লাখ টাকায় বিক্রি হলো ইঁদুরের আঁকা ছবি

প্রকাশের সময় : 2022-08-31 15:45:01 | প্রকাশক : Administration
লাখ টাকায় বিক্রি হলো ইঁদুরের আঁকা ছবি

ইঁদুরের আঁকা একটি ছবি বিক্রি হলো এক হাজার পাউন্ড। বাংলাদেশি টাকায় যার মূল্য এক লক্ষ টাকারও বেশি। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি, গুস নামের ইঁদুরটি শুধুমাত্র একটি ইঁদুরই নয়, একটি চিত্রকরও।

ছোট্ট রডেন্ট তার পছন্দমতো একটি জিনিস অঙ্কন করে আয় করে নিল বিশাল অংক। গুস তার পাঞ্জা ব্যবহার করে ছবি আঁকে। এই কারণে বিখ্যাত হয়ে ওঠার পরে কোনও আর্টস রডেন্টের ডাকনাম ‘রাটিস’ হয়েছে। ১৯ বছর বয়সি জেস ইন্ডসেথ যখন তার পোষা ইঁদুরকে তার আর্টস এবং কারুশিল্প সেট নিয়ে খেলতে দেয়, তখন ইঁদুরটি তার নজরে আসে। তার মধ্যে শৈল্পিক স্বভাব ছিল।

দ্য সান- পত্রিকার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, যখন গুস ইঁদুরটির মালিক জেস তাকে শিল্পকলা ও কারুশিল্পের সেটসহ খেলতে দেয়, তখন শিল্পকর্মের প্রতি তার আগ্রহের বিষয়টি নজরে আসে। ম্যানচেস্টারে এই যুবক ইঁদুরের পা’গুলোতে পেইন্ট মিশিয়ে সঙ্গে কিছু কাগজ দোলাতে থাকেন। এক পর্যায়ে এর ফলাফল দেখে সত্যিই আনন্দে ঘুবাক হন।

ছোট শিল্পীর দক্ষতা দেখে তার মালিক বিষাক্ত নয় এমন পেইন্টিং নিয়ে আসে যেন গুস তার পায়ের যাদু দেখাতে পারে। তারপর আর্টস-এর কাজটি অন-লাইন মার্কেট এটসিতে বিক্রির জন্য পোস্ট করেন মালিক জেস। তারপর অপ্রত্যাশিত অর্ডার পান তিনি। দক্ষিণ কোরিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ার মতো দূরের দেশগুলো থেকেও ২০ কিলো ক্যানভাসের অর্ডার পান জেস। জেসের আরও ৪টি ইঁদুর রয়েছে।

ম্যানচেস্টার ড্রয়লসডেনের একজন সাঁতার প্রশিক্ষক জেস। তিনি বলেন, ‘গুস একটি মিনি ম্যাটিসের মতো। আমি ওর শিল্পকর্ম দেখে অবাক হয়েছিলাম। আমি ইঁদুরের কাজের জন্য একটি মার্কেটপ্লেস খুঁজে পেয়ে অবাক হয়েছি। অবশ্যই এটি দুর্দান্ত বিষয়।’

গুসের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সে অনেক ব্যস্ত। প্রাণবন্ত শিল্পকর্ম তৈরি করতে ক্যানভ্যাসগুলোতে ঝাঁকুনি দিয়ে এবং নিখরচায় মাস্টারপিসগুলোতে মনযোগ দিয়ে কাজ করছে। জেস ২০১৮ সালে গুসকে একজন ব্রিডারের কাছ থেকে কিনে আনার পর দেখে, তার পালিত অন্য পোষা প্রাণীর তুলনায় সে অনেক শান্ত মেজাজের।

তখনই জেস রডেন্টে গুসের প্রেমে পড়ে যান। তিনি তাকে চেরিওসের সঙ্গে প্রশিক্ষণ দেন, তার পাঞ্জাগুলোকে পেইন্টে ডুবিয়ে ছোট ক্যানভ্যাসগুলোতে তিনি যেমন চান ঠিক তেমন তৈরি করতে দেন। এর পরই তৈরি হয়ে যায় দামি পেইন্ট। জেস প্রথমে ইনস্টাগ্রামে তার কাজগুলো পোস্ট করেন। কিন্তু লোকেরা যখন সেগুলো কিনতে চায়, তখন তিনি প্রথমে অবাক হন। পরে নিশ্চিত হয়ে দাম ঠিক করেন। - সূত্র: অনলাইন

 

সম্পাদক ও প্রকাশক: সরদার মোঃ শাহীন
উপদেষ্টা সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম সুজন
বার্তা সম্পাদক: ফোয়ারা ইয়াছমিন
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: আবু মুসা
সহ: সম্পাদক: মোঃ শামছুজ্জামান

প্রকাশক কর্তৃক সিমেক ফাউন্ডেশন এর পক্ষে
বিএস প্রিন্টিং প্রেস, ৫২/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড,
ওয়ারী, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ হতে প্রকাশিত।

বানিজ্যিক অফিস: ৫৫, শোনিম টাওয়ার,
শাহ মখ্দুম এ্যাভিনিউ, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা।
বার্তা বিভাগ: বাড়ি # ৩৩, রোড # ১৫, সেক্টর # ১২, উত্তরা, ঢাকা।
ফোন: ০১৯১২৫২২০১৭, ৮৮০-২-৭৯১২৯২১
Email: simecnews@gmail.com