আধুনিক হচ্ছে রাজশাহী বিমানবন্দর

প্রকাশের সময় : 2021-02-17 14:37:10 | প্রকাশক : Administration
আধুনিক হচ্ছে রাজশাহী বিমানবন্দর

কাজী শাহেদ: দীর্ঘদিন পর আধুনিকতার ছোঁয়া লাগছে রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরে। রানওয়ে স¤প্রসারণ থেকে গ্রাউন্ড স্টেশন আধুনিকায়নের মধ্য দিয়ে নতুন রূপ পেতে যাচ্ছে বিমানবন্দরটি। ইতিমধ্যে আধুনিকায়নের কাজ শুরু হয়েছে। অভ্যন্তরীণ এই রুটের যাত্রীদের জন্য অত্যাধুনিক টার্মিনাল ভবন নির্মাণ, রানওয়ে স¤প্রসারণ ও কার্গো বিমান ওঠানামার ব্যবস্থা থাকছে এই আধুনিকায়ন প্রকল্পের আওতায়।প্রাথমিকভাবে এর ব্যয় ধরা হয়েছে ১০৭ কোটি টাকা। করোনার কারণে কাজ কিছুদিন থমকে গেলেও আবারও কাজ শুরু হয়েছে। ২০২২ সালের জুনের মধ্যে তা শেষ করতে চায় মন্ত্রণালয়। বর্তমানে একটির বেশি উড়োজাহাজ একই সঙ্গে রানওয়েতে নামতে বা উঠতে পারে না। তবে বিমানবন্দর আধুনিকায়ন প্রকল্পটি শেষ হলে একই সঙ্গে তিনটি উড়োজাহাজ দাঁড়াতে পারবে। কারণ কার্গো বিমান ওঠানামাসহ একসঙ্গে তিনটি উড়োজাহাজ পার্কিং করার ব্যবস্থা রেখেই এবার আধুনিকায়ন করা হচ্ছে রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরের। এর আওতায় বর্তমানে শাহ মখদুম বিমানবন্দরে থাকা ৬ হাজার ৬০০ ফুট দৈর্ঘ্যের রানওয়ে বাড়িয়ে ১০ হাজার ফুট করা হচ্ছে। এর প্রস্থ তখন ১০০ ফুট থেকে বেড়ে হবে ১৫০ ফুট।

আর এখনকার ২৬০ বাই ২৫০ বর্গফুটের অ্যাপ্রোন হবে ২৭৫ বাই ২৫০ বর্গফুট। নির্মিতব্য আধুনিক টার্মিনাল ভবনটির নিচতলার আয়তন হবে ১৭ হাজার বর্গফুট। দ্বিতীয় তলাটি হবে ১১ হাজার বর্গফুটের। টাওয়ার ও অন্যান্য স্থাপনা মিলিয়ে টার্মিনাল ভবনটিতে জায়গা থাকবে ৩১ হাজার বর্গফুট। সুপরিসর টার্মিনাল ভবনে চেক-ইন কাউন্টারের সংখ্যা এখনকার তুলনায় বেড়ে দ্বিগুণ হবে।

সঙ্গে থাকবে বিশালাকৃতির কনকার্স হল, ডিপারচার লাউঞ্জ, অ্যারাইভাল লাউঞ্জ, স্ন্যাকস যাকস কর্নার ও একটি ভিআইপি লাউঞ্জ। এদিকে রাজশাহী-ঢাকা রুটে প্রতিনিয়ত যাত্রীসংখ্যা বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সরকারি-বেসরকারি বিমান পরিবহন সংস্থাও তাদের ফ্লাইটসংখ্যা বাড়াচ্ছে। ৩৬ বছর আগে নির্মিত এই বিমানবন্দরে বর্তমানে বাংলাদেশ বিমান ও বেসরকারি দুটি সংস্থা মিলিয়ে প্রতিদিন ছয়টি ফ্লাইট যাত্রী পরিবহন করছে।

অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর হওয়ায় শাহ মখদুম বিমানবন্দর থেকে বর্তমানে রাজশাহী-ঢাকা রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে দেশের তিনটি এয়ারলাইনস। প্রতিটি এয়ারলাইনসের দুটি করে মোট ছয়টি ফ্লাইট প্রতিদিন চলাচল করছে। ফলে এ রুটে সপ্তাহে মোট ৪২টি ফ্লাইট পরিচালনা করা হচ্ছে। প্রকল্পের কাজ শেষ হলে বিমানবন্দরটি আন্তর্জাতিক মানে গিয়ে দাঁড়াবে। তখন যাত্রীরা আরও সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

 

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সরদার মোঃ শাহীন,
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ রফিকুল ইসলাম সুজন,
বার্তা সম্পাদকঃ ফোয়ারা ইয়াছমিন,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ আবু মুসা,
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিসঃ ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২,
উত্তরা, ঢাকা,
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com