আশাগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে

প্রকাশের সময় : 2021-08-12 14:09:47 | প্রকাশক : Administration
আশাগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে

তাপিতা সাথী: মাঝে মাঝে সব মানুষেরই মনের করুণ অবস্থার সৃষ্টি হয়। মনে হয় জীবনের সবকিছু শেষ হয়ে গেল রে! বাস্তবে আসলে তা কিন্তু নয়। স্বপ্ন আর আশা কখনো শেষ হয়ে যাওয়ার নয়। জীবনে যতবার আশা ভেঙ্গে যায়, ততবারই নতুন আশার জন্ম হয়। আর স্বপ্ন ভেঙ্গে গেলে মানুষ আবার নতুন স্বপ্ন দেখে। কিন্তু যে মানুষগুলো নতুন স্বপ্ন দেখা বন্ধ করে দেয়, সমস্ত আশা শেষ করে দেয়; তারা জীবনের কাছে পরাজিত হয়ে যায়।

পরাজিত জীবনের দায়ে অনেকেই আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। আবার কেউ মরার মত হয়ে বেঁচে থাকে, কেউ পাগল হয়ে যায়, কেউ নেশার পথ বেছে নেয়, কেউবা আবার জীবনের মাঝে অভিনয়কে পুঁজি করে বেঁচে থাকে। এছাড়াও অনেক কিছুই হতে পারে। তবে যারা আল্লাহকে বিশ্বাস করে মনকে মানিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারে, তারাই জীবনে সফল। নতুন করে বেঁচে থাকার স্বাদ তারাই গ্রহন করতে পারে।

সমাজের চরম অবক্ষয় চলছে। দিকবিদিক হয়ে যাচ্ছে সব! ধরুন জীবনের বিশাল বড় কিছু হারিয়ে ফেলেছেন আপনি। এজন্যই কি আপনি নেশাকে আপন করে নিবেন? যেই নেশা আপনাকে দিনের পর দিন কুড়ে কুড়ে খাবে। নেশা শুধু আপনাকে নয়, আপনার পরিবার, সমাজ, ইহকাল-পরকাল চারপাশের সবকিছু শেষ করে দেয়।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিবেশ আজ পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এই নেশার কারণে। আমাদের দেশে বর্তমানে নেশার সকল বস্তুগুলো একদমই হাতের কাছে পাওয়া যায়। আর এগুলো নেয়ার জন্য ছেলে-মেয়ে, ছোট-বড়, ধনী-গরীব, বেকার-চাকরিজীবী, প্রশাসন কোন শ্রেণীর লোকজনই বাদ যায় না। দেশ ডিজিটাল হওয়ার সাথে সাথে নেশার ধরণেও এসেছে বৈচিত্র্যতা। এই নেশার জন্য সমাজ তথা রাষ্ট্র রসাতলে যেতে বসেছে।

শহরের কোণাকাঞ্চিতে নেশাখোরদের আড্ডায় সাধারণ জন-জীবন বিষাক্ত হয়ে উঠছে। তারা সাধারন মানুষের নানা ধরণের ক্ষতি সাধন করে। কেউ কেউ অন্যের বাড়ির চিপায় বসে নেশা করেই ক্ষান্ত হয় না। রীতিমত রাতের আঁধারে ঠেক দিয়ে নেশা করার যোগান রেডি করে। যে বয়সে পড়াশুনা করে নিজ ভবিষ্যৎ গড়বে, সে বয়সেই বেছে নেয় নেশা। কষ্টটা তখনই লাগে! যাই হোক, যে নিজেকে সংযত করতে পারেন সেই সবচেয়ে শক্তিশালী।

আমার মত ছোট মানুষের লেখা বা বলাতে পন্ডিত মার্কা নেশাখোররা কখনোই তাদের এই লোভনীয় বস্তু ছাড়বে না। আসলে তারা নিজেদেরকে ভালোবাসাটাই ছেড়ে দেয়। আর যারা নিজেকেই ভালোবাসেনা, তারা কি করে অন্যকে ভালোবাসবে বা অন্যের ভালোর কথা চিন্তা করবে! নিজেকে ভালোবাসতে শিখুন, যতটুকু সম্ভব জীবনকে সাজানোর চেষ্টা করুন, ভালো কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখুন। কারণ জীবন কিন্তু একটাই।

মনে রাখবেন, জীবনের এই লম্বা সময়ে আপনাকে সবাই যেমন ভালোবাসবে না, তেমনি আবার সবাই ঘৃণাও করবে না। তাই শুভাকাঙ্খীদের গুরুত্ব দিয়ে সামনের দিকে নিজেকে এগিয়ে নিয়ে যান। “পাছে লোকে কিছু বলে” এই স্বভাবটা পরিপূর্ণভাবে ত্যাগ করতে হবে। ইচ্ছাশক্তি, পরিশ্রম আর ধৈর্য্যকে পুঁজি করেই এগোতে হবে সামনের দিকে।

 

সম্পাদক ও প্রকাশক: সরদার মোঃ শাহীন
উপদেষ্টা সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম সুজন
বার্তা সম্পাদক: ফোয়ারা ইয়াছমিন
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: আবু মুসা
সহ: সম্পাদক: মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিস: ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা।
বার্তা বিভাগ: বাড়ি # ৩৩, রোড # ১৫, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা।
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com