ঘোড়ায় চড়ে অফিসে যেতে চান তিনি!

প্রকাশের সময় : 2021-05-05 14:15:20 | প্রকাশক : Administration
ঘোড়ায় চড়ে অফিসে যেতে চান তিনি!

করোনা মহামারি আবহে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল অফিস-আদালত। এখন ধীরে ধীরে খুলে যাচ্ছে বিভিন্ন অফিস, দফতর। সবকিছু স্বাভাবিক হচ্ছে। তবে এখনো অনেকে সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে গণপরিবহন এড়িয়ে চলছেন। তারা ব্যক্তিগত গাড়ি বা বাইকে চড়েই অফিসে যাচ্ছেন। কিন্তু এই সময়ে কেউ যদি বলেন, তিনি ঘোড়ায় চড়ে অফিসে যেতে চান। তাহলে মনে প্রশ্ন আসতে পারে যে, তিনি করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে এমনটি করতে চান কি না?

সম্প্রতি ভারতের মহারাষ্ট্রের নানদেরের সরকারি অফিসের এক কর্মী তার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে এমনই আবেদন জানিয়েছেন। আর এই খবর জানতে পেরে অবাকও হয়েছেন অনেকেই।

ভারতীয় গণমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের খবরে বলা হয়েছে, ওই ব্যক্তির নাম সতীশ পাঞ্জাবরাও দেশমুখ। তিনি স্থানীয় জেলাশাসকের অফিসে এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি স্কিম দফতরের অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাকাউন্ট অফিসার হিসেবে কর্মরত। কিন্তু তিনি কি করোনা সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে ঘোড়া নিয়ে অফিসে আসার অনুমতি চেয়েছেন? আসলে এটা না, তিনি দীর্ঘদিন ধরে পিঠের ব্যথায় কাবু, আর সেকারণে বাইক বা স্কুটি চালিয়ে অফিস আসতে পারবেন না। এ ছাড়া গাড়ি কেনার মতো সামর্থ্যও নেই তার। এই দুই কারণে তিনি ঘোড়ায় চড়ে অফিসে আসার জন্য অনুমতি চেয়ে চিঠি লিখেছেন। শুধু তাই নয়, অফিসে সেই ঘোড়াটি রাখার জন্যও অনুমতি চেয়েছেন তিনি।

তার চিঠিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। নেটিজেনদের অনেকেই সেটি দেখে বেশ মজা পেয়েছেন। অনেকেই মজার মন্তব্যও করেছেন। তবে এরপর অফিসের পক্ষ থেকে তাকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে কি না, তা জানা যায়নি। - সূত্র: অনলাইন

 

সম্পাদক ও প্রকাশক: সরদার মোঃ শাহীন
উপদেষ্টা সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম সুজন
বার্তা সম্পাদক: ফোয়ারা ইয়াছমিন
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: আবু মুসা
সহ: সম্পাদক: মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিস: ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা।
বার্তা বিভাগ: বাড়ি # ৩৩, রোড # ১৫, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা।
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com