দুই প্রতিষ্ঠানের দুই ডোজ টিকাও নেয়া যাবে

প্রকাশের সময় : 2021-05-26 16:09:14 | প্রকাশক : Administration
দুই প্রতিষ্ঠানের দুই ডোজ টিকাও নেয়া যাবে

শাহীন খন্দকার: স্পেনের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রথম ডোজ অক্সফোর্ডের অ্যাস্ট্রাজেনেকার এবং দ্বিতীয় ডোজ মর্ডানা কিংবা ফাইজারের মতো এমআরএনএ টিকা দেওয়ার ফলে মানুষের শরীরের অ্যান্টিবডি ৩০-৪০ গুণ বেড়েছে। যা করোনা প্রতিরোধে সহায়ক। আবার যারা প্রথম ডোজ এমআরএনএ এবং দ্বিতীয় ডোজ অক্সফোর্ডের অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা নিয়েছেন সেক্ষেত্রেও অনেক বেশি অ্যান্টিবডি তৈরি হওয়ার প্রমাণ তারা পেয়েছেন।

আমাদের ভাবার সময় এসেছে, যখন একই টিকা অনেক পরিমাণে রাখতে পারছি না, সেক্ষেত্রে এই মিক্স ডোজ ভ্যাকসিন চালু করা যাবে কিনা। এ বিষয়ে টিকা সংক্রান্ত জাতীয় টেকনিক্যাল কমিটির কাছে মতামত জানতে চাওয়া হয়েছে।

অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও ফাইজারের কোভিড-১৯ টিকার দুটি আলাদা ডোজ নেওয়া প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে কারও কারও শরীরে হালকা থেকে মাঝারি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে বলে ইঙ্গিত এসেছে এক গবেষণায়। একই টিকার দুটি ডোজের বদলে আলাদা টিকার ডোজে তুলনামূলক বেশি মানুষের ঠাণ্ডা লাগা, মাথা ব্যথা ও পেশিতে ব্যথা হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

যদিও এসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বেশিক্ষণ থাকছে না এবং আলাদা টিকার ডোজে অন্য কোনো সুরক্ষা ঝুঁকিও দেখা যাচ্ছে না বলে গবেষণায় আশ্বস্ত করা হয়েছে। টিকার প্রথম ডোজ নেওয়ার পর পৃথক কোনো টিকার দ্বিতীয় ডোজে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি তৈরি হয় কিনা, নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্টগুলোর বিপক্ষে বেশি কার্যকারিতা পাওয়া যায় কিনা এবং সরবরাহে ঘাটতি দেখা গেলে আলাদা টিকার ডোজ দেওয়া যাবে কিনা, তা দেখতে ফেব্রুয়ারিতে এ সিওএম-সিওভি গবেষণাটি শুরু হয়েছিল।

কানাডার অন্টারিও ও ক্যোবেক প্রদেশে তারা অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং এই ভ্যাকসিনে রক্ত জমাট বাঁধা নিয়ে উদ্বেগ থেকে সামনের দিনগুলোতে নাগরিকদেরকে আলাদা টিকার দুই ডোজ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে চলা এ সিওএম-সিওভি গবেষণায় শুরুতে পঞ্চাশোর্ধ ৮৩০ জনকে আলাদা টিকার দুই ডোজ দেওয়ার জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল।

সম্প্রতি চিকিৎসা সাময়িকী ল্যানসেটে প্রকাশিত এক নিবন্ধে সিওএম-সিওভিতে পাওয়া প্রাথমিক কিছু তথ্য উপাত্ত তুলে ধরা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, যাদেরকে ৪ সপ্তাহের ব্যবধানে অ্যাস্ট্রাজেনেকার দুটি ডোজ দেওয়া হয়েছিল তাদের প্রতি ১০ জনে একজন ভ্যাকসিন নেওয়ার পর জ্বর জ্বর ভাবের কথা জানিয়েছেন।

অন্যদিকে যারা অ্যাস্ট্রাজেনেকার একটি ও ফাইজারের আরেকটি ডোজ নিয়েছেন, তাদের প্রতি ১০০ জনে ৩৪ জন একই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা জানিয়েছেন। একই রকম পার্থক্য দেখা যাচ্ছে ঠাণ্ডা লাগা, ক্লান্তি, মাথা ব্যথা, অস্থিরতা ও পেশি ব্যথাজনিত উপসর্গের ক্ষেত্রেও, বলেছেন গবেষণাটির প্রধান অনুসন্ধান কর্মকর্তা অধ্যাপক  স্ল্যাপ। এপ্রিলে গবেষণাটির আওতা বাড়ানো হলে যুক্ত করা হয় আরও এক হাজার ৫০ জনকে; নতুনদেরকে অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও ফাইজারের পাশাপাশি মডার্না ও নোভাভ্যাক্সের কোভিড টিকাও দেওয়া হচ্ছে। - বিবিসি বাংলা

 

সম্পাদক ও প্রকাশক: সরদার মোঃ শাহীন
উপদেষ্টা সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম সুজন
বার্তা সম্পাদক: ফোয়ারা ইয়াছমিন
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: আবু মুসা
সহ: সম্পাদক: মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিস: ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা।
বার্তা বিভাগ: বাড়ি # ৩৩, রোড # ১৫, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা।
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com