানি নিয়ে। থাইল্যান্ডে চালের দাম বেড়েছে। যা ২০১৩ সালের আগস্টের পর সর্বোচ্চ। বিশ্বে নবম গম রপ্তানিকারক কাজাখাস্তান রপ্তানি সীমিত করেছে। আমদানি কারকদের দিক থেকে ইরাক ঘোষণা দিয়েছে তারা ২০ লাখ টন গম ও দুই লাখ টন চাল কিনবে। - সূত্রঃ অনলাইন

 

সম্পাদক ও প্রকাশক: সরদার মোঃ শাহীন
উপদেষ্টা সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম সুজন
বার্তা সম্পাদক: ফোয়ারা ইয়াছমিন
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: আবু মুসা
সহ: সম্পাদক: মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিস: ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা।
বার্তা বিভাগ: বাড়ি # ৩৩, রোড # ১৫, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা।
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com