দেশ এখন স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল

প্রকাশের সময় : 2020-12-09 15:55:05 | প্রকাশক : Administration
দেশ এখন স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল

রহিম শেখঃ বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণের ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতি ভয়াবহ মন্দা অতিক্রম করছে। এখন করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা মোকাবেলা করছে বিশ্ব। বৈশ্বিক এ অর্থনীতির প্রভাব ছিল বাংলাদেশেও। তা সত্ত্বেও ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে স্বল্পোন্নত দেশ (লিস্ট ডেভেলপমেন্ট কান্ট্রি বা এলডিসি) থেকে বের হওয়ার চূড়ান্ত স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

২০২৪ সালের মধ্যে স্বল্পোন্নত থেকে বের হয়ে উন্নয়নশীল (ডেভেলপিং) দেশের মর্যাদা পাবে বাংলাদেশ। উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তরের প্রক্রিয়ায় তিন বছরের ব্যবধানে জাতিসংঘের দুটি মূল্যায়নে উত্তীর্ণ হতে হয় স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে। প্রথম মূল্যায়নে একটি দেশকে স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশে (ডেভেলপিং কান্ট্রি-ডিসি) পরিণত হতে গেলে যে তিন সূচকের যোগ্যতা অর্জন করতে হয় বাংলাদেশ সেই তিনটি শর্তই পূরণ করেছে।

প্রথম শর্তে দেশে মাথাপিছু আয় ১২৪২ মার্কিন ডলার হতে হয়, যা বাংলাদেশ অনেক আগেই অতিক্রম করেছে। এখন দেশে মাথাপিছু আয় ২০৬৪ মার্কিন ডলার। দ্বিতীয় শর্তে মানবসম্পদের উন্নয়ন; অর্থাৎ দেশের ৬৬ ভাগ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অর্জন করেছে ৭২ দশমিক ৯ ভাগ। আর তৃতীয় শর্তে বলা হয়েছে, অর্থনৈতিকভাবে ভঙ্কুর না হওয়ার মাত্রা ৩২ ভাগের নিচে থাকতে হবে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই মাত্রা ২৫ ভাগ।

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় এ সম্পর্কিত জাতিসংঘ সংস্থা দ্য কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির (সিডিপি) প্ল্যানারি সেশনে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার যোগ্য বলে সুপারিশ করবে সিডিপি। এরপর তিন বছরের ট্রানজিশন পিরিয়ড শেষে ২০২৪ সালে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন থেকে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি পাবে।

দরিদ্র দেশ হিসেবে আমাদের আর কেউ দুর্বল ভাববে না। এটা যেকোন দেশের জন্য গৌরবের বিষয়, গর্বের বিষয়, মর্যাদার বিষয়। উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার কারণে বিশ্বের সব দেশের কাছে ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার কাছে বাংলাদেশের গুরুত্ব বেড়ে যাবে। এর ফলে উন্নয়নশীল হওয়ার মধ্যে দিয়ে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যাবে।

অর্থাৎ বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রকল্পে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে যে ঝুঁকি বিবেচনা করা হয় সেটা অনেকাংশেই কমে যাবে। ফলে দেশে বিদেশী বিনিয়োগের সম্ভাবনা বাড়বে। শুধু তাই নয়, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোও ঋণ দিতে আগ্রহী হবে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এখন উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে শুল্কমুক্ত রফতানি সুবিধা, কম সুদে বিদেশী ঋণ ও অনুদান পেয়ে থাকে। ওষুধ উৎপাদনেও অব্যাহতি পেয়ে আসছে। -জনকন্ঠ

 

সম্পাদক ও প্রকাশক: সরদার মোঃ শাহীন
উপদেষ্টা সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম সুজন
বার্তা সম্পাদক: ফোয়ারা ইয়াছমিন
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: আবু মুসা
সহ: সম্পাদক: মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিস: ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা।
বার্তা বিভাগ: বাড়ি # ৩৩, রোড # ১৫, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা।
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com