সেই দিন নাইলো নাতি!

প্রকাশের সময় : 2021-04-15 12:24:24 | প্রকাশক : Administration
সেই দিন নাইলো নাতি!

লীনা পারভীন: মান্ধাতা আমলের ভারত বিরোধিতা দিয়ে দিন আর চলবে না। কেন? একটা সময় ছিলো যখন বাংলাদেশের নিজের বলে কিছু ছিলো না। রিজার্ভ থাকতো মাইনাসে, ফসলে থাকতো টান, ব্যাংকে থাকতো তারল্যের সংকট। বিশ্বব্যাংক ও ধনী দেশগুলো দান না করলে আমাদের দিন চলবে কেমন করে, সেই চিন্তায় রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানের ঘুম হারাম থাকতো। এই চিন্তা থেকে তারা হাত পা ধুয়ে তেল মারায় ব্যস্ত থাকতেন। অথচ কোনোদিন কোমড় সোজা করে ঘাড় উঁচু করে ফিরে তাকানোর চিন্তা করেননি। সেসব দিনে ভাবা হতো আমেরিকা আমাদেরকে হুমকি দিচ্ছে কিনা।

ভারত আমাদের ওপর দাদাগিরি করছে কিনা বা আমরা ভারতকে দাদাগিরি করতে দিচ্ছি কিনা। সেসব দিন এখন গত। কেন? উত্তরটা খুঁজতে হবে আমাদের সবার। নাগরিক হিসেবে আমাদের কিছু দায় ও দায়িত্ব আছে। এই যে আমাদের মাথাপিছু আয় বেড়েছে, রিজার্ভ বেড়েছে, জিডিপির হিসেবে ভারত বা পাকিস্তান থেকে আমরা এগিয়ে আছি। জীবনমানের উন্নয়ন ঘটছে, কৃষি, মৎস ও গার্মেন্টস সহ আরও অন্তত দশটি খাতে আমরা তালিকার শীর্ষে আছি সেগুলো কি মিথ্যে? উত্তর খুঁজেন। উত্তর যদি হয়, সত্য, তাহলে এগুলো কার অবদান? ভাবেন।

ভারত বা আমেরিকার মতো শক্তিশালী দেশগুলো আমাদের দিয়ে গেছে, না উপহার দিয়েছে? এই যে বিশ্বব্যাংকের চোখ রাঙানিকে পাত্তা না দিয়ে আমরা আত্মনির্ভরতা অর্জন করছি, যার বড় উদাহরণ হচ্ছে পদ্মা সেতু, সেগুলো কীসের লক্ষণ? প্রাতিষ্ঠানিকভাবে যে আমরা উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় নাম লেখালাম সেটি কি অর্জন নয়? এই অর্জন এমনি এমনি আসছে? না, এটার পুরোটাই আমাদের কষ্টের অর্জন।

গোটা বিশ্ব যে বাংলাদেশকে পুছে, সেটি কি আলাদা কোনো প্রেম? এই প্রেম কি এমনি দিচ্ছে কেউ? ভাবেন ভাইয়ারা, ভাবেন। সেই দিন নাইলো নাতি, ভারত বিরোধিতা কইরা পার পাইতি। ভারত চাইলেও এখন আর জোরজার করে কিছু চাপিয়ে দিতে পারবে না। চাইলেই গাঙ্গুলীকে দিয়ে বাংলাদেশের সাথে দাদাগিরি খেলাতে পারবে না। বাংলাদেশ এখন অনেক শক্ত অবস্থানে আছে।

আত্মসম্মান একটা বিশাল অর্জন আমাদের। এই আত্মসম্মানবোধের কারণে এখন মোদী কেন, বাইডেন চাইলেও কিছু করতে পারবে না। তরুণদের ভাবতে হবে অনেক। বুঝতে হবে গভীরে গিয়ে। বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা করা ‘ওল্ড ফ্যাশন’­জনাব। এখানে আরেকটু বৈশ্বিক হতে হবে। ভাবনায় ও কর্মে নতুনত্ব আনতে হবে সবার। বৈশ্বিক রাজনীতিটাও কিছু শেখা দরকার, তাই না? - ফেসবুক থেকে

 

সম্পাদক ও প্রকাশক: সরদার মোঃ শাহীন
উপদেষ্টা সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম সুজন
বার্তা সম্পাদক: ফোয়ারা ইয়াছমিন
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: আবু মুসা
সহ: সম্পাদক: মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিস: ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা।
বার্তা বিভাগ: বাড়ি # ৩৩, রোড # ১৫, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা।
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com